ছবি: সংগৃহীত
ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ানের সুঠাম পেশিবহুল চেহারা। এই বয়সেও ‘সিক্স প্যাক’ ধরে রেখেছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, প্রতিদিনের নিয়ম করে শরীরচর্চা ও সঠিক খাওয়াদাওয়ার কারণেই এমন পেশিবহুল চেহারা ধরে রাখতে পেরেছেন। কেবল পেশার কারণে নয়, সুস্থ জীবনযাপনের জন্যও ব্যায়াম ও ডায়েটের প্রয়োজন বলেই মনে করেন সাবেক এ ক্রিকেটার। যে ধরনের ব্যায়াম তিনি করেন এবং কেমন খাবার খান, সে বিষয়েও জানিয়েছেন শিখর ধাওয়ান।
পেশির ক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং পেশি ক্ষয়রোধের জন্য যে ধরনের শরীরচর্চা করা হয়, তাকে স্ট্রেংথ ট্রেনিং বলে। পেশি টোন-আপ করার জন্য তাই স্ট্রেংথ ট্রেনিংয়ের তুলনায় আর কিছু নেই। এ ব্যায়াম করলে হার্ট ভালো থাকে, শরীরের ভারসাম্য বাড়ে, পেশির শক্তি বাড়ে এবং এর পাশাপাশি হাড়ের গঠন মজবুত হয়, আবার একই সঙ্গে ওজনও কমে।
অনেকেই ভাবেন, স্ট্রেংথ ট্রেনিং মানেই ভারি ওজন তুলে ব্যায়াম করা। তা সবসময়ে না-ও হতে পারে। যেমন পুশ-আপ, স্কোয়াট ইত্যাদিও স্ট্রেংথ ট্রেনিয়ের মধ্যেই পড়ে। তাই এর আরেক নাম রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং। ডাম্বেল, বার্বেল, কেটলবেল ও স্যান্ডব্যাগ ব্যায়ামও এর মধ্যেই রয়েছে। শিখর ধাওয়ান নিয়মিত এই ব্যায়ামগুলো করে থাকেন। ডাম্বেল রো, পুশ-আপ, পুল-আপ, লাঞ্জ, হিঞ্জ, ডিপ ইত্যাদিও করেন। এর পাশাপাশি সপ্তাহে তিন দিন ভারি ওজন তুলেও ব্যায়াম করেন তিনি। দৌড়ানো ও অ্যারোবিকের মতো কার্ডি্ও এক্সারসাইজও রয়েছে তার ফিটনেস রুটিনে। সাইক্লিং ও হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভ্যাল ট্রেনিংও করেন শিখর ধাওয়ান। এর পাশাপাশি যোগাসনও করে থাকেন নিয়মিত।
কোনো রকম বাহারি ডায়েট নয়, সুষম আহারই পছন্দ করেন শিখর ধাওয়ান। তার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে প্রোটিন, অল্প কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। প্রাতরাশে থাকে ওটস, নানা রকম ফল, ডিমের সাদা অংশ খান। কখনো দক্ষিণী খাবার যেমন ইডলি, দোসাও পছন্দ করেন। দুপুরে ডাল, মাছ, গ্রিলড চিকেন ও প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খান। রাতের খাবারে থাকে স্যুপ, গ্রিল্ড, সবজি ও বেকড ফিশ। আলুর পরোটাও খুব পছন্দ করেন শিখর ধাওয়ান। তবে তা খেলেও পরে ব্যায়াম করে অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে ফেলেন তিনি।
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন