বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** কওমি মাদ্রাসায় নির্যাতন ঠেকাতে সুরক্ষা কমিটি ও হটলাইন চালুসহ যেসব নির্দেশনা *** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী *** জামায়াতকে ‘লংমার্চ’ স্থগিতের অনুরোধ শাহবাজের, দিলেন যে প্রস্তাব *** ‘শেখ হাসিনা কেন এখনো এনডিটিভির চোখে প্রধানমন্ত্রী’ *** গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত পুলিশের ব্যবস্থা দেখে *** এত কিছুর পরেও গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ থাকে কীভাবে: টিআইবি *** ঋণ পরিশোধ না করায় মেসির নতুন ক্লাবের শেয়ার জব্দ *** লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব *** বর্তমান সরকারের জন্য এয়ারবাস হলো ‘পরীক্ষা’: ফরাসি রাষ্ট্রদূত *** আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার করার সিদ্ধান্তে সম্মতি ভারতের

সুন্দরবনে বিষ দিয়ে চিংড়ি শিকার, শুটকি তৈরির ৩ আস্তানায় অভিযান বন বিভাগের

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:৩৬ অপরাহ্ন, ১লা আগস্ট ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

সুন্দরবনের ভেতরে তিনটি শুঁটকি তৈরির আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বন বিভাগ। সেখানে বিষ দিয়ে শিকার করা বিপুল পরিমাণ চিংড়ি পাওয়া যায়।

গত বৃহস্পতিবার দিনভর সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের চরপুটিয়া এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, কাগাকান্দি খাল, ইন্দুরকানি খাল এবং ছোট হরমাল খালের মুখে শুটকি তৈরির এসব ক্যাম্পের সন্ধান পাওয়া যায়। অভিযানের খবর পেয়ে প্রথম দুটি ক্যাম্পের লোকজন আগেই পালিয়ে গেলেও, তৃতীয় ক্যাম্পটিতে চিংড়ির শুঁটকি তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। চিংড়ি

অভিযানের সময় বন কর্মকর্তারা প্রচুর পরিমাণে চিংড়ির শুঁটকি, শুকানোর জন্য ছড়িয়ে রাখা প্রায় পাঁচ মণ কাঁচা চিংড়ি এবং দুই লিটার বিষ উদ্ধার করেন। বিষের উৎকট গন্ধ আসছিল কাঁচা চিংড়ি থেকে। পরে সেগুলো সেখানেই ধ্বংস করা হয়।

একই অভিযানে বন বিভাগের কর্মীরা কাঁকড়া ধরার ৯৫টি ফাঁদসহ একটি নৌকা জব্দ করেন।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘সুন্দরবনের ভেতরে এ ধরনের সব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচিত হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়ছে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য।সুন্দরবন

এ ব্যাপারে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’–এর সমন্বয়ক নূর আলম বলেন, ‘বিষের ব্যবহার সুন্দরবনকে নীরবে ধ্বংস করে দিচ্ছে। কীটনাশক পানিকে দূষিত করে, জলজ প্রাণী মেরে ফেলে এবং পুরো বাস্তুতন্ত্রকেই হুমকির মুখে ফেলে। নজরদারি ও আইনের প্রয়োগ জোরদার না করা হলে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতেই থাকবে।’

বিষ দিয়ে শিকার করা চিংড়ির শুঁটকি স্থানীয় বাজারগুলোয় সহজলভ্য হয়ে ওঠায় তা ভোক্তাদেরও স্বাস্থ্যের জন্যও হুমকি তৈরি করছে।

কচুয়া উপজেলার শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান খান নিয়মিত বাদাল বাজারে কেনাকাটা করেন। তিনি বলেন, ‘আগে আমাদের স্থানীয় বাজারগুলোয় কখনো চিংড়ির শুঁটকি বিক্রি হতে দেখিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন উপজেলার সবচেয়ে বড় বাজার বাদাল বাজারসহ আশপাশের অন্যান্য বাজারেও চিংড়ির শুঁটকি পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতা হিসেবে এটা জানার কোনো উপায় নেই যে এই শুঁটকিগুলো বিষাক্ত কি না।’

সুন্দরবন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250