রবিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘রমজান মাসে ক্যারাম-টিভি চলবে না’, বাজারে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশ *** ‘এতো সকালে প্রধানমন্ত্রীকে অফিসে দেখে অনেকেই অভিভূত’ *** প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ *** ফের বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, এবার নেতৃত্বে ছাত্ররা *** বিশ্বকাপে আজ ফাইনালের আগে আরেক ‘ফাইনাল’ *** বাইবেল অনুসারে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অধিকার আছে ইসরায়েলের: মার্কিন রাষ্ট্রদূত *** নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে, কেউ অস্বীকার করতে পারবে না: জামায়াত আমির *** ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও বাউলপন্থিরা আক্রান্ত হওয়ার দায় নিতে রাজি নন মামুনুল হক *** বাস্তবতা বিবেচনায় বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কোন্নয়নের আভাস *** ৪০ লাখ টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন সেই মাহদী হাসান

কাতার ও বাহরাইন থেকে শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:৩১ অপরাহ্ন, ২২শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ছবি: এএফপি

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের অবস্থান সুরক্ষিত করতে শুরু করেছে পেন্টাগন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের নৌঘাঁটি থেকে শত শত মার্কিন সেনাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পেন্টাগনের এক অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় নিউইয়র্ক টাইমস।

ইরান ইস্যুতে চলমান উত্তেজনার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের এই সেনা প্রত্যাহারকে একটি ‘সতর্কতামূলক পদক্ষেপ’ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কারণ, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর যেকোনো মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে—এমন গুঞ্জনের মধ্যে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আক্রান্ত হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানবে।

ধারণা করা হচ্ছে, কাতার ও বাহরাইনের মতো স্পর্শকাতর স্থানে থাকা সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে কিছু সেনা সরানো হলেও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন বাহিনী এখনো মোতায়েন রয়েছে।

বিশেষ করে কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক স্থাপনা, যেখানে প্রায় ১০ হাজার সেনা রয়েছে। অন্যদিকে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দপ্তরটি পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশনপ্রধান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘যদি ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে ওই অঞ্চলে শত্রু বাহিনীর সব ঘাঁটি, স্থাপনা এবং সম্পদ আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।’

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, এর ফলে উদ্ভূত যেকোনো অনিয়ন্ত্রিত এবং অপ্রত্যাশিত পরিণতির জন্য সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দায়ী থাকবে।

এই সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

জে.এস/

পেন্টাগন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250