শুক্রবার, ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘বিক্ষোভ গণতন্ত্রের বিষয়, ইসলামি আইনে এর ঠাঁই নেই’ *** নেপাল-তিব্বতে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১২৮০, নিখোঁজ ৫ হাজারের বেশি *** ‘আপা আইতাছে, ডিসেম্বরের আগেই তোরে মাইরা ফেলমু’-বলেই হামলা *** প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারানো ফিরোজা যাচ্ছিলেন মেয়ের বাড়িতে *** প্রতিমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়ির ধাক্কায় নারীর মৃত্যু *** বন্দর বিদেশিদের দিলে অর্থনৈতিক লাভ, এর প্রমাণ কেউ দেখাতে পারেনি: প্রিন্স *** ভয়ভীতি ছাড়াই সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করেছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী *** দেশের সব হাসপাতাল দালালমুক্ত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী *** দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ নানাভাবে গুজব রটাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সুখবর এক্সপ্লেইনার

‘বিক্ষোভ গণতন্ত্রের বিষয়, ইসলামি আইনে এর ঠাঁই নেই’

জেবিন শান্তনু

🕒 প্রকাশ: ০৬:১৭ অপরাহ্ন, ৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানে সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই দিয়ে তালেবান সরকার বলেছে, এই বিধান ইসলামি আইনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশটির নতুন পুলিশ আইনের মাধ্যমে বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। তার দাবি, বিক্ষোভ গণতান্ত্রিক ও প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত; ইসলামি ব্যবস্থায় এর কোনো স্থান নেই। তবে মানবাধিকার সংগঠন, জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের বক্তব্য হলো—এই নিষেধাজ্ঞা আফগানিস্তানে মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের যে সামান্য সুযোগও অবশিষ্ট ছিল, সেটি আরও সংকুচিত করবে।

গত ২২ আগস্ট তালেবান সরকারের বিচার মন্ত্রণালয় নতুন ‘শুরতা আইন’ প্রকাশ করে। আরবি ‘শুরতা’ শব্দটি পুলিশ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে। ৫৩টি ধারা নিয়ে তৈরি এই আইনের ৫০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ। আইনটি তালেবান নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার অনুমোদন ও স্বাক্ষরের পর সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘আফগানিস্তান ইন্টারন্যাশনাল’ জানিয়েছে, আইনে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কোনো ব্যতিক্রম বা অনুমতির সুযোগের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর কাবুলে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে তালেবান সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের ‘ডন’ জানিয়েছে, মুজাহিদ বলেন, নতুন আইনটি ইসলামি আইনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ইসলামি আইনে বিক্ষোভের অস্তিত্ব নেই। তার যুক্তি, বিক্ষোভ এমন সমাজে দেখা যায় যেখানে গণতন্ত্র বা প্রজাতন্ত্রের মতো ভিন্ন আইন ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা রয়েছে। ইসলামি ব্যবস্থায় জনগণকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ না করে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেদের অভিযোগ ও উদ্বেগ তুলে ধরতে হবে।

মুজাহিদের বক্তব্যের আরেকটি দিক হলো, তিনি বিক্ষোভকে শুধু রাজনৈতিক অধিকার হিসেবে দেখছেন না; বরং সামাজিক বিশৃঙ্খলার সম্ভাব্য উৎস হিসেবেও দেখছেন। তার দাবি, নিষেধাজ্ঞার ফলে মানুষের ‘সময় নষ্ট’ হবে না এবং বিক্ষোভের সময় ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্ট হওয়ার ঘটনাও ঠেকানো সম্ভব হবে। তালেবান সরকারের যুক্তিতে জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টিই এখানে মুখ্য।

কিন্তু এই ব্যাখ্যার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর বড় ধরনের সংঘাত রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আশ্রয়-সংক্রান্ত সংস্থার ২০২৬ সালের আফগানিস্তানবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর নারীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের জবাবে নিরাপত্তা বাহিনী বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি, গ্রেপ্তার, নির্বিচার আটক ও নির্যাতন করেছে। এর ফলে প্রকাশ্য বিক্ষোভের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং অনেক নারী অধিকারকর্মী ঘরের ভেতরের প্রতিবাদ, দেয়াললিখন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতো বিকল্প পথ বেছে নিয়েছেন।

অর্থাৎ নতুন আইনটি শূন্য থেকে তৈরি হয়নি। ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকেই প্রকাশ্য বিরোধিতা ও বিক্ষোভের জায়গা ক্রমশ সংকুচিত হয়েছে। নতুন ‘শুরতা আইন’ সেই বাস্তবতাকে এখন আইনি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে এল। ‘আফগানিস্তান ইন্টারন্যাশনাল’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে তালেবান বাহিনী বিভিন্ন বিক্ষোভে দমন-পীড়ন, গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং গুলি চালানোর ঘটনা ঘটিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রমও তালেবান নিষিদ্ধ করেছে এবং বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে তারা স্বীকৃতি দেয় না।

এই নিষেধাজ্ঞার তাৎপর্য বোঝার জন্য চলতি বছরের জুনের হেরাতের ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ। ৬ ও ৭ জুন হেরাতে তালেবান কর্তৃপক্ষ পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে অন্তত ৩০ নারীকে আটক করেছিল বলে জাতিসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশন জানিয়েছে। পরদিন ওই আটকের প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ করেন। জাতিসংঘের মিশনের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ও লাঠিপেটার মতো বলপ্রয়োগ করে। অন্তত একজন শিশু নিহত হয় এবং আরও কয়েকজন আহত হন।

