ছবি: সংগৃহীত
২০২৩ সালে গাজায় গণহত্যামূলক আগ্রাসন শুরুর পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ভোটে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার।
আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোট দিতে শুরু করেছেন ইসরায়েলিরা। প্রথম পাঁচ ঘণ্টায় দেশটির ভোটাররা নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।
দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি জানিয়েছে, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ লাখের বেশি ইসরায়েলি ভোট দিয়েছেন এবং সারা দেশে ভোটার উপস্থিতির হার ৩১ দশমিক ৫ শতাংশ।
১৯৭৩ সালের পর থেকে নির্বাচনের এই পর্যায়ে এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি। ২০২২ সালের সর্বশেষ নেসেট নির্বাচনে দুপুর নাগাদ ভোটের হার ছিল ২৮ দশমিক ৪ শতাংশ।
এবারের নির্বাচনে দেশজুড়ে ভোটকেন্দ্রগুলোতে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তবে ব্যালট পেপারে পরিকল্পিতভাবে কারচুপির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি।
তারা বলেছে, ‘অনলাইনে এমন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও ব্যালট পেপারে পরিকল্পিতভাবে কারচুপির কোনো ইঙ্গিত এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।’ তারা আরও জানায়, প্রতিটি অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার, নাফতালি বেনেটের বি’ইয়াহাদ, ওফের উইন্টারের পিপল অব ইসরায়েল, আভিগদর লিবারম্যানের ইসরায়েল বেইতেনু, মানসুর আব্বাসের রা’আম এবং ইয়োয়াজ হেন্ডেলের রিজার্ভিস্টস-ইকোনমিক পার্টিসহ কয়েকটি দল অনিয়মের অভিযোগ জানানোর পর এই বিবৃতি দিয়েছে নির্বাচন কমিটি।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যালট পেপার না পাওয়া, ব্যালট পেপার বিকৃত করা এবং ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা। সর্বশেষ তথ্য জানতে জনসাধারণকে সিইসির আনুষ্ঠানিক মাধ্যমগুলোর ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছে কমিটি।
খবরটি শেয়ার করুন