বৃহস্পতিবার, ১৯শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বছরেই: মির্জা ফখরুল *** গুম, খুনের শিকার পরিবারে ‘ঈদ উপহার’ পাঠাচ্ছেন তারেক রহমান *** সহশিল্পীদের চোখে অভিনেতা শামস সুমন *** স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক ইভেন্টে ‘ইন্টারেস্টেড’ ক্লিকে বরখাস্ত হলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা *** হরমুজ প্রণালি বন্ধ, চা–সমুচা–দোসার রসনাবঞ্চিত ভারতীয়রা *** ক্ষমা চেয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, দিয়েছেন ‘অপ্রয়োজনীয়’ কথা আর না বলার প্রতিশ্রুতি *** ঈদের দিন যমুনায় কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী *** আইজিপির বাগেরহাটের বাসভবনে চুরির খবরটি ভিত্তিহীন: জেলা পুলিশ *** ড. ইউনূসের চেয়ে বড় বাটপার বাংলাদেশের সরকারে কেউ আসেননি: আনিস আলমগীর *** সরকার গঠনের ২৮ দিনে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপ ‘অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’

সাত বছর পালিয়ে থাকার পর গ্রেপ্তার আসামি কালু

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০২:০০ অপরাহ্ন, ৩রা জুন ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যা মামলার পলাতক আাসমি খাইরুল ইসলাম কালুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

শুক্রবার রাত ২টার দিকে নগরের আকবর শাহ থানার ছিন্নমূল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আলোচিত ঘটনাটির সাত বছরের মাথায় গ্রেপ্তার করা হলো তাকে। গ্রেপ্তার খাইরুল ইসলাম কালুর বাড়ি রাঙ্গুনিয়া উপজেলায়।

পিবিআই চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটের পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মিতু হত্যা মামলার আসামি কালু বিভিন্ন ছদ্মবেশ নিয়ে গত সাতবছর ধরে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন। সর্বশেষ তিনি আকবর শাহ এলাকায় একটি ভবনে নিরাপত্তা রক্ষী হিসেবে চাকরি করছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।

গ্রেপ্তারের পর কালুকে পরোয়ানামূলে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করবে বলে জানিয়েছেন পিবিআইয়ের এই কর্মকর্তা।

আলোচিত মিতু হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে চট্টগ্রামের একটি আদালতে। পলাতক কালুকে গ্রেপ্তার পরোয়ানার পাশাপাশি বিদেশযাত্রা ঠেকাতে তার পাসপোর্ট জব্দের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

আরো পড়ুন: এই বাজেট ঘুরে দাঁড়ানোর বাজেট : আওয়ামী লীগ

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের পাঁচলাইশ থানার ও আর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে বাসার অদূরে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে খুন করা হয় মাহমুদা খানম মিতুকে।

২০২২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সাতজনকে আসামি করে আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে। ১০ অক্টোবর আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। চলতি বছরের ১৩ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ৯ এপ্রিল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। 

এম/



Important Urgent

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250