ছবি: সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত বাণিজ্যচুক্তির কোনো অংশ নিয়ে কথা থাকলে তা পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
গতকাল বুধবার (৪ঠা মার্চ) ঢাকা সফররত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুই মন্ত্রী।
পল কাপুরের নেতৃত্বে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনসহ একটি প্রতিনিধিদল জ্বালানি মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে ড. খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। পরে যেন শুল্ক ১৯ শতাংশ না হয়ে কিছু কম হয়, সে আবেদন বাংলাদেশ জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই চুক্তি হুট করে নির্বাচনের তিন দিন আগে হয়নি। এক বছর আগে আমরা বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে কথা শুরু করি। এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত টানা আলোচনা চলে।’
‘চুক্তিতে এন্ট্রি ও এক্সিট ক্লজ আছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নোটিফিকেশন না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যকর হয় না এবং চাইলে ৬০ দিনের নোটিশে বেরিয়ে আসা যায়। সুতরাং, আমরা বাংলাদেশকে কোনো বিপদে ফেলিনি। ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার চুক্তির ভাষা খেয়াল করলে দেখবেন, আমরা ভালো অবস্থানে আছি। এই চুক্তি “বাংলাদেশ ফার্স্ট” নীতির সঙ্গে মোটেও সাংঘর্ষিক নয়।’
জে.এস/
খবরটি শেয়ার করুন