ছবি: সংগৃহীত
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নেবে—তা নির্বাচনী ইশতেহারে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।
শনিবার (৩রা জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষায় কেমন নির্বাচনী ইশতেহার চাই’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘শুধু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন গণতান্ত্রিক উত্তরণ। এ জন্য আইনি ও কাঠামোগত সংস্কার করতে হবে এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করতে হবে। প্রতিবারই যেন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, সেই ব্যবস্থা করতে হবে।’
রাজনৈতিক দলগুলোকে আইন মেনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না।’ রাজনৈতিক দলের সংস্কারের জন্য নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা দরকার বলে মন্তব্য করেন সুজন সম্পাদক।
বিগত নির্বাচনগুলোতে জয়ী প্রার্থীদের সম্পদ বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘ক্ষমতার সঙ্গে জাদুর কাঠি রয়েছে। রাজনীতিবিদদের জানাতে হবে, ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যমে অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার যে সুযোগ, রাজনীতির ব্যবসায়ীকরণ ও ব্যবসায়ের রাজনীতিকরণের অবসান তারা কীভাবে ঘটাবেন।’
ড. বদিউল আলম বলেন, ‘নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ “দিনবদলের সনদ” নামে একটি চমৎকার ইশতেহার প্রকাশ করেছিল। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ তাদের সেই অঙ্গীকার ভুলে গেছে, যার মাশুলও দিতে হয়েছে দলটিকে। আমরা মনে করি, নির্বাচনী ইশতেহার ভোটারদের সঙ্গে দলগুলোর একটি চুক্তি। এই চুক্তি অমান্য করলে যেন নাগরিকদের আদালতে যাওয়ার সুযোগ থাকে। মানুষ যেন প্রশ্ন করার সুযোগ পায় যে দলগুলো তাদের অঙ্গীকার কতটা বাস্তবায়ন করেছে।’
খবরটি শেয়ার করুন