বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রে সায় দিচ্ছে গুপ্ত বাহিনী: রিজভী *** আগেভাগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ঝাঁপ শুরু, ট্রাম্পের পর কে *** মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এআই, জাতিসংঘে প্রযুক্তি নেতাদের সতর্কবার্তা *** শ্রীলঙ্কায় জঙ্গিদের ইস্টার সানডে হামলা—মূল হোতা নাউফার মৌলভির ২২০ বছর কারাদণ্ড *** সরকারি সব কমিটি থেকে সরানো হচ্ছে আওয়ামীপন্থীদের *** লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি *** ইউপি নির্বাচনে যেসব প্রতীক পাবেন চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা *** সরকার এই অর্থবছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায়: মীর শাহে আলম *** ইউপি নির্বাচনের জামানত বাড়ল, ব্যয়ের সীমা ১০ লাখ টাকা *** সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয়

সুখবর এক্সপ্লেইনার

শ্রীলঙ্কায় জঙ্গিদের ইস্টার সানডে হামলা—মূল হোতা নাউফার মৌলভির ২২০ বছর কারাদণ্ড

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: এএফপি

শ্রীলঙ্কায় ২০১৯ সালের ইস্টার সানডের ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় প্রায় সাত বছর পর বহুল প্রতীক্ষিত রায় হয়েছে। দেশটির কলম্বোর স্থায়ী হাইকোর্টের তিন বিচারকের বেঞ্চ ১৫ আসামিকে ২০০ থেকে ২৬০ বছর পর্যন্ত কঠোর কারাদণ্ড দিয়েছেন। হামলার পরিকল্পনাকারীদের অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত মোহাম্মদ ইব্রাহিম মোহাম্মদ নাউফার, যিনি নাউফার মৌলভি নামেও পরিচিত, পেয়েছেন ২২০ বছরের কারাদণ্ড। আরও নয় আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

২২ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা এবং সাজা দেওয়া হয়। বিচারক নাভারাত্না মারাসিংহে, রামানাথন কান্নান ও সুজীবা নিশাঙ্কা সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে প্রায় পাঁচ বছর ধরে মামলাটির বিচার চলে। মামলায় মোট ২৪ আসামির বিরুদ্ধে ২৩ হাজার ২৭০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের ২ হাজার ৩০৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। আল জাজিরা ও শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম নিউজফার্স্টও মামলাটিকে দেশটির সবচেয়ে বড় ও জটিল সন্ত্রাসবাদ মামলাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২১ এপ্রিল ২০১৯, ইস্টার সানডের প্রার্থনার সময় শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে প্রায় একই সময়ে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। কলম্বো, নেগোম্বো ও বাত্তিকালোয়া এলাকায় চালানো ওই হামলায় ২৬৯ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন বলে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বিদেশি নাগরিকও ছিলেন। হামলাটি ছিল ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলাগুলোর একটি।

হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের মধ্যেও পরিকল্পনার ব্যাপকতা স্পষ্ট হয়। ইস্টার সানডের প্রার্থনায় অংশ নেওয়া খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি পর্যটকদেরও লক্ষ্য করা হয়। গির্জাগুলোতে যখন মানুষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছিলেন, তখন কলম্বোর অভিজাত হোটেলগুলোতে বিদেশি ও স্থানীয় পর্যটকেরা সকালের খাবার খাচ্ছিলেন। ব্রিটিশ সংবাদপত্র গার্ডিয়ান জানিয়েছে, আদালত সাতটি বিস্ফোরণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সাজা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে তিনটি গির্জা, তিনটি পর্যটন হোটেল এবং আরেকটি স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ছিল।

আদালতের রায়ে ১৫ আসামির মধ্যে ১৪ জনকে হত্যা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্র, হামলায় সহায়তা এবং আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক রাখাসহ গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। একজন কয়েকটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। পাঁচজনকে ২০০ বছর করে, পাঁচজনকে ২২০ বছর করে, চারজনকে ২৪০ বছর করে এবং একজনকে ২৬০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিতদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

নাউফার মৌলভিকে এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা ও আত্মঘাতী হামলাকারীদের কর্মকাণ্ডে সহায়তার অভিযোগ ছিল। আদালতের রায়ে তার ২২০ বছরের সাজা হয়েছে। তবে হামলার সরাসরি আত্মঘাতী হামলাকারীরা কেউ এই মামলায় বিচারের মুখোমুখি হতে পারেননি। বিস্ফোরণে তারা সবাই নিহত হন।

হামলার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার স্থানীয় দুটি ইসলামপন্থী জঙ্গি সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে ন্যাশনাল তাওহিদ জামাতের নাম বিশেষভাবে সামনে আসে। সংগঠনটির নেতা জাহরান হাশিম হামলার অন্যতম প্রধান ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। পরে ইসলামিক স্টেট হামলার দায় স্বীকার করে। তবে ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কার অপরাধ তদন্ত বিভাগের তৎকালীন প্রধান রবি সেনেভিরত্নে দেশটির সংসদীয় তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছিলেন, হামলাকারীদের সঙ্গে ইসলামিক স্টেটের সরাসরি সাংগঠনিক যোগাযোগের প্রমাণ তদন্তে পাওয়া যায়নি; বরং হামলাকারীরা ওই সংগঠনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিল।

এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইস্টার সানডে হামলার বিচার শুধু কে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে—এই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হামলার আগে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কী জানত, কখন জানত এবং কেন ব্যবস্থা নেয়নি—সেই প্রশ্নও। হামলার কয়েক সপ্তাহ আগে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে শ্রীলঙ্কা একাধিক সতর্কবার্তা পেয়েছিল। আল জাজিরা ও গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪ এপ্রিলের মধ্যেই সম্ভাব্য হামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। হামলার আগে আরও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।

