বৃহস্পতিবার, ২৯শে জানুয়ারী ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ই মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ট্রিগারে আঙুল রাখা আছে—ট্রাম্পের ‘ভয়াবহ হামলার’ হুমকির জবাবে ইরান *** শেরপুরের ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে: অন্তর্বর্তী সরকার *** বাপের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করছি, ব্যবসা করতে আসিনি: মির্জা ফখরুল *** নারীরা কখনো জামায়াতের আমির হতে পারবেন না: শফিকুর রহমান *** জামায়াতের নারী ও পুরুষ কর্মীরা ২০টি করে জাল ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন: নয়ন *** ২২ বছর পর আজ রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান *** ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু আজ *** বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং খাতে বঞ্চনার শিকার মুসলিমরা *** সরকারি কর্মচারীদের পাঁচ বছরের বেশি থাকা ঠিক না: প্রধান উপদেষ্টা *** আড়াই মাস চেষ্টা করেও আল জাজিরা তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার নিতে পারেনি

ইতালিতে ধর্মযাজকদের যৌন নিপীড়নের শিকার ৪,৪০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:১৮ অপরাহ্ন, ২৫শে অক্টোবর ২০২৫

#

ছবিসূত্র : রয়টার্স

ইতালিতে ক্যাথলিক পুরোহিতদের হাতে ২০২০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৪০০ জন মানুষ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীদের সংগঠন রেতে ল’আবুসো। শুক্রবার (২৪শে অক্টোবর) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে সংগঠনটি জানিয়েছে, বিচারিক সূত্র, গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং ভুক্তভোগীদের বয়ানের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে। সূত্র : রয়টার্স। 

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ফ্রান্সেস্কো জানার্দি জানান, এই নির্যাতনের ঘটনাগুলো কত বছর আগে থেকে শুরু হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হয়নি। ইতালির বিশপ সম্মেলন (সিইআই) বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

সম্প্রতি ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশন তাদের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করেছিল। বিশ্বব্যাপী ক্যাথলিক চার্চ বহু বছর ধরে শিশু নির্যাতনের কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত। কিন্তু ইতালির চার্চ নেতারা এ বিষয়ে তুলনামূলকভাবে নীরব থেকেছেন।  নবনির্বাচিত পোপ লিও এই সপ্তাহে প্রথমবারের মতো যৌন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তিনি নতুন বিশপদের নির্দেশ দেন যেন তারা কোনো অভিযোগ গোপন না করেন। তার পূর্বসূরি প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিসও বিষয়টি নিয়ে ১২ বছরের পোপত্বকালে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন, যদিও ফলাফল মিশ্র ছিল। ভ্যাটিকানের শিশু সুরক্ষা কমিশনের ১৬ই অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইতালির ২২৬টি ডায়োসিসের মধ্যে মাত্র ৮১টি তাদের সুরক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রশ্নাবলির জবাব দিয়েছে।

রেতে ল’আবুসোর তথ্যমতে, সংগঠনটি মোট ১ হাজার ২৫০টি সন্দেহভাজন নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত করেছে, যার মধ্যে ১ হাজার ১০৬টি ঘটনার সঙ্গে পুরোহিতরা জড়িত। বাকি ঘটনাগুলোয় অভিযুক্ত ছিলেন সন্ন্যাসিনী, ধর্মশিক্ষক, স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষাকর্মী এবং স্কাউট সদস্যরা।

মোট ৪ হাজার ৬২৫ জন ভুক্তভোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৪ হাজার ৩৯৫ জন পুরোহিতদের দ্বারা নির্যাতিত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪ হাজার ৪৫১ জন ভুক্তভোগীই ছিলেন ১৮ বছরের নিচে এবং তাদের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ১০৮ জন ছিলেন পুরুষ। এ ছাড়া পাঁচজন সন্ন্যাসিনী, ১৫৬ জন অরক্ষিত প্রাপ্তবয়স্ক ও ১১ জন প্রতিবন্ধীও ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন।

সংগঠনটির দাবি, ১ হাজার ১০৬ সন্দেহভাজন পুরোহিতের মধ্যে মাত্র ৭৬ জন চার্চের অভ্যন্তরীণ বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়, ৭ জনকে অন্য স্থানে বদলি করা হয় এবং ১৮ জনকে ধর্মীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বা তারা পদত্যাগ করেছেন। পাঁচজন অভিযুক্ত আত্মহত্যা করেছেন।

জে.এস/

ইতালি

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250