বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৫শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান *** পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর *** মহাসড়কে স্লিপার বাস চালাতে হাইকোর্টে মালিক সমিতি, মেলেনি অনুমতি *** প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক *** রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা *** প্রাথমিকে শ্রবণ ও কথন দক্ষতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে: ববি হাজ্জাজ *** আগুনে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ সার্ভারের ক্ষতি *** ইমরান খানের সঙ্গে ‘ন্যায্য আচরণ’ করার আহ্বান আকরামের *** মালয়েশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে সকল আরোহীর প্রাণহানি *** ৯ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

অগণিত মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে থাকবেন দ্রোহ আর প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, ১৩ই ডিসেম্বর ২০২৪

#

যৌবন ফুরিয়েছে বহু আগেই। তাই মিছিলে যাওয়ার শ্রেষ্ঠ সময়ের ইতি ঘটলেও কবিমন ছিল প্রাণবন্ত। এবার কবির প্রাণ গেলো। তাই মননে হলেও যাওয়া হবে না মিছিলে। দ্রোহ আর প্রেমের কবি হেলাল হাফিজ আর নেই। শুক্রবার (১৩ই ডিসেম্বর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত সুপার হোমের বাথরুমে পড়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ হয় হেলাল হাফিজের। কর্তৃপক্ষ তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

১৯৪৮ সালের ৭ই অক্টোবর নেত্রকোনায় হেলাল হাফিজের জন্ম। ১৯৮৬ সালে তার প্রথম কবিতার বই ‌‘যে জলে আগুন জ্বলে’ প্রকাশিত হয়। কবিতার জন্য ২০১৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।

’৮০-এর দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলেনের সময় হেলাল হাফিজের ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’র পঙক্তি- ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’ পাঠকের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়। উচ্চারিত হয় মিছিলে, স্লোগানে, কবিতাপ্রেমীদের মুখে মুখে।

১৯৬৫ সালে হেলাল হাফিজ নেত্রকোনা দত্ত হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৬৭ সালে নেত্রকোনা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। ওই বছরই কবি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় ১৯৭২ সালে তিনি তৎকালীন জাতীয় সংবাদপত্র দৈনিক ‘পূর্বদেশে’ সাংবাদিকতায় যোগদান করেন।

১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন দৈনিক পূর্বদেশের সাহিত্য-সম্পাদক। ১৯৭৬ সালের শেষ দিকে তিনি দৈনিক ‘দেশ’ পত্রিকার সাহিত্য-সম্পাদক পদে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক যুগান্তরে কর্মরত ছিলেন।

কবিতায় অসামান্য অবদানের স্মারক হিসেবে হেলাল হাফিজকে ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়াও তিনি পেয়েছেন- যশোর সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার (১৯৮৬), আবুল মনসুর আহমদ সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৭), নেত্রকোনা সাহিত্য পরিষদের কবি খালেকদাদ চৌধুরী পুরস্কার ও সম্মাননা।

কবি হেলাল হাফিজের লেখালেখির সূচনা ঘটে ষাটের দশকের উত্তাল সময়ে। ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় রচিত ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ কবিতাটি তাকে কবিখ্যাতি এনে দেয়। সাংবাদিকতা করার দরুণ কবি ওই সময়ের উত্তাল পরিবেশের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হতে পেরেছিলেন। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'যে জলে আগুন জ্বলে' লেখার ঠিক ২৬ বছর পর ২০১২ সালে দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ লিখেন। বহুল প্রতিক্ষীত সেই 'কবিতা একাত্তর'ও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।

আই.কে.জে/

হেলাল হাফিজ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর রহমান

🕒 প্রকাশ: ০৩:৪১ অপরাহ্ন, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

পলিথিন-প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

মহাসড়কে স্লিপার বাস চালাতে হাইকোর্টে মালিক সমিতি, মেলেনি অনুমতি

🕒 প্রকাশ: ০৩:৩২ অপরাহ্ন, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক

🕒 প্রকাশ: ০৩:২৪ অপরাহ্ন, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

🕒 প্রকাশ: ০৩:২০ অপরাহ্ন, ৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250