ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যে-ই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন। তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমি মনে করি। এমন অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি, যার মধ্যে আছে অর্থনীতি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও নিরাপত্তা।’
আজ বুধবার (২১শে জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এ কথা বলেন। ১২ই জানুয়ারি বাংলাদেশে এসে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন।
দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, বাংলাদেশে কে নির্বাচিত হবে, কে বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার হিসেবে দায়িত্ব নেবে, এটি বাংলাদেশের জনগণের একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং এটি শুধু বাংলাদেশের জনগণেরই সিদ্ধান্ত। এতে অন্য কোনো দেশের বলার কোনো অধিকার নেই। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নতুন সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে মতপ্রকাশ বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম অধিকার।
বাংলাদেশে সব পক্ষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুক্ততার প্রসঙ্গ টেনে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমরা সবার সঙ্গে কথা বলি। ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, সবার সঙ্গে কথা বলার আমাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এখানে রাজনৈতিক পরিসরের সব দিক থেকেই ২০ বছর ধরে আমার বন্ধু রয়েছে। তবে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ যে ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যে–ই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গেই আমরা কাজ করব।’
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ জানিয়ে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন বলেন, ‘২০২৪ সালের আগস্ট থেকে আমরা এখানে ব্যাপক পরিবর্তন দেখেছি। আমার মনে হয়, আমরা সামনে আরও পরিবর্তন দেখতে থাকব।’
এ প্রসঙ্গে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন আরও বলেন, ‘আপনারা জানেন, বাংলাদেশের জনগণ কথা বলেছে এবং ১২ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তারা আবারও তাদের মতপ্রকাশের সুযোগ পাবে। যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে বলে আমি মনে করি। এমন অনেক ক্ষেত্র আছে যেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি। আবারও বলছি, অর্থনীতি, বাণিজ্য, ব্যবসা ও নিরাপত্তা। আর সে কারণেই আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমাকে এই পদে নির্বাচন করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে এখানে আসার সুযোগ দিয়েছেন।’
বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছেন উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আপনাদের সবার সঙ্গে কাজ করতে, এই আলোচনা চালিয়ে যেতে আমি আগ্রহী।’
খবরটি শেয়ার করুন