সোমবার, ১২ই অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৭শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘স্বৈরাচার’ ও ‘গুপ্তরা’ এক হতে পারে, এমপিদের সতর্ক করলেন তারেক রহমান *** অপকর্মে জড়ালে নেতা-এমপি-মন্ত্রী কারও ছাড় নেই: প্রধানমন্ত্রী *** দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ‘প্রতারক’ দুয়োর জবাব মাঠেই দিল ম্যানসিটি *** সৌদি আরবের বিমানবন্দরে আবারও হুতিদের হামলা, টার্মিনালে আগুন *** রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আটকা পড়েছেন অন্তত ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী *** ‘লড়াই মাত্র শুরু’—দেশজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা ককরোচদের *** শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয় *** রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** সৌদিতে মক্কা-মদিনার বাইরে নতুন হামলার হুমকি হুতিদের

শশা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন জয়পুরহাটের প্রান্তিক চাষিরা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৩শে আগস্ট ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

ভালো দাম পেয়ে শশা  চাষে আগ্রহ বেড়েছে জয়পুরহাটের কৃষকদের।  স্বল্প সময়ের ফসল হিসেবে শশা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের  চাষিরাও। 

জয়পুরহাটের প্রত্যন্ত অঞ্চল ভাদসা ইউনিয়নের গোপালপুর নামক স্থানে  বসে  উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শশাার হাট। এখান থেকেই পাইকাররা শশা কিনে সরবরাহ করে থাকেন দেশের বিভিন্ন স্থানে। দেশি প্রযুক্তিতে চাষ করা ক্ষেতের শশা উন্নত মানের হওয়ায় জেলার গন্ডি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বেশ জনপ্রিয়তা  অর্জন করেছে এই শশা। 

পাইকারী বাজারে এবার শশা  বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। প্রতিদিন এ গোপালপুর বাজার থেকে ৪০ জন পাইকার শশা কিনে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন। পাইকারদের মধ্যে হামিদুর রহমান ছানা, জামিল হোসেন, সেলিম, কাওসার আহমেদ ও ফরহাদ জানান, এখানকার শশার চাহিদা বেশি থাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ট্রাক করে শশা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়ে থাকে। 

শশাার বীজ লাগানো থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায় এবং তেমন কোনো পরিচর্যাও প্রয়োজন হয় না। ফলে অন্যান্য ফসলের তুলনায় শশা চাষে খরচ কম পড়ে।

আরও পড়ুন: আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি

গোপালপুর  শশা  হাটের পাশের ফরিদপুর গ্রামের শশা চাষি আজাদুল ইসলাম এবার ১০ কাঠা জমিতে শশা চাষ করে ৩০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। এ ছাড়াও গোপালপুর গ্রামের তারাজুল ইসলাম এবার এক বিঘা জমিতে শশা চাষ করে ইতোমধ্যে ৫৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। আরও ৩০ হাজার টাকা বিক্রি হবে এমন শশা জমিতে রয়েছে বলেও জানান তিনি। 

কোঁচকুড়ি গ্রামের মুকুল হোসেন এবার দেড় বিঘা জমিতে শশা  চাষ করে ইতোমধ্যে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন বলে জানান।

এসি/ আই.কে.জে/

শশা চাষ প্রান্তিক চাষিরা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250