সোমবার, ২০শে মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদের দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৬:১৫ অপরাহ্ন, ১২ই এপ্রিল ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিনে দর্শনার্থীদের পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। দীর্ঘ একমাস পর হাসি ফুটেছে হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের মুখে। রমজান মাস কক্সবাজার অনেকটা পর্যটকশূন্য ছিল। দর্শনার্থীর সেই খরা কেটেছে। সমুদ্র সৈকতে ঈদের প্রথম দিনে কিছুটা কম হলেও দ্বিতীয় দিনেই ঢল নেমেছে ভ্রমণপিপাসুদের।

নোনাজলে সমুদ্রস্নানের পাশাপাশি মেতেছেন সৈকতের বালিয়াড়িতে নাগরদোলা, বিচ বাইক ও ঘোড়ার পিঠে চড়ার আনন্দে। আবার কেউ কেউ ওয়াটার বাইক ও বিচ বাইকে সৈকত দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। আবার কেউ কিটকটে (চেয়ার-ছাতা) গা এলিয়ে দিগন্ত ছোঁয়া নীলজল রাশিতে মজে আছেন। কেউ কেউ বালুচরে দাঁড়িয়ে প্রিয়জনদের এসব আনন্দঘন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করে রাখছেন।

শুক্রবার (১২ই এপ্রিল) সকাল থেকে সমুদ্রসৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণি পয়েন্টে পর্যটক নামতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়তে থাকে। সকাল থেকে কলাতলী থেকে লাবনী পয়েন্ট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতে লাখের অধিক দর্শনার্থী নামেন বলে জানিয়েছেন সৈকতে দায়িত্বরত কর্মীরা।

এদিকে ঈদ ও পহেলা বৈশাখকে ঘিরে কক্সবাজারের প্রায় পাঁচ শতাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউসের ৮০ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়েছে। পর্যটকদের আনন্দে যেন ভাটা না পড়ে তাদের বাড়তি আনন্দ দিতে থাকছে নানা আয়োজন আর চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে এবার পাঁচ লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটবে কক্সবাজারে। ইতোমধ্যে চার শতাধিক হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউসের ৯০ শতাংশ কক্ষ ভাড়া হয়ে গেছে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদের দ্বিতীয় দিনে সৈকতে নেমেছেন অন্তত দেড় লাখের বেশি পর্যটক। দেশে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ইন্টারকম ও ইমার্জেন্সি বাটন স্থাপন করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যার মাধ্যমে পর্যটকরা কোনো সমস্যায় পড়লে তৎক্ষণিক আমাদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। 

ওআ/  আই.কে.জে

কক্সবাজার

খবরটি শেয়ার করুন