ছবি: সংগৃহীত
দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবের উদ্দেশে উড়ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমান। গন্তব্যে পৌঁছানোর আর বেশি সময় বাকি ছিল না। হঠাৎ বিমানটির ককপিট থেকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ আসতে শুরু করে। এরপর বিমানটি অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত নিচে নামতে থাকে। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে উড়োজাহাজটির জরুরি সংকেত বদলে যায়। প্রথমে সাধারণ জরুরি সংকেত, পরে বিমান ছিনতাই বা জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইঙ্গিতবাহী সংকেত পাঠানো হয়।
ইসরায়েলের দিকে এগিয়ে আসা বিমানটির গতিপথ বদলে যায়। দেশটির বিমানবাহিনী যুদ্ধবিমান পাঠায়। ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ ধরে নেয়, বিমানটি ছিনতাই হয়ে থাকতে পারে। কিন্তু পরে পরিস্থিতির চিত্র পাল্টাতে শুরু করে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, বিমান ছিনতাই হয়নি। বরং ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষই পুরো ঘটনার সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কেন এই সংঘর্ষ হয়েছিল, কে কাকে আক্রমণ করেছিলেন এবং ঘটনাটির পেছনে কোনো সন্ত্রাসী উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা এখনো তদন্তাধীন।
আজ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বরের এই ঘটনা ঘটে ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ নম্বর ফ্লাইটে। বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ মডেলের বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে যাচ্ছিল। যাত্রীসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সামান্য পার্থক্য আছে। বিভিন্ন সূত্রে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ জনের কথা বলা হয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি উড্ডয়নের প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর জর্ডান ও সৌদি আরবের কাছাকাছি এলাকায় থাকা অবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়ে।
ফ্লাইটের গতিপথ বিশ্লেষণ করলে আতঙ্কের কারণটি কিছুটা বোঝা যায়। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, বিমানটি প্রায় ৩৩ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল। এরপর প্রায় এক মিনিটের মধ্যে সেটি ১৭ হাজার ফুটের কাছাকাছি নেমে যায়। অন্য কিছু প্রতিবেদনে আরও দ্রুত ও বড় উচ্চতা পতনের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ বিমানটি স্বাভাবিক উড্ডয়নপথে ছিল না। দ্রুত নিচে নামার পাশাপাশি এর গতিপথও বদলে যায়। পরে সেটি সৌদি আরবের তাবুকের দিকে চলে যায়।
এ সময় বিমানটির জরুরি সংকেতও পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। প্রথমে বিমানটি ‘স্কোয়াক ৭৭০০’ সংকেত দেয়। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে এটি সাধারণ জরুরি পরিস্থিতির সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এরপর অল্প সময়ের জন্য ‘স্কোয়াক ৭৫০০’ সংকেত পাঠানো হয়। ৭৫০০ সংকেত সাধারণত বিমান ছিনতাই বা বিমানটির ওপর বেআইনি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মতো পরিস্থিতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ফলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি সম্ভাব্য ছিনতাইয়ের ঘটনা হিসেবে প্রতীয়মান হওয়া অস্বাভাবিক ছিল না।
এ কারণেই ইসরায়েল দ্রুত যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠায়। কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বিমানটির বিষয়ে জরুরি নিরাপত্তা পরামর্শও শুরু করে। কারণ বিমানটি ইসরায়েলের দিকে যাচ্ছিল এবং সেটিতে বিপুলসংখ্যক ইসরায়েলি নাগরিক ছিলেন। পরে বিমানটি ইসরায়েলের দিকে না গিয়ে সৌদি আরবের তাবুকের দিকে মোড় নেয়। সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে সেটি। ফ্লাইদুবাই পরে নিশ্চিত করে, বিমানটিতে একটি ঘটনা ঘটেছিল এবং সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদে আছেন। সংস্থাটি জানায়, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টি তদন্ত করছে।
কিন্তু বিমানটি কেন হঠাৎ বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং কয়েকজন যাত্রীর বক্তব্য থেকে যে চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, তা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, বিমানটির সামনের অংশে থাকা যাত্রীরা ককপিটের দিক থেকে চিৎকার শুনেছিলেন। পরে ককপিটের দরজা খোলার পর সেখানে রক্ত দেখতে পাওয়ার কথা বলেছেন কয়েক যাত্রী। ওই গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতেও রক্তমাখা পোশাক পরা এক যাত্রীকে দেখা গেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াই-নেটের প্রতিবেদনে আরও গুরুতর অভিযোগ এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এক পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছিলেন। কিছু যাত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, আহত পাইলটকে রক্ষা করতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেবিন ক্রু ও কয়েক যাত্রী ককপিটে প্রবেশ করেন। তবে এসব বর্ণনার সবকটি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিশেষ করে কে প্রথম আক্রমণ করেছিলেন, ছুরিটি কার হাতে ছিল এবং ঠিক কী কারণে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের ওপর নির্ভর করছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সহকারী পাইলট একজন ওমানি নাগরিক এবং তিনি পাইলটকে ছুরিকাঘাত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত দুই পাইলটকেই চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবেও তদন্ত করছেন বলে রয়টার্স জানিয়েছে। তবে এটিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এখানেই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি সামনে আসে। যদি ককপিটে সত্যিই একজন পাইলট অন্য পাইলটকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে থাকেন, তাহলে সেটি শুধু দুই ব্যক্তির ব্যক্তিগত সংঘর্ষের ঘটনা ছিল না। কারণ উড়োজাহাজের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ককপিট। সেখানে একজন পাইলট আহত হলে কিংবা দুই পাইলটের মধ্যে শারীরিক সংঘর্ষ হলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পুরো বিমানের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যেতে পারে।
