শুক্রবার, ৬ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থামানোর উদ্যোগ নেই, প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ইরান *** আতঙ্ক-বিভীষিকায় দিন কাটছে তেহরানবাসীর *** মোজতাবা খামেনিকে ‘পছন্দ নয়’ ট্রাম্পের, ইরানের নেতা নির্বাচনে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত *** দুই ‘শিষ্যের’ সঙ্গে দুনীতির অভিযোগে সমালোচিত ‘গুরু’ আসিফ নজরুল *** স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া কে এই মাহেরীন চৌধুরী *** বৈধ সমিতির কল্যাণ তহবিল চাঁদাবাজি নয়: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী *** প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময় বিমানবন্দরে থাকবেন যারা *** দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে যা বলছেন ফারুক ওয়াসিফ *** ইরানের সব ড্রোন ঠেকানোর ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের না-ও থাকতে পারে: শীর্ষ মার্কিন সেনা কর্মকর্তা *** সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আনিস আলমগীরের জামিন

দুই ‘শিষ্যের’ সঙ্গে দুনীতির অভিযোগে সমালোচিত ‘গুরু’ আসিফ নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১১:৪১ অপরাহ্ন, ৫ই মার্চ ২০২৬

#

ব্যঙ্গচিত্র: কালের কণ্ঠ

ক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে 'আত্মপক্ষ' সমর্থন করতে গিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল তুলনা টেনেছেন মহানবী মুহাম্মদ  (সা.) এর। তিনি বলেন, 'আমি বহু জঘন্য ও পৈশাচিক মিথ্যাচার সহ্য করে যাচ্ছি। আমাদের মহানবী (সা.) থেকে শুরু করে বহু উলামায়ে কেরাম এর চেয়েও অনেক বেশি মিথ্যাচার ও অপবাদের শিকার হয়েছেন।'

গতকাল বুধবার (৪ঠা মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘আসিফ নজরুলের দুর্নীতি’ শিরোনামে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। তার এমন বক্তব্যে অনেক নেটিজেন বিস্ময় প্রকাশ করে বলছেন, এর মাধ্যমে আসিফ নজরুল মুসলমানদের 'ধর্মীয় অনুভূতিতে' আঘাত করেছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তের দাবিও সরকারের কাছে জানাচ্ছেন নেটিজেনেরা।

নিজের দুর্নীতি ঢাকতে ধর্মের আশ্রয় নেওয়ায় ও মুহাম্মদ (সা.) এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করায় গতকাল রাতে ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সদ্য সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল যখন সমালোচিত হচ্ছিলেন, সেই রাত গভীর হলে দৈনিক কালের কণ্ঠের ই-পেপার চলে আসে দেশ-বিদেশের পাঠকের কাছে। যা মূলত আজ বৃহস্পতিবারের কালের কণ্ঠের ছাপা সংস্করণের সংখ্যা।

এতে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তিনি আসিফ নজরুলের 'শিষ্য' হিসেবে পরিচিত বলে জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমে কর্মরত অনেক সাংবাদিক সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ করেন।

এর আগেই বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক  মাহবুব মোর্শেদের দুর্নীতি প্রকাশিত হয়েছে। সরকারের গঠিত তদন্ত কমিটি তার দুর্নীতির প্রমাণও পেয়েছে।

মাহবুব মোর্শেদও আসিফ নজরুলের 'শিষ্য' বলে অনেক সাংবাদিক তাদের সামাজিক মাধ্যমের লেখায় বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেন। দুই 'শিষ্যের' সঙ্গে 'গুরু' আসিফ নজরুলের দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক মাধ্যম এখন সরগরম। নানা সমালোচনা ও নেতিবাচক মন্তব্য করছেন নেটিজেনেরা। এরই মধ্যে তাদের নিয়ে ছড়িয়ে পড়েছে নানা ব্যঙ্গচিত্র।

তথ্যমতে, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দৈনিক প্রথম আলো আওয়ামী লীগকে নানাভাবে সমর্থন দেয়। পত্রিকাটি বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করে। প্রথম আলোর সাংবাদিকদের ওই দলে ফারুক ওয়াসিফও ছিলেন। তিনি তখন পত্রিকাটিতে কর্মরত।

