সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বিশ্ববাজারে কমলেও দেশে কেন জ্বালানি তেলের দাম বাড়াচ্ছে সরকার, বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী ছিল *** জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় জনজীবন আরও দুর্বিষহ হবে: জামায়াত *** জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর বাস ভাড়া বাড়ানোর দাবি পরিবহন মালিকদের *** জ্বালানি পাচার রোধে মূল্য সমন্বয় করেছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী *** বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে ১০১ ডলার *** নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা হলে বিএনপি হাত গুটিয়ে থাকবে না: রিজভী *** একাত্তরের ভূমিকার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনার প্রস্তাবে সমর্থন ছিল মুজাহিদ, কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লার *** জামায়াত বারবার ‘ক্ষমা’ চাওয়ার রাজনীতি করেছে, আনুষ্ঠানিক ক্ষমাপ্রার্থনা করেনি *** এমপি নজরুলের ৪ দিন ও প্রথম স্ত্রীর এক দিনের রিমান্ড *** স্বল্পতম বহর নিয়ে সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন

যে দোয়া পড়লে জীবনে স্বচ্ছলতা আসে

ধর্ম ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:১৯ অপরাহ্ন, ১২ই আগস্ট ২০২৩

#

প্রতীকী ছবি

অর্থাভাব থেকে বেঁচে থাকতে দোয়া প্রার্থনার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অভাব মোচনে বেশি বেশি এ দোয়াটি করা। যা আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য কুরআনে তুলে ধরেছেন। আর তাহলো-

اللَّهُمَّ رَبَّنَا أَنزِلْ عَلَيْنَا مَآئِدَةً مِّنَ السَّمَاء تَكُونُ لَنَا عِيداً لِّأَوَّلِنَا وَآخِرِنَا وَآيَةً مِّنكَ وَارْزُقْنَا وَأَنتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা রাব্বানা আনযিল আলাইনা মাইদাতাম মিনাস্সামায়ি তাকুনু লানা ঈদাল্লি আউয়্যালিনা ওয়া আখিরিনা ওয়া আয়াতাম মিনকা ওয়ারযুকনা ওয়া আনতা খায়রুর রাযিকিন।

’ (সুরা মায়েদা: আয়াত ১১৪)

অর্থ : ‘হে আমাদের প্রভু-প্রতিপালক আল্লাহ! তুমি আকাশ থেকে আমাদের জন্য খাবার ভরতি খাঞ্চা অবতীর্ণ কর যেন তা আমাদের প্রথম অংশের জন্য আর আমাদের শেষ অংশের জন্য আনন্দোৎসব হবে এবং তোমার পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন হয়। তুমি আমাদেরকে রিজিক দান কর। প্রকৃতপক্ষে তুমিই উত্তম রিজিকদাতা। ’

নিচের আমলটি অভাব দূর হওয়ার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী ও পরীক্ষিত। অভাব দূর হওয়ার জন্য সূর্য উঠার আগে একটু কষ্ট করলেই ফযরের নামাযের আগে বা পরে আপনি নিচের আমলটি করতে পারেনঃ

একজন সাহাবী রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু আরয করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়া আমার প্রতি পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছে। (অর্থাৎ আমি চরমভাবে অভাবগ্রস্থ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, ‘তোমার কি ঐ তাসবীহ স্মরণ নেই, যে তাসবীহ ফেরেশতা এবং মাখলুকের, যার বরকতে রুজি প্রদান করা হয়। যখন সুবহে সাদিক উদিত (শুরু) হয় তখন এ তাসবীহ ১০০ বার পাঠ কর:

উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম, ওয়া বিহামদিহি আস্তাগফিরুল্লাহ।

অর্থঃ মহাপবিত্র আল্লাহ এবং সকল প্রশংসা তার জন্য; মহাপবিত্র আল্লাহ, যিনি সমুচ্চ, মহান; এবং সকল প্রশংসা তার জন্য, আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।

যদি ১০০ বার পড়, তাহলে দুনিয়া তোমার নিকট অপমানিত হয়ে আসবে। (অর্থাৎ তুমি সহজেই স্বচ্ছলতা লাভ করবে। ) ঐ সাহাবী রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু চলে গেলেন। কিছুদিন পর পুনরায় হাজির হয়ে, আরয করলেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! দুনিয়া আমার নিকট এত বেশি আসছে, আমি হতবাক! কোথায় উঠাব, কোথায় রাখব! (উৎস: আল খাছায়িছুল কুবরা, ২য় খন্ড, ২৯৯ পৃষ্ঠা)

আ’লা হযরত রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন: এ তাসবীহ যথাসম্ভব সুবহে সাদিক (শুরু) হওয়ার সাথে সাথে যেন পাঠ করা হয় নতুবা সকালের আগে, জামাআত যদি আরম্ভ হয়ে যায় তবে জামাআতে শরীক হয়ে পরে সংখ্যা পূর্ণ করুন এবং যেদিন নামাযের পূর্বেও পাঠ করতে না পারেন, তবে সূর্য উদিত হওয়ার আগেও পাঠ করতে পারবেন।

উপরোক্ত তাসবীহ পড়ার সাথে সাথে নিচের আয়াত শরীফও সকাল সন্ধ্যায় তিনবার পড়বেনঃ

উচ্চারণঃ ওয়া মাই-ইয়াত্তাকিল্লাহা ইয়াজ আল্লাহু মাখরাজা। ওয়া ইয়ারযুকহু মিন হাইসু লা ইয়াহ তাসিব। ওয়া মান ইয়া তা ওয়াক্কাল আলাল্লাহি ফাহু ওয়া হাসবুহু ইন্নাল্লাহা বালিগু আমরিহি কাদযায়াল্লাহু লিকুল্লি শাইয়িন কাদরা।

অর্থঃ আর যে আল্লাহ্‌কে ভয় করে, আল্লাহ্‌ তার জন্য মুক্তির পথ বের করে দেবেন; এবং তাকে ওই স্থান থেকে জীবিকা দেবেন, যেখানে তার কল্পনাও থাকে না এবং যে আল্লাহ্‌র উপর ভরসা করে, তবে তিনি তার জন্য যথেষ্ট। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তার কাজ পরিপূর্ণকারী। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ প্রত্যেক বস্তুর একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ রেখেছেন। (উৎস: সূরা-ত্বালাক, আয়াতঃ ১, ২)

ওআ/

আমল দোয়া

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250