শুক্রবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুধের ডিপোতেও কাজ করেছি : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বিনোদন ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০২:১০ অপরাহ্ন, ৫ই মার্চ ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

রোববার সন্ধ্যায় গোটা বাংলার চোখ ছিল টিভির পর্দায়। কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে। প্রথমেই ‘মা মাটি মানুষে’র তরফ থেকে সকলকে ‘শুভনন্দন’ বলে শুভেচ্ছা জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও অরুন্ধতী হোম চৌধুরি, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো বিশিষ্ট শিল্পীরা এদিনের বিশেষ পর্বে প্রতিযোগী ছিলেন। দর্শকাসনে দেখা গেল ইন্দ্রনীল সেন, রূপঙ্কর বাগচি, শিবাজি বন্দ্যোপাধ্যায়দের।

‘দিদি নম্বর ১’ এর প্রতিযোগিতার মঞ্চে কখনও গাইলেন, কখনও নিজের লেখা কবিতা শোনালেন। একই মঞ্চে নিজের জীবন সংগ্রামের কথাও বলেছেন মমতা ব্যানার্জি।

‘দিদি’র পক্ষ থেকে রচনার সঞ্চালিত রিয়ালিটি শো দারুণ সার্টিফিকেটও পেয়েছে। মমতার মন্তব্য, আমার বাড়ির বউরা দেখে ‘দিদি নম্বর ১’। গ্রামবাংলার ৯০ শতাংশ মানুষের ঘরে ঘরে চলে এই শো। মেয়েদের অনুপ্রেরণাও জোগায় ‘দিদি নম্বর ১’। নারীশক্তির কথা বলে এই শো। সৌরভের ‘দাদাগিরি’ও অবশ্য খুব জনপ্রিয়।

‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চে বসেই বাংলার মেয়েদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার কথা বলেন মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেন, মেয়েরা যারা ব্যবসা করতে চান, তাদের আর্থিক স্বনির্ভরতার জন্য আমরা ৫ লক্ষ করে দেব। ‘দিদি নম্বর ওয়ান’- চাইলে আমাদের সঙ্গে কোঅর্ডিনেট করতে পারে। ২ লক্ষ মেয়েদের জন্য আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। অনেক নারীরাই টাকা-পয়সার জন্য কাজ করতে পারেন না। এই শোয়ে অনেকেরই সংগ্রামের কথা উঠে আসে। তাদের মতো লড়াকু নারীদের জন্যই এই বিশেষ উদ্যোগ।

‘দিদি নম্বর ১’-এ নিজের শৈশবের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১০-১২ বছর বয়স থেকে সংসারের দায়িত্ব নিয়েছি। বাবা মারা গেছিল। আমি আমার জেনারেশনটাকে ধরে রেখেছিলাম। আর আমার পরিবারের এখনকার প্রজন্মকে অভিষেক ধরে রেখেছে। 

আরো পড়ুন: অনন্ত আম্বানির ১৪ কোটির ঘড়ি দেখে অবাক জুকারবার্গ দম্পতি!

এখানেই শেষ নয়, মমতা বলেন, রাত ৩টায় উঠে রান্না করতাম। স্ট্রাগল করতাম। সেই ছোটবেলায় ভাইদের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে মানুষ করেছি। আমি কলেজ থেকে বেরিয়ে স্কুলে পড়াতে যেতাম। যে টাকা পেতাম সবটাই মায়ের হাতে তুলে দিতাম। দুধের ডিপোতেও কাজ করতাম। যাতে কারও কাছে হাত পাততে না হয়। সব জমি বিক্রি করে বাবার ব্যবসা দাঁড় করিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, অষ্টমীতে সন্ধিপূজার সময়ে জন্ম হয়। সেদিন ছিল ৫ অক্টোবর। আমার জন্মের সময়ে বৃষ্টি হয়েছিল। তাই আমার সব প্রোগ্রামেই বৃষ্টি হয়। আমি কিন্তু সেদিন চোখ খুলিনি। পরদিন সূর্য ওঠার সময়ে চোখ খুলেছিলাম। এরপরই ‘দিদি’র সংযোজন, বয়স বাড়ানো ছিল বলেই যাদবপুর থেকে দাঁড়াতে পেরেছিলাম প্রথমবার নির্বাচনে।

‘দিদি নম্বর ১’-এর মঞ্চ থেকেই নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে একটাই অনুরোধ সামাজিক মাধ্যমকে সচেতনভাবে ব্যবহার করো।

এসি/ আই. কে. জে/









মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুধের ডিপো

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250