শনিবার, ১৯শে এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
৫ই বৈশাখ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** কোটা পদ্ধতি থাকা উচিত, আন্তর্জাতিকভাবেও এটি স্বীকৃত: সারা হোসেন *** আরাকান আর্মিকে সম্পৃক্ত না করে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন অসম্ভব: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা *** দলিত সম্প্রদায়ের অবস্থার পরিবর্তনে সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: আনু মুহাম্মদ *** আর্সেনিকে ধান দূষণের ঝুঁকিতে, ক্যান্সারসহ স্বাস্থ্যে প্রভাব নিয়ে যা বলছে গবেষণা *** নতুন মুসলিম রাষ্ট্র গঠন নিয়ে জোর জল্পনা-কল্পনা *** ভারতের সংখ্যালঘু ইস্যুতে বাংলাদেশের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাল দিল্লি *** বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার অঙ্গীকার প্রতিফলিত হয়েছে: পাকিস্তান *** 'পারদর্শী হয়ে উঠছে বাংলাদেশ, স্থিতিশীল হচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক' *** কবি রফিক আজাদের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটির প্রসঙ্গে যা বললেন সুলতানা কামাল *** 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' নতুন নামে স্বীকৃতি পেতে অনুমোদনের প্রয়োজন হবে: ইউনেস্কো

১৯ সন্তানের মা হয়েও সৌদি নারীর ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, ৯ই জানুয়ারী ২০২৫

#

ছবি: সংগৃহীত

সন্তানদের পরিচর্যায় সময় দিতে গিয়ে অনেক নারী পড়ালেখা বাদ দিয়ে দেন। তবে ১৯ সন্তানের মা হয়েও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন সৌদি আরবের এক নারী ।

হামদা আল রুয়াইলি নামে এ নারী ১০ ছেলে ও ৯ মেয়ের মা। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম আল এখবারিয়াকে জানিয়েছেন, সন্তানদের দেখাশুনা, কাজ এবং পড়াশোনা একইভাবে চালিয়ে গেছেন তিনি।

মানসিক স্বাস্থ্য খাতের প্রশাসনিক পদে কাজ, সঙ্গে অনলাইনে ব্যবসা করেন হামদা। তিনি বলেন, আমি দিনের বেলা সন্তানদের পরিচর্যা এবং কাজ করি। রাতের বেলা ব্যবসা ও পড়াশোনা চালাই। আমি কোনো ধরনের ঝামেলা চাই না। তাই খুব সতর্কভাবে আমার সারাদিনের পরিকল্পনা সাজাই।

হামদা আল রুয়াইলি জানিয়েছেন, ৪৩ বছর বয়সে পা দেওয়ার আগেই ব্যাচেলর, মাস্টার্স এবং ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের দ্রুত সমাপ্তি চান ট্রাম্প

১৯ সন্তানকে মানুষ করা খুবই কঠিন কাজ ছিল তার। কিন্তু তিনি শিক্ষক এবং সেনা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছেন। হামদা বলেন, “এত সন্তান বড় করার ক্ষেত্রে আমার রোল মডেল হলেন সেই শিক্ষক যিনি শিক্ষার্থীভর্তি ক্লাস পরিচালনা করেন। এবং সামরিক অফিসার যারা বিপুল সেনাকে নিয়ন্ত্রণ করেন।” তিনি আরও বলেন, “আমার জন্য একটি সন্তানকে বড় করা, ১০ সন্তানকে বড় করার সমান। আমি তাদের প্রয়োজন নিয়ে কাজ করি, লক্ষ্য অর্জনে তাদের সাহায্য করি এবং তারা যেন নিজেদের ইচ্ছাগুলো পূরণ করতে পারে সেজন্য তাদের অনুপ্রেরণা দেই।”

হামদা জানিয়েছেন, তার সন্তানরাও পড়ালেখায় বেশ ভালো। তার এক মেয়ে এতটাই মেধাবী যে কিং আব্দুল আজিজ সেন্টার তার পড়ালেখার খরচ বহন করে।

অনেক বাধা বিপত্তি আসলেও পড়ালেখা থেকে কখনো বিচ্যুত হননি জানিয়ে সৌদির এই নারী বলেন, “এত সন্তানের মা হিসেবে আমার অনেক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও, আমি আমার শিক্ষার স্বপ্নকে বাদ দেইনি। আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই সাফল্যটা সহজ ছিল না। কিন্তু এটি পরিকল্পনা এবং পরিবারের সমর্থনের ফল।”

এসি/কেবি

সৌদি নারী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন