ছবি : সংগৃহীত
কুড়িগ্রামে আগাম জাতের আমন ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। প্রথম অবস্থায় ঘরে তুলতে পারায় এই জাতের ধান চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে এই ধান কাটার পর একই জমিতে আলু, সরিষা, পিঁয়াজ-সহ অন্যান্য ফসল ফলিয়েও লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি রোপা আমন মৌসুমে ১ লাখ ২০ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম আমন ধান চাষ করা হয়েছিল।
জেলার ৯ উপজেলায় উঁচু জমিতে কৃষকরা বিভিন্ন জাতের আগাম ধান আবাদ করেছেন। এসব জাতের ধানের ফলনও ভালো হয়, আবার কার্তিকের শুরুতেই ঘরে তোলা যায়। সেই সঙ্গে উৎপাদিত খড় দিয়ে গো-খাদ্যেরও সংকট অনেকাংশে মেটানো সম্ভব হয় তাদের।
আরো পড়ুন : যেখানে গরুর মাংসের কেজি ৬৪০ টাকা, ২৫০ গ্রামও বিক্রি হচ্ছে
কৃষকরা বলছেন, প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হওয়ায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে আগাম জাতের ধানের। সেই সঙ্গে ধান কাটার পর একই জমিতে আলু, সরিষা, পিঁয়াজ-সহ অন্যান্য ফসল আবাদ করে লাভবান হওয়ার আশা করছেন তারা।
কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, আগাম ২ বিঘা জমিতে ব্রি-২৮ জাতের ধান আবাদ করেছি। কেটে বাড়িতে নেওয়া হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। এখন আবার জমি তৈরি করে সরিষা আবাদ করার চিন্তা করছি।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এবার আমন মৌসুমে ১ লাখ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম আমন ধান হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আবাদ ভালো হয়েছে।
এস/ আই.কে.জে