শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** সাংবাদিক তানবিরুল মিরাজকে হয়রানি বন্ধের আহ্বান সিপিজের *** শক্তিশালী সরকারকে হটানো গেছে, এই সরকারকেও হটানো সম্ভব: শহিদুল আলম *** শহিদুল আলমের গতিবিধি নিয়ে প্রশাসনের সন্দেহ *** গাড়ির জ্বালানি ৩০ শতাংশ কম নেবেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা *** নরওয়ের উন্নয়ন সংস্থার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে *** ভারত কি পারবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন খ্রিষ্টান রাষ্ট্র গঠন ঠেকাতে? *** তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ হলে কি বড় সংকট দেখা দেবে? *** অফিস সময় ৯টা-৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় *** সাংবাদিকদের হাতকড়া: ক্ষমতার প্রয়োগ না অপপ্রয়োগ? *** নারী এমপিদের নিয়ে আমির হামজার কুৎসিত বক্তব্যের বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা

বাবার ধর্ষণে গর্ভবতী বোবা–কালা মেয়ে, জানালো এনডিটিভি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

প্রতীকী ছবি

ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের কাফে প্যারেড এলাকায় এক নৃশংস ঘটনায় ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে বারবার ধর্ষণ করে গর্ভবতী করার অভিযোগে তার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই তরুণী শুনতে পান না এবং কথা বলতে পারেন না। ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে, তার গর্ভে থাকা ভ্রূণটির জৈবিক পিতা তারই বাবা। খবর এনডিটিভির।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে—এটি একটি ‘ইনসেস্ট’ বা অজাচার অর্থাৎ পরিবারের নিকটাত্মীয়দের (যেমন—ভাই-বোন, বাবা-মেয়ে, মা-ছেলে) মধ্যে যৌন সম্পর্ক ও ধারাবাহিক ধর্ষণের ঘটনা।

প্রথমে এই মামলায় আরও একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে আটক করা হয়। ভুক্তভোগী তরুণী ইশারার মাধ্যমে পুলিশকে জানিয়েছিলেন, ওই দুজনও তাকে ধর্ষণ করেছে। পুলিশ বলেছে, এই অপরাধে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মেয়েটির বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয় ১৭ জন সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার পর। ল্যাবরেটরি রিপোর্টে দেখা যায়, ভ্রূণের ডিএনএ শুধু একজনের সঙ্গেই মিলেছে। সেই ব্যক্তি হলেন মেয়েটির বাবা।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওই তরুণী তার দাদির কাছে পেটের তীব্র অস্বস্তির কথা জানান। ইশারার মাধ্যমে তিনি বোঝান, তার পেটের ভেতরে অস্বাভাবিক নড়াচড়া হচ্ছে, যেন ভেতরে কিছু ‘হাঁটছে।’

এরপর তাকে মুম্বাইয়ের কামা অ্যান্ড আলব্লেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষায় চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হন, তিনি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অর্থাৎ, তিনি ধর্ষণের ফলে সন্তান ধারণ করেছেন। বিষয়টি জানার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানায়।

পুলিশ জানায়, শুরুতে তদন্তে বড় সমস্যা হয়। কারণ ওই তরুণী কথা বলতে পারেন না এবং প্রথম দিকে কোনো বক্তব্য দিতেও রাজি ছিলেন না। পুলিশ তখন তার বাবার সঙ্গে কথা বলে। বাবা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। একই সঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা দিতে পারেননি, কীভাবে তার মেয়ে গর্ভবতী হলো।

তিনি থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করতেও অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে কাউন্সেলিংয়ের পর ভুক্তভোগী তরুণী অভিযোগ দায়ের করতে সম্মত হন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে আটক করে।

এরপর বাবাসহ মোট ১৭ জন সন্দেহভাজনের রক্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ভ্রূণের জেনেটিক প্রোফাইলের সঙ্গে এসব নমুনা মিলিয়ে ধর্ষকের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

চলতি বছরের ২৭শে জানুয়ারি ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, ভ্রূণটির জৈবিক পিতা ওই তরুণীর বাবা। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনাগুলো গত বছরের মার্চ থেকে ২১শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে একাধিকবার ঘটে। এই ঘটনায় ২২শে সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করা হয়।

ধর্ষণ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250