২০০৯ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের পর সরকারি কোনো পদে বসতে নানা তদ্বির করেন লেখক ও কলামিস্ট ফারুক ওয়াসিফ, এমন অভিযোগ তার ঘনিষ্ঠজনদের। তারা বলছেন, আওয়ামী লীগের সরকারের কাছ থেকে সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে বাম ছদ্মবেশ ধারণ করে পরে সেই সরকারের কঠোর সমালোচক হয়ে উঠেন তিনি।

২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে তখনও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর কর্মীর ভূমিকায় ফারুক ওয়াসিফ মাঠে নামেন বলে অনেক সাংবাদিকের অভিযোগ। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার গঠিত হলে উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মাধ্যমে তিনি পিআইবির মহাপরিচালকের পদে বসেন বলে তখন সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা হয়। এরপর থেকে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্ম দিতে থাকেন ফারুক ওয়াসিফ।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে বসেও জামায়াতের কর্মীদের মতো উগ্র আচরণের জন্য সমালোচিত হতে থাকেন একসময়ের কথিত বামদলের কর্মী ফারুক ওয়াসিফ। এবার তিনি সরকারি অর্থ লোপাট করে সমালোচিত।

এসব বিষয়ে নানাভাবে চেষ্টা করেও আসিফ নজরুলের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। ফারুক ওয়াসিফের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। মাহবুব মোর্শেদের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে ফোন করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের প্রভাব খাটিয়ে বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদকের পদে বসা মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধেও ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এ তদন্ত কমিটির কথা গত ১৯শে ফেব্রুয়ারি জানানো হয়।

সরকারের বিবরণীতে তার দুর্নীতির প্রসঙ্গে বলা হয়, মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে পর্যালোচনার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ১৮ই আগস্ট মাহবুব মোর্শেদকে দুই বছর মেয়াদে বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরদিনই তাকে বিক্ষোভের মুখে কার্যালয় ছাড়তে হয়।

বাসস সূত্র সুখবর ডটকমকে জানায়, মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ গঠিত তদন্ত কমিটি গত ২৫শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। কমিটি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। আপাতত বাসসে লিখিতভাবে মাহবুব মোর্শেদ পদে থাকলেও তার নিয়োগ বাতিল করে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সাংবাদিক সমাজ বলছে, মাহবুব মোর্শেদই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দুর্নীতির দায়ে বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদকের পদ থেকে চাকরিচ্যুত হচ্ছেন। এই পদে থাকাকালীন তিনি বাসসের বেশিরভাগ সহকর্মীর সঙ্গে অপেশাদার ও অপ্রাতিষ্ঠানিক আচরণ করেন বলে বাসসে কর্মরতদের অভিযোগ।

এদিকে সাংবাদিকতার শিক্ষালয় পিআইবিতে বসে মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগে তাকে এই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র সুখবর ডটকমকে নিশ্চিত করেছে।

বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ফারুক ওয়াসিফকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে তাকে চিঠি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুদকের একটি সূত্র। সূত্র বলছে, ফারুক ওয়াসিফের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করবে দুদক।

সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকার ফারুক ওয়াসিফকে জাতীয় পত্রিকা দৈনিক সমকালের প্ল্যানিং এডিটর থেকে ২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বের রাষ্ট্রের সাংবাদিকতাবিষয়ক সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান পিআইবির সর্বোচ্চ পদে বসায়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার চুক্তির মেয়াদ আছে।

পিআইবির মহাপরিচালক হওয়ার পর ফারুক ওয়াসিফ ২০২৪ সালের ১লা নভেম্বর বগুড়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, নিজে দুর্নীতিমুক্ত থাকতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

অন্যদের বরাবরই এমন পরামর্শ দিলেও লেখক ফারুক ওয়াসিফ নিজেই এবার ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। আজ কালের কণ্ঠের ছাপা সংস্করণে প্রকাশিত দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার দুর্নীতি, অনিয়ম ও লুটপাটের চিত্রই তুলে ধরা হয়েছে।

কালের কণ্ঠের ওয়েবসাইট থেকে ফারুক ওয়াসিফকে নিয়ে লেখা লিংকের প্রতিবেদন ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে নানা শ্রেণি-পেশার নেটিজেনের মধ্যে নানানুুখী আলোচনা চলছে। সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকেও তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন ফারুক ওয়াসিফ।

