সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৩ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সংবাদমাধ্যম প্রাসঙ্গিক না থাকলে সমাজ সংকটে পড়বে *** চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে ইজিবাইকের চালকদের বিক্ষোভ *** নাইজেরিয়ায় ২৫ লাখ আফিম ট্যাবলেট জব্দ, ভারত-বাংলাদেশ থেকে পাচার বলে দাবি কর্তৃপক্ষের *** ফের আরব আমিরাতে নেতানিয়াহুর গোপন সফর, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক *** প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরে তিন স্তরের নিরাপত্তা, মাঠে থাকবে ২ হাজার পুলিশ *** চীন-আমিরাতের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর *** চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ সেনাপ্রধানের *** প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে: হুমায়ুন কবির *** প্রাথমিকের অবশিষ্ট ৮১৭ প্রার্থীর নিয়োগের বিষয়টি পর্যালোচনাধীন: শিক্ষামন্ত্রী *** আদাবরে বাড়ি ও মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা: গ্রেপ্তার ১৩

অসুখ-বিসুখে সেবন করুন চিরতার পানি

লাইফস্টাইল ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, ২রা আগস্ট ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

চিরতা একটি ঔষধি ভেষজ। এটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে বিভিন্ন রোগের নিরাময়ে চিরতার পানি ব্যবহার করার কথা উল্লেখ রয়েছে। 

এটি চর্ম রোগ ও জ্বর সারাতে বেশ কার্যকরী। এছাড়াও হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস, ম্যালেরিয়া জ্বর, অ্যাজমা প্রভৃতি কঠিন অসুখের চিকিৎসাতেও চিরতা ব্যবহার করা হয়। নিচে চিরতার উল্লেখযোগ্য কিছু ভেষজ গুণ ও ব্যবহার সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

জ্বর সারায়

ঋতু পরিবর্তনে অনেকের জ্বর হয়, সেই সঙ্গে সর্দি-কাশি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় হাত-পা চিবোয় বা কামড়ায়। এ অবস্থা হলে ৫-১০ গ্রাম চিরতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ থাকতে নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। পরে তা ছেঁকে সকালে অর্ধেক ও বিকেলে অর্ধেক খেতে হবে। কয়েকদিন খেলে জ্বরের এ ভাবটা চলে যাবে।

অ্যালার্জি সারায়

যাদের এলার্জি হয়ে শরীর চুলকায়, চুলকানোর জায়গাটা ফুলে লাল হয়ে যায়, তারা চিরতার শরণাপন্ন হয়ে ভালো থাকতে পারেন। অ্যালার্জি সারাতে চিরতার তিতা রস সাহায্য করতে পারে। আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে দিনের মধ্যে ২-৩ বারে খেতে হবে। সেই সাথে খাবারের দিকেও নজর দিতে হবে। যেসব খাবার খেলে অ্যালার্জি হয় সেসব খাবার খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে পুঁইশাক, বেগুন, চিংড়ি, ইলিশ মাছ, হাঁসের ডিম ইত্যাদি খাওয়া উচিত হবে না।

আরো পড়ুন : ওজন কমাবে জিরা চা

প্রবল হাঁপানির উপশম হয়

একজিমার সাথে যাদের হাঁপানি আছে অথবা অর্শের রক্ত পড়া বন্ধ হওয়ায় হাঁপানি বেড়ে গেছে, অল্প ঠান্ডা লাগলে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি হয়ে হাঁপানির টানটা বেড়ে গেছে, তারা আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়া তিন ঘণ্টা অন্তর মধুসহ চেটে খাবেন। এতে ২-৩ দিনের মধ্যে প্রবল হাঁপানি কমে যাবে।

কৃমি সারায়

কৃমি হলে পেটের ওপরের অংশটা মোচড়ায়, ব্যথা করে। পেটে কৃমি হলে আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়া সকালে মধুসহ বা চিনি মিশিয়ে চেটে খাবেন। এরপর পানি খেতে পারেন। এতে কৃমির উপদ্রব চলে যাবে।

চুলকানি সারায়

গায়ে চুলকানি হলে ২০ গ্রাম চিরতাতে অল্প পানি ছিটিয়ে বেঁটে বা ছেঁচে নিতে হবে। তারপর তা লোহার কড়াই বা তাওয়াতে ১শ গ্রাম সরষের তেল দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। সরিষার তেল গরম হয়ে ফেনামুক্ত হলে তাতে চিরতা ছাড়তে হবে। ভালো করে ভাজা হলে নামিয়ে ছাঁকতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে চিরতা যেন পুড়ে না যায়। এই তেল চুলকানোর জায়গায় ঘষে অল্প অল্প করে মালিশ করলে দ্রুত চুলকানি সেরে যাবে।

ঘা সারে

ঘা হয়েছে অথচ কিছুতেই সারছে না। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে পাঁচ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি ছেঁকে ঘা ধুয়ে দিলে ২-৪ দিনের মধ্যে উপকার পাওয়া যাবে এবং ঘা দ্রুত শুকাবে।

চুল ওঠা বন্ধ করে

কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, অথচ রোজ মাথা থেকে প্রচুর চুল উঠছে। চুল উঠতে উঠতে ঘন কেশ পাতলা হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি ছেঁকে তা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেললে চুল ওঠা কমবে। একদিন পর পর একদিন এভাবে চিরতার পানি দিয়ে মাথা ধুতে হবে। ৩-৪ বার এভাবে ধুতে পারলে চুল ওঠা অনেক কমে যাবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

চিরতা নিয়মিতভাবে খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে বা কমে। চিরতা দেহে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।

রক্তশূন্যতা কমায়

চিরতা দেহে রক্তকোষ গঠন করে। তাই চিরতা সেবনে রক্তশূন্যতা কমে যায়। এমনকি ঋতুস্রাব বা মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তাও কমাতে পারে। কোথাও কেটে গেলে সে কাটা স্থানে চিরতার রস লাগিয়ে দিলে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ, নাক দিয়ে রক্তপড়া এসবও চিরতা বন্ধ করতে পারে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

চিরতার মধ্যে শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে। এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

এস/  আই.কে.জে

চিরতা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

সংবাদমাধ্যম প্রাসঙ্গিক না থাকলে সমাজ সংকটে পড়বে

🕒 প্রকাশ: ০৭:১৩ অপরাহ্ন, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদাবাজির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে ইজিবাইকের চালকদের বিক্ষোভ

🕒 প্রকাশ: ০৭:০৮ অপরাহ্ন, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাইজেরিয়ায় ২৫ লাখ আফিম ট্যাবলেট জব্দ, ভারত-বাংলাদেশ থেকে পাচার বলে দাবি কর্তৃপক্ষের

🕒 প্রকাশ: ০৭:০১ অপরাহ্ন, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফের আরব আমিরাতে নেতানিয়াহুর গোপন সফর, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরে তিন স্তরের নিরাপত্তা, মাঠে থাকবে ২ হাজার পুলিশ

🕒 প্রকাশ: ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250