শুক্রবার, ৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** আগেই ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পাওয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নাম আবার *** আমরা প্রস্তুত, মার্কিন সেনাদের জন্য অপেক্ষা করছি—ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী *** ধর্মীয় উগ্রবাদীদের মেইনস্ট্রিম হতে দিইনি, রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য ভাইরাল *** গ্যাস সংকটে দেশের ৬ সার কারখানার ৫টিই বন্ধ *** মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থামানোর উদ্যোগ নেই, প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ইরান *** আতঙ্ক-বিভীষিকায় দিন কাটছে তেহরানবাসীর *** মোজতাবা খামেনিকে ‘পছন্দ নয়’ ট্রাম্পের, ইরানের নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত *** দুই ‘শিষ্যের’ সঙ্গে দুর্নীতির অভিযোগে সমালোচিত ‘গুরু’ আসিফ নজরুল *** স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া কে এই মাহেরীন চৌধুরী *** বৈধ সমিতির কল্যাণ তহবিল চাঁদাবাজি নয়: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

নিজেদের পাপ আড়াল করতে জিয়াং ডেভেলপমেন্ট ফোরামের আয়োজন চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:২৮ অপরাহ্ন, ২৭শে মে ২০২৩

#

চীন কর্তৃক আয়োজিত জিয়াং ডেভেলপমেন্ট ফোরাম ২০২৩ বর্তমানে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে তিব্বত রাইটস কালেক্টিভের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ফোরামের কার্যক্রম প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়।

এই ফোরামের লক্ষ্য তিব্বতের উন্নয়ন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং এই অঞ্চলের সাথে বিশ্বের সমন্বয় ঘটানো। ফোরামের থিম হলো, নতুন যুগ, নতুন জিয়াং, নতুন যাত্রাঃ জিয়াংয়ের উন্নয়ন ও মানবাধিকার সুরক্ষার নতুন অধ্যায়। ফোরামটি আয়োজনের দায়িত্বে ছিল স্টেট কাউন্সিল ইনফরমেশন অফিস এবং তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের জনগণ। 

চীন তিব্বতের উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের বিষয়গুলো বিশ্বের সামনে তুলে ধরে। তবে তিব্বতে নিজেদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো আড়াল করেছে চীন। যতই আড়ালের চেষ্টা করা হোক না কেন তিব্বতে চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা তিব্বতে নির্বিচারে গ্রেপ্তার, ধর্ম পালনে বাধা, সংস্কৃতিতে হামলা, বাক স্বাধীনতা ও সমাবেশের স্বাধীনতার উপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়গুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। 

তিব্বত রাইটস কালেক্টিভ রিপোর্ট তিব্বতের পরিবর্তে জিয়াং শব্দ প্রয়োগ নিয়েও কথা তুলে। জিয়াং চীনের দেওয়া তিব্বতের অপর নাম। এ শব্দ দ্বারাই বুঝা যায় চীন এ অংশে নিজেদের প্রভাব বিস্তার কর‍তে চাইছে।

২৩ মে, তিব্বত ও চীনের মধ্যে বিতর্কিত ১৭ দফা চুক্তির ৭২ তম বার্ষিকী ছিল। এ চুক্তিটি অসহায় তিব্বতি সরকারের উপর জোরপূর্বক চাপানো হয়, যদিও চীনের দাবি এ চুক্তি তিব্বতের উন্নয়নের জন্যেই ছিল।

ফোরামে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, তিব্বতের চরম দারিদ্র‍্যের সমস্যা সমাধান করেছে চীন। আদতে এই ফোরামের মাধ্যমে নিজেদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলো আড়াল করতে চাইছে চীন।

তিব্বতের স্বাধীনতার আন্দোলনকে স্তব্ধ করার জন্য দমন ও সহিংসতার ব্যবহার করেছে চীন। তিব্বতে চীনের উন্নয়ন প্রচারণার লক্ষ্য এই অঞ্চলে চলমান মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বিশ্বের মনোযোগ সরানো।

তিব্বতিরা প্রতিনিয়ত নির্বিচারে গ্রেপ্তার, জোরপূর্বক গুম এবং তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর বিধিনিষেধের সম্মুখীন হচ্ছে। তাই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উচিত এ ধরনের ফোরামের প্রচারণায় প্রতারিত না হওয়া।

Important Urgent

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250