মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাংলাদেশকে পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র করতে চায় চীন: বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন *** বাসভাড়া কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, প্রজ্ঞাপন আজ *** জাপানে টাইফুন দুজুয়ানের আঘাতে ৪ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৬ *** ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন হবে চেয়ারম্যান সেলিম খান ও তার ছেলের মরদেহ *** দেশে বীজের বার্ষিক চাহিদা ১৩ লাখ, পরীক্ষিত ৩০ শতাংশ *** বুধবার থেকেই বিশ্বজুড়ে বন্ধ হয়ে যাবে ইরানের সব এয়ারলাইন, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি *** রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পুতিনের দলের *** ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা ৩ মার্কিন সংবাদমাধ্যমের, টেলিভিশন ‘পুল’ কভারেজ স্থগিত *** বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ কত শক্তিশালী হবে, গরম কমবে কি *** ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

পিসিওএস সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নারীরা যা করবেন

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৪২ অপরাহ্ন, ২৮শে মার্চ ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

নারীদের মধ্যে পিসিওএস (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম) বা পিসিওডির (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ) সমস্যা বাড়ছে। এটি মূলত হরমোনের সমস্যা। এই রোগের কারণে নারীর ওভারিতে সিস্ট হয়। যদিও জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।

তবে নিয়মকানুন না মানলে কিংবা সঠিক চিকিৎসা না নিলে এই সমস্যা নারীর বন্ধ্যাত্বও ডেকে আনতে পারে। এই রোগে আক্রান্ত নারীর ডিম্বাশয় বেশি পরিমাণে অ্যান্ড্রোজেন তৈরি করে। যদিও এই হরমোন নারীর শরীরে খুব কম থাকে, কারণ এটি মূলত পুরুষের হরমোন।

ডিম্বাণু তৈরি হওয়ার জন্য যে হরমোনের প্রয়োজন সেটি যথেষ্ট পরিমাণে তৈরি না হলে, ডিম্বাণু তৈরি করতে পারে না শরীর। ফলে ডিম্বাশয়ের বাইরে ছোট ছোট সিস্ট দিয়ে একটা আস্তরণ তৈরি হয়। এ কারণে নারীর শরীরে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- অনিয়মিত ঋতুস্রাব, ওজন বেড়ে যাওয়া, মন-মেজাজ খারাপ থাকা, শরীরে ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ করে না, গর্ভধারণে সমস্যা ইত্যাদি।

সাধারণত কমবয়সীদের মধ্যেই এ সমস্যা দেখা দেয়। তবে সন্তান হওয়ার পর কিংবা ৩০ বছর বয়সী নারীর মধ্যেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পিসিওএস বা পিসিওডি মূলত লাইফস্টাইল ডিজিজ। কায়িক পরিশ্রম কমে যাওয়ার কারণে শরীরের হরমোনাল ভারসাম্য নষ্ট হয়।

আরো পড়ুন : খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায় জানা আছে কি?

পিসিওএস থেকে রেহাই পেতে কার্ডিও ব্যায়াম সবচেয়ে উপযোগী। প্রতিদিন সকালে ২০ মিনিট জোরে হাঁটা বা জগিং করা, সাইক্লিং, সাঁতার ও ফ্রি-হ্যান্ড ব্যায়াম এই রোগ থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে। এর পাশাপাশি যোগব্যায়ামও বেশ উপকারী।

গাইনোকোলজিস্টরা জানান, শরীরচর্চার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াও প্রক্রিয়াজাত ও ভাজাপোড়া খাবার একেবারেই বাদ দিন খাদ্যতালিকা থেকে। আর মিষ্টি খাবারও এড়িয়ে চলতে হবে। তবে ধীরে ধীরে এই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন আপনি।

এমন রোগীরা অবশ্যই বেশি করে শাকসবজি ও ফল খাবেন। এর পাশাপাশি আদা, হলুদ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ব্যবহার বাড়াতে হবে। ক্যামোমাইল চায়ে প্রদাহ-বিরোধী প্রভাব আছে, এটিও অন্তর্ভূক্ত করুন খাদ্যতালিকায়।

অন্যদিকে ফ্ল্যাক্সসিড হরমোন ফাংশন সংশোধন করে ডিম্বাশয়ের সিস্ট দূর করতে সাহায্য করে। এতে প্রদাহবিরোধী উপাদান ছাড়াও ভিটামিন বি৬ আছে, যা হরমোন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।

পিসিওসের চিকিৎসায় ম্যাগনেসিয়াম খুবই কার্যকরী। এই উপাদান ডিম্বাশয়ের সিস্টের সমস্যার সমাধান করে। তাই খাদ্যতালিকায় ম্যাগনেসিয়ামযুক্ত খাবার অবশ্যই রাখুন।

সূত্র: ডা. দীপ্তি আস্থানারি ওয়েবসাইট

এস/  আই. কে. জে/


নারী হরমোন পিসিওএস

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250