মঙ্গলবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার ঘোষণা *** গবেষণা ও জনমত যাচাই ছাড়া পুলিশের পোশাক পরিবর্তন পুনর্বিবেচনার আহ্বান *** আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘রাজসাক্ষী’ বানিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ *** ‘চেতনা পরিপন্থি হলে তো সংবিধান পরিপন্থি হয় না’ *** নিজের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ডিঅ্যাকটিভেট করলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব *** রাষ্ট্রপতিকে রক্ষায় বিএনপি কেন অনড় ছিল, দলটির বিষয়ে কি বলছেন তিনি? *** ‘বিএনপির শক্ত অবস্থানের কারণেই সাহাবুদ্দিন থেকে গেছেন বঙ্গভবনে’ *** সদ্য সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ৯ হাজার কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ *** বিদ্যুতে বকেয়া ৪৫ হাজার কোটি টাকা, মন্ত্রী বলছেন—দেউলিয়া পরিস্থিতি *** ১২ই মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি

নির্বাচনের আগে চেনাজানা মানুষের কাছে ৩৬ কোটি টাকা সহায়তা চাইলেন মান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, ২৮শে ডিসেম্বর ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

৩৬ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। এমন পরিস্থিতিতে ঋণখেলাপি না হতে চেনাজানা মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

গতকাল শনিবার (২৭শে ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মান্না এ কথা জানান। এ সময় সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ২০০৭–০৮ সালের দিকে নিজ এলাকায় ঋণ নিয়ে একটি হিমাগার করেছিলেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমস্যা দেখা দেওয়ার পর তিনি জেলে যান। সে সময় তার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন ইউনিয়ন পর্যায়ের এক আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি গ্রেপ্তারের পর ওই ব্যবসা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তার ব্যবসায়িক অংশীদার এর এমডি হয়ে যান।

মান্না বলেন, ১০-১২ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন, যা এখন ৩৬ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ৫ই আগস্টের পর ওই এমডির নামে হত্যা মামলা, মানি লন্ডারিংয়ের মামলা হয়েছে। এ জন্য তিনি স্ত্রীসহ দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। ঋণখেলাপি থেকে বাঁচতে হলে ওই এমডিকে আদালতে হাজির করতে হবে। তবে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন, এমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

মাহমুদুর রহমান মান্না ঋণ পুনঃ তফসিলের আবেদন করেছিলেন জানিয়ে বলেন, আদালতে গেলে তার পক্ষে আদেশ এসেছে, যাতে তার নামটি খেলাপির তালিকায় না থাকে। কিন্তু দুপুরে দেওয়া ওই আদেশ সন্ধ্যায় স্থগিত করা হয়েছে। একটি শ্রেণি সেটি আটকে দিয়েছে, যাতে তিনি নির্বাচন করতে না পারেন। বগুড়ায় বিএনপির স্থানীয় সভাপতি একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী। তিনি তার প্রভাব দলগতভাবে ব্যবহার করছেন। দলের একটি অংশ আদালতেও সেই প্রভাব ব্যবহার করছে। অভ্যুত্থানের পর বিচারব্যবস্থা এখনো প্রভাবিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি বলেন, তিনি আদালতের কাছে কিছুটা সময় চেয়েছেন। এর মধ্যে নির্বাচনী মনোনয়ন ফরমও জমা দিতে হবে। তাই তিনি চাচ্ছেন, সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোতে ঋণখেলাপিদের তথ্য সংরক্ষণ) যাতে স্থগিত করা হয়। ঋণখেলাপির তালিকা থেকে তার নাম যেন বাদ রাখা হয়।

ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে চেম্বার আদালতে গিয়েছেন জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, রোববার (আজ) একটি রায় হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তিনি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। রায় যদি তার অনুকূলে না আসে, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

তবে সবদিক বিবেচনায় রায় তার পক্ষে আসা উচিত বলে মনে করেন মান্না। তিনি বলেন, যারা তাকে জানেন, ভালোবাসেন, সেই বিশ্বাস থেকে কেউ যদি এই টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেন, তাহলে তিনি নির্বাচন করতে চান।

মাহমুদুর রহমান মান্না

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250