এতে তিনি দাবি করেন, 'ফারুক ওয়াসিফের অন্য দোষ থাকতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক ও আর্থিক স্বচ্ছতাকে কালিমালিপ্ত করা সহজ হবে না। এ ব্যাপারে আমি সজ্ঞানে কোনো অন্যায়-অনিয়ম যে করিনি, তা চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলে রাখলাম। এসব বিষয়ে আমরা প্রেস কাউন্সিলের দ্বারস্থ হবো।'

'ফারুক ওয়াসিফ, আপনিও' শিরোনামের প্রতিবেদনে কালের কণ্ঠ লেখে, প্রিয় পাঠক, দেখুন তো, লেখাগুলোর কথা মনে পড়ে কি না: 'ব্যক্তির দুর্নীতির খেসারত ব্যক্তির শাস্তিতে শেষ হয় না, তার দায় ভোগ করে দেশ, প্রজন্মের পর প্রজন্ম। ব্যক্তির দুর্নীতি তাই রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিপর্যয় ঘটিয়ে ফেলে। রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে, অর্থনীতির ভিত ধসে যেতে পারে।'

পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, কিংবা: 'তুড়ি মেরে ধনী হওয়াই হাল আমলের বাংলাদেশের নতুন প্যারাডক্স বা ধাঁধা।... কিন্তু গত দুই দশকে দুর্নীতি, প্রতারণা, ব্যাংক লোপাট, সড়ক-সেতুতে বাঁশ দেওয়া উন্নয়ন বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশ প্যারাডক্সকে। কালা টাকা ধলা মুখ নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। রাতারাতি ধনী হওয়ার তাড়না যে কতজনকে পোড়াচ্ছে!... আজ হোক, কাল হোক, চাক ভেঙে মধু খাওয়া ভালুকদের থামাতেই হবে।'

পত্রিকাটি জানায়, প্রথম বয়ানটি ২০২৪ সালের ১২ই জুলাই দৈনিক সমকালে ছাপা হওয়া 'দুই স্ত্রীর গল্প অথবা ভালো জিন খারাপ জিন' শিরোনামের নিবন্ধ থেকে নেওয়া। আর দ্বিতীয়টি আরো আগে ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে দৈনিক প্রথম আলোয় ছাপা হওয়া 'তুড়ি মেরে ধনী হব, কে ঠেকাবে' শীর্ষক নিবন্ধ থেকে পাওয়া। নিবন্ধ দুটির লেখক সিনিয়র সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফ। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এভাবে তীব্র-তীক্ষ বয়ান সাংবাদিকজীবনে বহুবার ঝেড়েছেন তিনি। এখন তিনি প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক পদে আসীন।

কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কথায় আছে, কারো সততা-নৈতিকতা পরীক্ষার জন্য প্রথমে তার হাতে টাকা দাও, তারপর দাও ক্ষমতা; দেখো সে কী করে! আমরা দেখছিলাম। দেড় বছর ধরে দেখতে দেখতে সেই পরীক্ষার রেজাল্ট এখন কালের কণ্ঠের হাতে। প্রিয় পাঠক, চলুন দেখে আসি একজন দুর্নীতিবিরোধী কলমসৈনিকের পরীক্ষার খতিয়ান।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পিআইবির মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফারুক ওয়াসিফ। চুক্তি ভিত্তিতে দুই বছরের জন্য তিনি নিয়োগ পান। অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরো বলা হয়, এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দিয়ে নির্ধারিত হবে। পিআইবির ডিজি পদে ফারুক ওয়াসিফ সাবেক ডিজি জাফর ওয়াজেদের স্থলাভিষিক্ত হন।

পিআইবির আইন-২০১৮-এ বলা আছে, সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান পিআইবির কাজ মূলত সাংবাদিকতা বিষয়ে গবেষণা, প্রকাশনা এবং দেশব্যাপী সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেওয়া।

আরো কিছু দায়িত্বসহ সংবাদপত্র, বার্তা সংস্থা, রেডিও, টেলিভিশন, তথ্যকেন্দ্র এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের উপদেশক ও পরামর্শক সেবা প্রদান করাও পিআইবির কাজের অংশ।

ফারুক ওয়াসিফ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250