বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** অজিত পাওয়ারকে বহনকারী বিমান বিধ্বস্তের আগে ‘রহস্যজনক নীরবতা’ *** ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সংকেত বুঝতে পারছে না সরকার *** ‘আমি কিন্তু আমলা, আপনি সুবিচার করেননি’ *** প্রধান উপদেষ্টার কাছে অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি *** ভারত-ইউরোপের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি *** ‘গ্রিনল্যান্ড: মার্কিন হুমকি বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়’ *** নতুন মার্কিন নীতি বাংলাদেশের উপর যে প্রভাব ফেলবে *** ‘কর্মক্ষেত্রে কাজের চাপ পুরুষদের সমকামী করে তুলতে পারে’ *** মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে বিসিএস ক্যাডার, সিনিয়র সহকারী সচিব কারাগারে *** নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে না যুক্তরাষ্ট্র, খোঁজ-খবর রাখবে

লাভ বেশি হওয়ায় রাজবাড়ীতে সরিষার আবাদ বেড়েছে

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:১৪ অপরাহ্ন, ৭ই জানুয়ারী ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

হলুদ ফুলে প্রকৃতি যেন সেজেছে অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে রাজবাড়ীর কালুখালীর রতনদিয়ার মুড়ারিখোলা পদ্মার শাখা নদীর পাড়ে আসছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা, কাটাচ্ছেন প্রিয় মুহূর্ত। অনেকে আবার প্রকৃতির রূপ ধারণ করছেন ক্যামেরা বা মোবাইল ফোনে।

এদিকে সরিষা চাষে খরচের তুলনায় লাভ বেশি হওয়ায় এ বছর বেড়েছে আবাদ। তবে মৌমাছি না থাকায় ফলন কমের আশঙ্কা করছেন চাষিরা। জেলার কালুখালীর রতনদিয়া মুড়ারিখোলা, হরিণবাড়ীয়াসহ প্রতিটি উপজেলার ফসলের মাঠে এখন শোভা পাচ্ছে সরিষা ফুল। খরচের তুলনায় কয়েকগুণ লাভজনক সরিষা চাষ। ফলে দিন দিন বাড়ছে সরিষার আবাদ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় সাড়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও চাষ হয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। গত বছর আবাদ হয়েছিল ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে।

ঘুরতে আসা শামীম ও এনামুল বলেন, ‘আমরা প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার না, শখ করে ফটো তুলি। এত সুন্দর দৃশ্য স্মৃতি হিসাবে ধরে রাখতে বন্ধু ও ভাইদের সঙ্গে ছবি তুলতে এসেছি। খুব ভালো লাগছে। ছবিগুলোও সুন্দর হচ্ছে।’

প্রকৃতিপ্রেমী মিন্টু হাসান, তানভীর ও মেহরাব হোসেন বলেন, ‘মাঠজুড়ে সরিষার হলুদ ফুলের দৃশ্য দেখার জন্য এসেছি। অনেক সুন্দর জায়গা। একটি বাঁশের সাঁকো এখনকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে।’

আরো পড়ুন: অল্প জমিতেই এলাচ চাষ করে আয় করুন লাখ লাখ টাকা

সরিষা চাষি আব্দুর রাজ্জাক খান, সুবল চন্দ্র প্রামাণিক এবং জিন্দার খা বলেন, ‘এখানে অনেক সরিষা হয়। এবার অন্য বছরের চেয়ে খরচ বেশি পড়েছে। ফুলও অনেক দেখা যাচ্ছে। মৌমাছি না থাকায় ফলন ভালো হবে না। সরিষা ফুল দেখতে লোকজন আসে। ঘুরে ঘুরে দেখে আর ছবি তোলে। আমাদের ভালোই লাগে।’

রাজবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাজবাড়ীতে সরিষার আবাদ বৃদ্ধির জন্য কাজ করছি। এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছি। সরিষার রোগবালাইও কম হয়।’

এসি/ আই. কে. জে/ 


রাজবাড়ী সরিষা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250