পরে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের একটি দল জানায়, ওই ঘটনায় অন্তত দুজন নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে বলপ্রয়োগ আন্তর্জাতিক আইনে বৈধ, প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক হতে হবে। কোনো হুমকি মোকাবিলার প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সও ৯ জুনের হেরাতের বিক্ষোভের ঘটনাকে তালেবান আমলে বিরল নারী অধিকারবিষয়ক প্রতিবাদ হিসেবে তুলে ধরে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, পোশাকবিধি নিয়ে নারী আটকের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছিল এবং নিরাপত্তা বাহিনী সেটি দমন করে। তালেবান কর্মকর্তারা অবশ্য পোশাকবিধি লঙ্ঘনের কারণে নারী আটকের অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মূল্যায়ন আরও কঠোর। জুনের হেরাতের ঘটনার পর সংস্থাটি বলেছিল, তালেবান নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে। আগস্টে তালেবান শাসনের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংস্থাটি জানায়, নারীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, চলাচল, মতপ্রকাশ এবং জনজীবনে অংশগ্রহণের ওপর ধারাবাহিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সাংবাদিক, অধিকারকর্মী এবং তালেবান সমালোচকদেরও ভয়ভীতি, নির্বিচার আটক ও নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দৃষ্টিতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যবস্থার একচেটিয়া বিষয় নয়। আফগানিস্তান আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির অংশীদার। ওই চুক্তিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার স্বীকৃত। অবশ্য জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা বা অন্যের অধিকার রক্ষার মতো নির্দিষ্ট কারণে সীমিত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে। কিন্তু সার্বিকভাবে সব বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা সেই সীমিত বিধিনিষেধের ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়—এমনটাই মানবাধিকার সংগঠনটির বক্তব্য।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও আগস্টে তালেবান শাসনের পাঁচ বছরের মূল্যায়নে আফগানিস্তানে মানবাধিকার পরিস্থিতির গভীর অবনতির কথা বলেছে। সংগঠনটির মতে, ২০২১ সালের ক্ষমতা পরিবর্তনের পর আগের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর আওতায় আফগানদের অর্জিত বহু অধিকার কার্যত সংকুচিত বা বিলুপ্ত হয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নারী ও মেয়েদের অধিকার এবং মানবাধিকারকর্মীদের কর্মকাণ্ডের ওপর বিধিনিষেধ এই ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

এখানে তালেবানের ‘ইসলামি আইনে বিক্ষোভ নেই’—এই বক্তব্যটি আলাদাভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আশ্রয়-সংক্রান্ত সংস্থার গবেষণায় বলা হয়েছে, তালেবান সুন্নি ইসলামের হানাফি ফিকহ ও দেওবন্দি চিন্তাধারার একটি অতি রক্ষণশীল ব্যাখ্যা অনুসরণ করে এবং তারা আফগানিস্তানে শরিয়াকে আইনব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে এই ব্যবস্থায় ব্যক্তির নাগরিক অধিকার রক্ষার চেয়ে জনগণকে তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী শরিয়া অনুসরণ করানোকে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখা হয়।

ফলে তালেবানের বর্তমান অবস্থানকে শুধু একটি আইনগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়ে না। এর সঙ্গে তাদের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাজনৈতিক কাঠামোর সম্পর্ক রয়েছে। তালেবান এমন একটি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করছে যেখানে জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নির্বাচনী প্রতিযোগিতা, বহুদলীয় রাজনীতি, প্রকাশ্য সমাবেশ বা সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের প্রচলিত পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হয় না। বরং কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানোর প্রাতিষ্ঠানিক পথকেই তারা গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে তুলে ধরছে।

সমালোচকদের কাছে সমস্যাটি ঠিক এখানেই। সরকারের কাছে অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকলেও, সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে জানানো, অন্য মানুষের সঙ্গে সংগঠিত হওয়া এবং সরকারের নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশের অধিকার না থাকলে জবাবদিহির পরিসর কতটা কার্যকর থাকবে—সেটিই মূল প্রশ্ন। বিশেষ করে যখন রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ, গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে এবং নারী অধিকার নিয়ে প্রকাশ্য প্রতিবাদকারীরাও গ্রেপ্তার বা বলপ্রয়োগের মুখোমুখি হয়েছেন, তখন বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে বিচ্ছিন্ন কোনো আইন হিসেবে দেখা কঠিন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরাও আফগানিস্তানকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, মতপ্রকাশ, চলাচল ও বৈষম্য থেকে সুরক্ষা—এসব অধিকার মানুষের আস্থা পুনর্গঠন এবং দেশটির পরিস্থিতির আরও অবনতি ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ।

তালেবানের জন্য তাই নতুন নিষেধাজ্ঞাটি কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পদক্ষেপ নয়; এটি আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থার চরিত্র সম্পর্কেও একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে। ২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর পাঁচ বছরে প্রকাশ্য বিক্ষোভ এমনিতেই বিরল হয়ে এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দমন-পীড়নের আশঙ্কায় বিশেষ করে নারী বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্য রাজপথের বদলে অপেক্ষাকৃত গোপন ও বিকল্প প্রতিবাদের পথ বেছে নিয়েছেন।

এখন নতুন আইনের মাধ্যমে সেই প্রকাশ্য প্রতিবাদের পথটিই আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হলো। তালেবান এটিকে ইসলামি আইন, নিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করছে। অন্যদিকে জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মানবাধিকার সংগঠনগুলো দেখছে মতপ্রকাশ ও নাগরিক স্বাধীনতা আরও সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি। ফলে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধের এই সিদ্ধান্ত শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ আইন নিয়ে বিতর্ক নয়; ইসলামি শাসনের তালেবানি ব্যাখ্যা, নাগরিক অধিকার এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহির সীমা—এই তিনটি প্রশ্নকেও নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

তালেবান সরকার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250