বৃহস্পতিবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন ও প্রতিরক্ষা চুক্তি করার আহ্বান জানালেন ট্রাম্প *** মৌলবাদ সামাল দিতে আওয়ামী লীগকে ছাড় দেবে বিএনপি: বদিউর রহমান *** রমজানের প্রথম দিনেই ২০ টাকা হালি লেবুর দাম বেড়ে ১২০ *** বাসসের এমডি মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন *** এইচএসসি পরীক্ষার ফি বাড়ল ২১০ টাকা *** শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী *** ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবেন স্বামী, আফগানিস্তানে নতুন আইন *** ঢাকায় আচমকা তুরস্কের প্রেসিডেন্ট পুত্রের সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন *** ৮ লাখ টাকা বেতন পাচ্ছেন চার ক্রিকেটার, তাসকিনের অবনতি

রমজানের প্রথম দিনেই ২০ টাকা হালি লেবুর দাম বেড়ে ১২০

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:০৪ অপরাহ্ন, ১৯শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই পোস্ট করেছেন, ‘লেবুর ভরি কত?’ কারণ, বাজারে যেন স্বর্ণের দামের মতোই তরতরিয়ে বেড়েছে লেবুর দামও। লেবুর সঙ্গে চিনি বা গুড়ের শরবত ইফতারে অনেকেরই পছন্দের পানীয়। প্রথম রোজায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাই লেবু যেন হয়ে উঠেছে ‘স্বর্ণের মতো’ দামি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯শে ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা দরেও বিক্রি হয়েছে লেবু। বহু বছর ধরে কারওয়ান বাজারে লেবু বিক্রি করেন হারুন মিয়া। তিনি লেবু আনেন টাঙ্গাইল ও সিলেট থেকে।

হারুন জানান, এখন বাজারে তিন ক্যাটাগরির লেবু বিক্রি হচ্ছে। বাছাই করা সবচেয়ে ভালো লেবু ১৫০-২০০ টাকা, মাঝারি মানেরটা ১০০-১২০ টাকা এবং ছোট আকারের লেবু ৬০-৮০ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।

৪২ বছর ধরে কারওয়ান বাজারে লেবু বিক্রেতা ফজল হক বলেন, ‘ছোট ছোট কাগজি লেবুর হালিও ৬০-৮০ টাকা। এখন কলম্বো লেবুটা বেশি পাওয়া যায়। আমি আনি ধামরাই থেকে। লম্বা লেবুর চেয়ে গোল আকারের এই কলম্বো লেবুর দাম একটু কম। ১০০ টাকা হালি বিক্রি করেছি।’

শুধু রাজধানী নয়, ঢাকার বাইরেও লেবুর দামে ‘আগুন’। রাজশাহীর সাহেব বাজারে মাত্র ৩-৪ দিন আগেও লেবু ২০-২৫ টাকা হালিতে বিক্রি হচ্ছিল। কিন্তু, আজ আকারভেদে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শরীয়তপুরের বাজারে মাসখানেক আগেও যে লেবু আকারভেদে ২০ থেকে ৫০ টাকা হালিতে বিক্রি হতো, সেটাই আজ দ্বিগুণেরও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।

আজ সকালে শরীয়তপুরে সদর উপজেলার পালং মধ্য বাজারে খুচরা বিক্রেতারা লেবুর বাড়তি দামের বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও পাইকারি বিক্রেতা ও আড়তদাররা বিষয়টি গণমাধ্যমে এড়িয়ে গেছেন।

দক্ষিণ বেগুনবাড়ি এলাকা থেকে কারওয়ান বাজারে আসা মো. শাকিল বলেন, ‘আমাদের এলাকায় লেবুর দাম বেশি দেখে কারওয়ান বাজারে এসেছিলাম। এখানে এসেও দেখি একই অবস্থা।’

দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা হারুন মিয়া বলেন, ‘এখন আসলে লেবুর সিজন না। সারা বছর পাওয়া গেলেও লেবুর আসল সিজন হলো বর্ষায়। এজন্য প্রতি বছরই এই সময়ে লেবুর দাম একটু বেশি থাকে। সেইসঙ্গে এবার এই সময়ে রমজান মাস পড়ে যাওয়ায় চাহিদা ব্যাপক বেড়ে গেছে, আর দামও একটু বেশি বেড়েছে।’

তার মতে, সাধারণ সময়ের চেয়ে রোজায় লেবুর চাহিদা ১০ গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। কিন্তু, লেবুর বাগানিরা সেই অনুপাতে লেবু যোগান দিতে পারছে না। তাই সরবরাহও তুলনামূলক কম।

লেবুর দাম

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250