বিমানটির হঠাৎ উচ্চতা কমে যাওয়া এই ঝুঁকিরই ইঙ্গিত দেয়। তবে উচ্চতা কমে যাওয়ার কারণ সরাসরি ককপিটের সংঘর্ষ ছিল কি না, সেটিও তদন্তে নিশ্চিত করতে হবে। ককপিটের শব্দ ধারণকারী যন্ত্র, উড্ডয়ন-তথ্য ধারণকারী যন্ত্র, বিমান নিয়ন্ত্রণের তথ্য এবং বিমানবন্দরের সঙ্গে পাইলটদের যোগাযোগের রেকর্ড বিশ্লেষণ করলেই ঘটনার ধারাবাহিকতা পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এদিকে যাত্রীদের বক্তব্যে আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে। তারা জানিয়েছেন, বিমানটি হঠাৎ নিচে নামতে শুরু করলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সামনের দিকে চিৎকার শোনা যাচ্ছিল। ককপিটে রক্ত দেখার পর অনেকেই পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক কোনো জরুরি অবতরণ হিসেবে দেখেননি। যাত্রীদের কেউ কেউ ধারণা করেছিলেন, বিমানটি হয়তো ছিনতাই হয়েছে বা নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।
তবে পরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং যাত্রীদের ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সময়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটি প্রচলিত অর্থে বিমান ছিনতাই ছিল না। অর্থাৎ ৭৫০০ সংকেত পাঠানো হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র যাত্রী বা বাইরের কোনো গোষ্ঠী বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেয়নি।
এখানে ৭৫০০ সংকেতের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এটি এমন একটি সংকেত, যার মাধ্যমে পাইলটরা নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রকে প্রকাশ্যে কথা না বলেও জানাতে পারেন যে বিমানটি বেআইনি হস্তক্ষেপের শিকার হয়েছে। ফলে ওই সংকেত পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হতে হয়। পরে যদি দেখা যায় সংকেতটি অন্য কোনো কারণে দেওয়া হয়েছিল, তবুও প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়াই স্বাভাবিক।
ফ্লাইদুবাই এখন পর্যন্ত ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। সংস্থাটি শুধু জানিয়েছে, বিমানটি তাবুকে নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদে আছেন। তদন্তে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে। ফলে যাত্রীদের বক্তব্য এবং ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেগুলোকে এখনই চূড়ান্ত তদন্ত-ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
ঘটনাটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এটি এমন একটি আকাশপথে ঘটেছে যার সঙ্গে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। ২০২০ সালে দুই দেশ সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেওয়ার পর দুবাই ও তেল আবিবের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু হয়। ফ্লাইদুবাই ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর প্রথম নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে। ফলে এই রুটটি দুই দেশের নতুন অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি দৃশ্যমান প্রতীক হয়ে ওঠে।
আর সৌদি আরবের তাবুকে এই বিমান অবতরণ করাও আলাদা তাৎপর্য বহন করে। সৌদি আরব ও ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। তবে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের বাস্তবতায় সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার করে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বিমান চলাচল বহু বছর ধরে হয়ে আসছে। জরুরি পরিস্থিতিতে সৌদি ভূখণ্ডে ইসরায়েলগামী বিমানের অবতরণের ঘটনাও নতুন নয়। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, ২০২২ সালে সৌদি আরব ইসরায়েলগামী বিমানগুলোর জন্য আকাশসীমা ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর এমন জরুরি সহযোগিতার সুযোগ আরও বাস্তব হয়েছে।
এই ঘটনার সবচেয়ে বড় শিক্ষা অবশ্য কূটনীতির চেয়ে বিমান নিরাপত্তায়। আধুনিক যাত্রীবাহী বিমান বহুস্তরীয় নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল হলেও ককপিটে কর্মরত দুই পাইলটের মধ্যে গুরুতর সংঘর্ষ হলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে। ২০২২ সালে জেনেভা থেকে প্যারিসগামী একটি এয়ার ফ্রান্স বিমানের দুই পাইলটের মধ্যেও ককপিটে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেই বিমানকে জরুরি অবতরণ করতে হয়নি এবং সেটি নির্ধারিতভাবেই গন্তব্যে পৌঁছেছিল। এবারের ঘটনায় পরিস্থিতি অনেক বেশি গুরুতর হয়ে ওঠে, কারণ এর সঙ্গে বিমানটির আকস্মিক উচ্চতা পতন এবং ছিনতাইয়ের সংকেতও যুক্ত হয়।
এখন তদন্তকারীদের সামনে মূলত কয়েকটি প্রশ্ন। দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ কেন শুরু হয়েছিল? ছুরি ব্যবহারের অভিযোগ কতটা সত্য? কে ৭৫০০ সংকেত সক্রিয় করেছিলেন? বিমানটি এত দ্রুত উচ্চতা হারাল কেন? ককপিটে পাইলটদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তি ঢুকেছিলেন কি না? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ঘটনাটি নিছক ব্যক্তিগত সংঘর্ষ, নাকি এর পেছনে কোনো পরিকল্পিত উদ্দেশ্য ছিল?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাটিকে ‘বিমান ছিনতাই’ কিংবা ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা ঠিক হবে না। আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড ১০৭৩ ফ্লাইট মাঝ আকাশে গুরুতর এক সংকটে পড়েছিল, বিমানটি অস্বাভাবিকভাবে উচ্চতা হারিয়েছিল, জরুরি ও ছিনতাই-সংকেত পাঠানো হয়েছিল, ইসরায়েল যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে নিরাপদে অবতরণ করেছে। ককপিটের ভেতরে আসলে কী ঘটেছিল, তার পূর্ণ উত্তর মিলবে তদন্তের পরই।
খবরটি শেয়ার করুন