রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল *** মমতার আমলে পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা হয়েছিল: ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী *** উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক পরীক্ষার কারণে ১,৩৯৯টি ভূমিকম্প হয়ে থাকতে পারে: গবেষণা *** হুতিদের মোকাবিলায় এবার সৌদির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা তুরস্কের! যুদ্ধ করবে কি? *** কমলাপুর রেলস্টেশনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ *** তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর আগামী নভেম্বরে করা যায় কি না, আলোচনায় ঢাকা-দিল্লি *** জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান *** মন্ত্রী বড়, নাকি সংসদ সদস্য—কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রশ্ন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের *** আওয়ামী লীগ-জামায়াত এক হয়েও বিএনপির কিছুই করতে পারেনি: এমপি চাঁদ *** তেজগাঁওয়ে মসজিদে গোপন বৈঠক: উগ্রবাদ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১২ জন ৩ দিনের রিমান্ডে

প্রথম ‘আয়না গ্রহের’ সন্ধান

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩০ অপরাহ্ন, ১৩ই জুলাই ২০২৩

#

শিল্পীর কল্পনায় আয়না গ্রহ। ছবি: রয়টার্স

এই প্রথম আয়না গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই গ্রহের ওপর পড়া আলো এত বেশি প্রতিফলিত হয় যে গ্রহটিকে মহাশূন্যে ‘বিশাল একটি আয়না’র মতো দেখায়। এ জন্য এটিকে ‘আয়না গ্রহ’ বলা হচ্ছে।

এলটিটি৯৭৭৯বি নামে গ্রহটি সূর্যের মতো এর নক্ষত্রের কক্ষপথে প্রতি ১৯ ঘণ্টায় একবার প্রদক্ষিণ করে। দেখে মনে হয়, টাইটানিয়াম ও সিলিকেট দিয়ে তৈরি ধাতব মেঘ গ্রহটিকে মালা পরিয়ে দিয়েছে।

এই গ্রহ আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতেই অবস্থিত। পৃথিবী থেকে এই গ্রহের দূরত্ব ২৬৪ আলোকবর্ষ। এই গ্রহের ওপর পড়া আলোর ৮০ শতাংশই এটি প্রতিফলিত করে। এতে গ্রহটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রতিফলিত প্রাকৃতিক বস্তুতে পরিণত হয়েছে।

অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকস জার্নালে এই আবিষ্কারের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার সহলেখক জ্যোতির্বিজ্ঞানী অধ্যাপক জেমস জেনকিনস বলেন, ‘এটি মহাশূন্যে অতিকায় একটি আয়না।’

পৃথিবীর ব্যাসের চেয়ে এই গ্রহের ব্যাস ৪ দশমিক ৭ গুণ বড়। এটি নিজ নক্ষত্রকে বুধ গ্রহের চেয়েও আরও কাছ থেকে প্রদক্ষিণ করে। আমাদের সৌরজগতে বুধ সবচেয়ে কাছ থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে। পৃথিবী থেকে সূর্যের যত দূরত্ব, সে হিসাবে এই গ্রহ নিজ নক্ষত্রের ৬০ গুণ নিকটবর্তী।

চাঁদ ছাড়া পৃথিবীর রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু হলো শুক্র। এটি আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে প্রতিফলিত প্রাকৃতিক বস্তু। এই গ্রহ সালফিউরিক অ্যাসিডের বিষাক্ত মেঘে আবৃত। শুক্র আগত আলোর প্রায় ৭৫ শতাংশ প্রতিফলিত করে। আর পৃথিবী প্রতিফলিত করে প্রায় ৩০ শতাংশ আলো।

নিজ নক্ষত্র থেকে তীব্র সৌর বিকিরণের ফলে এলটিটি৯৭৭৯বির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ১ হাজার ৮০০ সেন্টিগ্রেড, যা গলিত লাভার চেয়েও বেশি। এ ধরনের তাপমাত্রায় পৃথিবীর মতো জলবাহী মেঘের বায়ুমণ্ডল অনেক আগেই উধাও হয়ে যেত।

আরো পড়ুন: সৌরজগতের বাইরে গ্রহের সন্ধান দিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

গবেষকেরা মনে করছেন, এই গ্রহের মেঘগুলো টাইটানিয়াম ও সিলিকেটের সংমিশ্রণে তৈরি ধাতব। এ দুটি উপাদানেই পৃথিবীর ভূত্বকের বেশির ভাগ শিলা তৈরি।

অধ্যাপক জেনকিনস বলেন, ‘এমনকি আমাদের ধারণা, এসব মেঘ ড্রপলেটে পরিণত হতে পারে এবং গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের কিছু অংশে টাইটানিয়াম বৃষ্টিও হয়ে থাকতে পারে।’

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, যুক্তরাজ্য

এম এইচ ডি/

সৌর জগত মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি জ্যোতির্বিজ্ঞানী সূর্য নক্ষত্র মেঘ টাইটানিয়াম

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250