ফাইল ছবি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নিরাপদে দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা এবং দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রতিহিংসার অবসানে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে ব্রিটিশ সরকারকে চিঠি দিয়েছেন দেশটির কয়েক সংসদ সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনীতিবিদ। চিঠিতে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার রাজনীতিকীকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বাধীন বিচারপ্রক্রিয়া, রাজনৈতিক পুনর্মিলন এবং শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটির শিরোনাম, ‘শেখ হাসিনা দেশে ফেরার আগেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চক্র ভাঙতে ব্রিটিশ সরকারকে পদক্ষেপ করতে হবে’। চিঠিটি যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তরের সচিবের উদ্দেশে লেখা হয়েছে। ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের মতে, কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাজ্যের জন্যও উদ্বেগের বিষয়।
চিঠিতে ব্রিটিশ সংসদ সদস্য বব ব্ল্যাকম্যানসহ অন্য আইনপ্রণেতারা বলেছেন, বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থার রাজনীতিকীকরণ মোকাবিলা, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের আগে কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক মধ্যস্থতা ও রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য একটি সমন্বিত কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ডিসেম্বর যত এগিয়ে আসছে, ততই তারেক রহমানের সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সংঘাত মোকাবিলার হাতিয়ার হিসেবে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে—এটাই তাদের অন্যতম প্রধান উদ্বেগ। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা গুরুতর অভিযোগগুলোর স্বাধীন তদন্ত ও ন্যায়সংগত বিচার হওয়া প্রয়োজন। তবে এসব অভিযোগ যেন প্রতিশোধ গ্রহণ কিংবা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বাদ দেওয়ার উপায় হয়ে না ওঠে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত, আদালতের কার্যক্রম এবং আটকাবস্থাকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত না রাখা হলে বিচারপ্রক্রিয়ার সংস্কারের মূল্য সীমিত হয়ে পড়বে।
শেখ হাসিনা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। তবে তার প্রত্যাবর্তনের সময় ও ব্যবস্থা এখনো অনিশ্চিত। অনুপস্থিতিতে তার দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার বিষয়টি আগাম কূটনৈতিক তৎপরতাকে জরুরি করে তুলেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনার পছন্দের আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ না পাওয়া এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে কার্যকরভাবে অংশগ্রহণ করতে পারার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ।
ব্রিটিশ আইনপ্রণেতারা বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের সহিংসতা এবং অন্যান্য গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার ব্যক্তিরা সত্য উদ্ঘাটন, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের অনুসন্ধানের বিশ্বাসযোগ্য পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। স্বাধীন বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণ যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যক্তির স্বতন্ত্র দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠা করেই জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব।
তারা স্পষ্ট করেছেন, কোনো ধরনের দায়মুক্তি তারা চান না। একইভাবে কোনো পূর্বনির্ধারিত ফলাফলও তাদের প্রত্যাশা নয়। এ উদ্বেগ কেবল শেখ হাসিনার মামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পাঠানো যৌথ চিঠির প্রসঙ্গ তুলে ধরে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতারা বলেছেন, ছয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও নাগরিক সমাজের সংগঠন নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও আটক বন্ধ করা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে ন্যায়সংগত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছিল।
তাদের মতে, এ পরিস্থিতি বিচার ট্রাইব্যুনাল পরিচালনাসংক্রান্ত আইনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগের ব্যবস্থায় পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছে। চিঠিতে ব্রিটিশ সরকারকে চারটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রথমত, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা এবং তাদের অন্য গুরুতর ক্ষতি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে দ্ব্যর্থহীন লিখিত অঙ্গীকার আদায় করতে হবে। শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে না এবং এ নিশ্চয়তা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এমন অঙ্গীকার জরুরি বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশে প্রবেশ, স্থানান্তর, আদালতে উপস্থিতি ও আটকাবস্থায় নির্যাতন, জোরপূর্বক গুম, জবরদস্তি, বিচারবহির্ভূত ক্ষতি এবং আশঙ্কাযোগ্য সহিংসতা থেকে সুরক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে। এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পরিচয়, স্বাধীনভাবে যাচাইয়ের সুযোগ এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ হলে জরুরি প্রতিক্রিয়ার ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ওপর স্থগিতাদেশ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে যুক্তরাজ্যের সমর্থন করা উচিত।
