শনিবার, ১৪ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩০শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** নিষেধাজ্ঞা কাটাতে আন্তর্জাতিক তৎপরতা, নির্বাচনী রাজনীতিতে শক্তিশালী হয়ে ফিরতে চায় আওয়ামী লীগ *** রাত থেকে গণপরিবহনে তেল নেওয়ার সীমা থাকছে না: সড়কমন্ত্রী *** তিন মাস পর জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর *** হয়তো এখনই নয়, তবে ইরান সরকারের পতন হবেই: ট্রাম্প *** ‘পদত্যাগ ও মেয়াদ পূর্ণ করার কথা—সাহাবুদ্দিন দুটিই বলেন প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিতে’ *** সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ‘সাধাসিধা’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান *** ‘প্রধানমন্ত্রীর সামনে যে সুযোগ রয়েছে, তা আগের কোনো দলীয় নেতার ছিল না’ *** অপারেশন থিয়েটারে মির্জা আব্বাস, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার *** মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী *** বিতর্কিত শোক প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মাসুদ কামাল

কুমিল্লায় ভোটকেন্দ্রে হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণ, ভোটারদের ছোটাছুটি

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:১৯ অপরাহ্ন, ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছিল। কুমিল্লা-১১ আসনের এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল। তবে আজ বৃহস্পতিবার (১২ই ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রটিতে একের পর এক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে ভোটাররা প্রাণভয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

ঘটনার সময় কেন্দ্র থেকে ৩০০ মিটার দূরে ছিল সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা। তারা দ্রুত কেন্দ্রে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনা সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অন্তত সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৯০৬। এর মধ্যে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২৫০ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম।

কেন্দ্রে থাকা বিএনপির প্রার্থী কামরুল হুদার নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে জামায়াত-শিবিরের লোকজন ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তবে জামায়াতের প্রার্থী সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের পক্ষের লোকজন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোনো একটি পক্ষ সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে এমন ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে পাশেই সেনাবাহিনী থাকায় দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এখন যথারীতি ভোট গ্রহণ চলছে।

বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে দায়িত্ব পালনকারী সাইফুর রহমান বলেন, ‘জগন্নাথদীঘিসহ পাশের আলকরা ও গুণবতী ইউনিয়নের কেন্দ্রগুলোতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থকেরা সকাল থেকেই প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে অনেক কেন্দ্র তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। আমাদের এই কেন্দ্রে সকাল থেকেই মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছিল। দুপুর ১২টার দিকে জামায়াত-শিবিরের কয়েকজন এসে বলে, সবাই চলে যান, আর ভোট দিতে হবে না। এরপর কেন্দ্রের পাশে দুই দিক থেকে অন্তত সাতটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভোটাররা প্রাণে বাঁচতে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। তারা কেন্দ্রটি দখলে নিতে চায়।’

এদিকে কেন্দ্রটিতে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচনী সমন্বয়ক তৌহিদুর আজম বলেন, ‘আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। এ ঘটনায় কোনোভাবেই জামায়াতের লোকজন জড়িত নেই। যেদিক থেকে ককটেল বা আতশবাজি ফোটানো হয়েছে, ওই পাশে বিএনপির লোকজন অবস্থান করছিল। কিছু করে থাকলে তাদেরই করার কথা। তারা পরিকল্পিতভাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে।’

কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মো. রাশেদ বলেন, ‘দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছিল। এমন সময় ককটেলের মতো কিছু শব্দ আমরা শুনেছি। পরে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। এখন স্বাভাবিক, ভোট গ্রহণ চলছে। আমরা ভোটারদের আশ্বস্ত করেছি যে এখানে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠিত হবে।’

ভোট

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250