শনিবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৯ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ ও ‘একাত্তরের দালাল’ স্লোগান *** একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা *** ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করলেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট *** বিমানের পরিচালক হিসেবে জয়েন করিনি: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব *** প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্ব পেলেন *** জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি *** ‘প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করে ভারত’ *** এবার পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ‘উদ্বোধনী ব্যানার’ *** মানুষকে যাতে ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে না হয়, ডাক্তারই মানুষের পেছনে ঘুরবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** সমঝোতার চাঁদা: একই যুক্তি অন্য খাতেও প্রয়োগের আশঙ্কা টিআইবির

৩৬ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:২৫ অপরাহ্ন, ২৭শে অক্টোবর ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

বাজারে আলুর কেজি এখন প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। এর প্রায় অর্ধেক দামে কেজি ৩৬ টাকায় আলু বিক্রি করা হয়েছে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায়। 

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে ওই দামে ১৭ হাজার ২২৫ কেজি আলু বিক্রি করা হয়েছে।

কম দামে আলু বিক্রির সময় গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ তামান্না উপস্থিত ছিলেন। তবে এ আলু মাত্র দুই ঘণ্টায় বিক্রি শেষ হয়ে যায়। এ কারণে অনেকে লাইনে দাঁড়িয়েও আলু কিনতে পারেননি। এর আগে বুধবার সন্ধায় ওই আলু সরকারি নির্ধারিত দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বাজারে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৭০ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, তারা আড়ত থেকে আলু কেনেন প্রকারভেদে প্রতি কেজি ৫৫-৬০ টাকায়। কিন্তু বাস্তবতা তা নয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ তামান্না জানান, গত বুধবার তিনি গঙ্গাচড়া বাজার তদারকি করতে বের হন। এরপর আলুর আড়তেও যান তিনি। এ সময় পাইকারি ও খুচরা বাজারে আলুর দামের মধ্যে বেশ পার্থক্য দেখতে পান। ইউএনও খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের এ সময় সতর্ক করে দেন। পরে তিনি আলুর আড়ত থেকে গঙ্গাচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলামকে দিয়ে ১৭ হাজার ২২৫ কেজি আলু ৩০ টাকা দরে ক্রয় করান। পরের দিন বৃহস্পতিবার সেই আলু প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিক্রি করা হয়।

ইউএনও নাহিদ তামান্না বলেন, এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। আমরা বাজার মনিটরিংয়ে গেলে তখন সবকিছুর দাম অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে যায়। ফিরে আসামাত্রই দাম চলে যায় আগের অবস্থানে। আবার বেশি দামে ব্যবসায়ীরা বিক্রি শুরু করেন। এ কারণে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছি। এরপর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসকে/ 

দাম আলু বিক্রি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250