দ্বিতীয়ত, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় ও মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে স্বাধীন পর্যালোচনা এবং কার্যকর আইনি প্রতিকারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনার নিজের পছন্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচিত আইনজীবীদের অর্থবহ অংশগ্রহণের সুযোগ থাকতে হবে। যেকোনো আটকাদেশের সুস্পষ্ট আইনি ভিত্তি প্রকাশ এবং দ্রুত ও ধারাবাহিক স্বাধীন বিচারিক পর্যালোচনা নিশ্চিত করতে হবে। আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার হিসেবে আইনজীবীর সঙ্গে গোপনীয় যোগাযোগ, সময়মতো প্রাসঙ্গিক তথ্য ও নথি প্রকাশ, পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় এবং সাক্ষীদের কার্যকরভাবে জেরা করার সুযোগ থাকতে হবে। আইনজীবী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তৃতীয়ত, স্বাধীন তদন্ত ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে সহায়তা করতে হবে। প্রমাণসংক্রান্ত অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং বিচারপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ পর্যালোচনার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতারা। পরবর্তী তদন্তে বিদ্যমান অনুসন্ধান ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তি গ্রহণ, অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি এড়ানো, প্রকাশ্য কার্যপরিধি নির্ধারণ, স্বাধীন নিয়োগপ্রক্রিয়া, কার্যকর প্রমাণ সংগ্রহ এবং সাক্ষী সুরক্ষার ব্যবস্থা থাকতে হবে। যোগ্য স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের বিচারিক কার্যক্রম ও আটকসংক্রান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থায় অর্থবহ প্রবেশাধিকার এবং তাদের মূল্যায়ন প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্য হবে নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, বিচারপ্রক্রিয়াকে কেবল উপস্থিতির মাধ্যমে বৈধতা দেওয়া নয়। তদন্ত কমিশন গঠনের কারণে জরুরি সুরক্ষা বা বিশ্বাসযোগ্য জবাবদিহির উদ্যোগ বিলম্বিত করা যাবে না।
চতুর্থত, আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশের নেতৃত্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক মধ্যস্থতা ও রাজনৈতিক পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক সহায়তা দিতে হবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করতে হবে। রাজনৈতিক দল, ভুক্তভোগীদের প্রতিনিধি ও স্বাধীন নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণে ধারাবাহিক সংলাপ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হওয়া উচিত রাজনৈতিক সহিংসতা, প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ড ও ভীতি প্রদর্শনের বিরুদ্ধে অঙ্গীকার নিশ্চিত করা। শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বাদ দেওয়ার জন্য ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়া ব্যবহার করা হবে না—এ বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি সংলাপে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, সমান অধিকার ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
তবে পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় গুরুতর অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহি অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর জোর দিয়েছেন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতারা। তাদের মতে, রাজনৈতিক সমঝোতা যেন দায়মুক্তির বিনিময়ে কোনো ব্যবস্থায় পরিণত না হয়। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতাদেরও স্বাধীন তদন্ত ও আইনসম্মত বিচারিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে হবে, সহিংসতা ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ভুক্তভোগী, সাক্ষী ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নিরাপত্তার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে। বর্তমানে যারা ক্ষমতায় রয়েছেন, তাদেরসহ সব রাজনৈতিক পক্ষের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড প্রযোজ্য হওয়া উচিত। মৌলিক অধিকার কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না।
চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত পরিশিষ্টে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে। ব্রিটিশ আইনপ্রণেতারা যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তরের সচিবকে ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ হাইকমিশনকে বাংলাদেশ সরকার, অংশীদার দেশগুলোর মিশন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের সঙ্গে সুরক্ষা, স্বাধীন পর্যালোচনা ও মধ্যস্থতা নিয়ে জরুরি সমন্বিত কূটনৈতিক যোগাযোগ পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব না হলে পর্যবেক্ষণ ও প্রমাণ সংরক্ষণের বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে সংশ্লিষ্ট জাতিসংঘের সংস্থা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে পরামর্শ করার কথাও বলা হয়েছে।
চিঠিতে একটি বৈঠকের সুযোগ চাওয়ার পাশাপাশি ১৪ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ওই জবাবে যুক্তরাজ্য কী কী কূটনৈতিক উদ্যোগ নেবে, মধ্যস্থতার সম্ভাবনা যাচাই করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সময়সূচি কী হবে, তা উল্লেখ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, ব্রিটিশ সংসদ সদস্য বব ব্ল্যাকম্যান এ বিষয়ে ‘কমেন্ট সেন্ট্রাল’ নামের একটি সংবাদ ও মতামত প্রকাশনা প্ল্যাটফর্মে ৪ নভেম্বর ‘ব্রিটেনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চক্র ভাঙতে সহায়তা করতে হবে’ শিরোনামে একটি নিবন্ধও লিখেছেন। সেখানে তিনি শেখ হাসিনার ডিসেম্বরের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের আগে ব্রিটিশ সরকারের কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। তার বক্তব্য, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের বিচার হতে হবে, ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং অভিযুক্তদের অধিকারও রক্ষা করতে হবে।
দ্য ওয়ালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শেখ হাসিনার নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংঘাত ও প্রতিহিংসার চক্র ভেঙে স্বাধীন বিচারপ্রক্রিয়া এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক পুনর্মিলনের পথ তৈরি করা।
খবরটি শেয়ার করুন