২০১৯ সালের সংসদীয় তদন্তে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান নিলান্থা জয়াবর্ধনে ৪ এপ্রিল সম্ভাব্য হামলার তথ্য পেয়েছিলেন। কিন্তু ওই তথ্য যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানো এবং তা অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ব্যর্থতা ছিল। তদন্তে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বও জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সমন্বয়হীনতার একটি কারণ হিসেবে উঠে আসে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের প্রধানকে সবসময় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এ কারণে ইস্টার হামলার বিচারকে শুধু জঙ্গিদের শাস্তির ঘটনা হিসেবে দেখলে পুরো চিত্র পাওয়া যায় না। আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তিরা হামলায় ষড়যন্ত্র, সহায়তা ও অন্যান্য অপরাধে দায়ী সাব্যস্ত হয়েছেন। কিন্তু হামলার আগে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতা এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের প্রশ্ন আলাদা তদন্তের বিষয় হয়ে রয়েছে।

২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দেন। আদালত সাবেক প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা এবং আরও চার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থতার জন্য দায়ী করে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। সিরিসেনাকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১০ কোটি শ্রীলঙ্কান রুপি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্য কর্মকর্তাদেরও সম্মিলিতভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণের অন্যতম ভিত্তি ছিল হামলার আগে পাওয়া গোয়েন্দা সতর্কবার্তা।

এ বছরের জুলাইয়ে সাবেক পুলিশপ্রধান পুজিথ জায়াসুন্দর এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব হেমাসিরি ফার্নান্দোকে গোয়েন্দা সতর্কবার্তা পাওয়ার পর যথাসময়ে ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে শ্রীলঙ্কায় ১৯৭৬ সালের পর কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি। ফলে বাস্তবে এই সাজা কার্যকর হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাদের আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের কথা জানিয়েছেন।

এর বাইরে হামলার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা ব্যবস্থার কোনো অংশের যোগসূত্র ছিল কি না, সেই প্রশ্নও পুরোপুরি শেষ হয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান সুরেশ সাল্লেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হামলার ষড়যন্ত্র ও এতে সহায়তার অভিযোগ তদন্তাধীন। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আল জাজিরার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ফোরের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সাল্লের সঙ্গে হামলাকারীদের যোগাযোগের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিয়ে তদন্ত এখনো চলমান।

ক্যাথলিক চার্চও দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, শুধু হামলাকারীদের চিহ্নিত করলেই পুরো সত্য সামনে আসবে না। চার্চের পক্ষ থেকে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়েছে, যদিও এ দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত প্রমাণ প্রকাশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাথলিক চার্চের নেতা কার্ডিনাল ম্যালকম রঞ্জিত হামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক তদন্ত ব্যবস্থার দাবিও জানিয়েছিলেন।

হামলার আগে গোয়েন্দা সতর্কবার্তা পাওয়ার বিষয়টি তাই এই মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্লেষণাত্মক দিকগুলোর একটি। গার্ডিয়ান ২০১৯ সালের তদন্ত প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, হামলার আগে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো শ্রীলঙ্কাকে একাধিক সতর্কবার্তা দিয়েছিল। হামলার পর দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ওঠে। আল জাজিরাও জানিয়েছিল, শ্রীলঙ্কার তৎকালীন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী ঘটনাটিকে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবে স্বীকার করেছিলেন।

ফলে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর রায় একটি দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সমাপ্তি হলেও ইস্টার সানডে হামলার সব প্রশ্নের সমাপ্তি ঘটেছে কি না, তা বলা যাচ্ছে না। ১৫ জনের দীর্ঘ কারাদণ্ডে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের একটি অংশের বিচারিক দায় নির্ধারিত হয়েছে। নয়জন খালাস পেয়েছেন। একই সঙ্গে হামলার আগে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্য কেন কার্যকর করা হয়নি, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা কেন তৈরি হয়েছিল এবং রাষ্ট্রীয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আরও কোনো ভূমিকা ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো পৃথক তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত।

ইস্টার সানডে হামলার সাত বছর পরের এই রায় তাই একদিকে জঙ্গিবাদী সহিংসতার বিরুদ্ধে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার ফল, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জবাবদিহির প্রশ্নও সামনে রাখছে। ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিলের সেই হামলায় যারা নিহত ও আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের কাছে আদালতের রায় বিচার পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কিন্তু হামলার আগে সতর্কবার্তা থাকার পরও কেন এত মানুষের প্রাণ গেল—এই প্রশ্নের পূর্ণ উত্তর পাওয়া না গেলে শ্রীলঙ্কার জন্য ইস্টার সানডে হামলার অধ্যায় পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা কঠিন।

শ্রীলঙ্কা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার ষড়যন্ত্রে সায় দিচ্ছে গুপ্ত বাহিনী: রিজভী

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

আগেভাগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ঝাঁপ শুরু, ট্রাম্পের পর কে

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩১ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে এআই, জাতিসংঘে প্রযুক্তি নেতাদের সতর্কবার্তা

🕒 প্রকাশ: ০৭:১৯ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

শ্রীলঙ্কায় জঙ্গিদের ইস্টার সানডে হামলা—মূল হোতা নাউফার মৌলভির ২২০ বছর কারাদণ্ড

🕒 প্রকাশ: ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি সব কমিটি থেকে সরানো হচ্ছে আওয়ামীপন্থীদের

🕒 প্রকাশ: ০৬:৪০ অপরাহ্ন, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250