শনিবার, ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** যেভাবে জামায়াতের একটি ‘সেক্যুলার’ চেহারা তৈরি হতো *** নির্বাচনের ফলকে স্বীকৃতি দেওয়া স্ট্যাটাস সরিয়ে নিলেন জামায়াত আমির *** ‘আওয়ামী লীগের স্থানীয় কার্যালয়ের তালা খুলে বিএনপি নেতা ভুল করেননি’ *** নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ ১৭ই ফেব্রুয়ারি *** ‘জাতীয় পার্টি কোনো আসন পায়নি, এটা অবিশ্বাস্য’ *** বাংলাদেশকে নিয়ে বেশি আশাবাদী হওয়া ঠিক হবে না, বলছেন ব্রিটিশ এমপি রুপা হক *** জুরিদের গাজা-বিষয়ক মন্তব্যে ক্ষুব্ধ অরুন্ধতী রায়, বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসব বর্জন *** এবার দেশ গড়ার পালা, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তারেক রহমান *** আমরা অবশ্যই সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে চাইব: তারেক রহমান *** তারেক রহমানের শপথে নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানাবে বিএনপি

‘জাতীয় পার্টি কোনো আসন পায়নি, এটা অবিশ্বাস্য’

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬

#

ফাইল ছবি

বিবিসির নিউজ আওয়ার অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির (জাপা) কোনো আসন না পাওয়া এবং জামায়াতের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

তিনি বলেছেন, দেশের বৃহত্তম ও পুরনো দল আওয়ামী লীগকে এবারের নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রগতিশীল দলগুলোকে নিষিদ্ধ না করলেও তাদের কোনো সভা সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের অনেক নেতাকে কারাগারে রাখা হয়েছে। তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি কোনো আসন পায়নি এটা অবিশ্বাস্য। তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী জোটের ফল নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেছেন, জামায়াত যেখানে সাধারণত ৫-১০টার বেশি আসন জিতে না, সেখানে তারা প্রায় ৮০টি আসন পেয়েছে, সুতরাং এটা প্রতিযোগিতাপূর্ণ নির্বাচন ছিল না।

আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে তিনি বিএনপির সাথে কথা বলতে রাজি কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা সবার সাথে কথা বলতে প্রস্তুত আছি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি হলো যুক্তরাজ্যে টরি ও লেবার পার্টির মতো, যেখানে এই দুই দল ছাড়া রাজনীতি কল্পনা করা যায় না।

'হ্যাঁ সবাই হয়তো খুশি যে একটি নির্বাচন হয়েছে। মধুচন্দ্রিমা শেষ হোক, তার পর দেখা যাবে। তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ সব সময় একটি ফ্যাক্টর হিসেবে থাকবে। আমাদের ৪০ শতাংশ ভোট আছে, জাতীয় পার্টির রয়েছে আরও ৫ থেকে ১০ শতাংশ, সুতরাং তাদেরকে সারা জীবন এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।'

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে সজীব ওয়াজেদ জয় তার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। তখন এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে সরকার দাবি করে, সজীব ওয়াজেদ জয়ের নিয়োগ অবৈতনিক ও খণ্ডকালীন।

সজীব ওয়াজেদ জয়

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250