রবিবার, ২২শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ‘খায়রুল হক, সেলিনা আইভীসহ অনেকে বিএনপির আমলেও মনগড়া মামলার শিকার’ *** সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন *** হামলার ঝুঁকির মধ্যেই খোলা আকাশের নিচে ইরানিদের ঈদের নামাজ *** তারকারা কে কোথায় আছেন ঈদের ছুটিতে *** পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশে *** গ্যাস-সংকটে রান্না বন্ধ, ভারতে দলে দলে বাড়ি ফিরছেন পোশাকশ্রমিকেরা *** নিজস্ব প্রযুক্তি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেলথ মিথ ভেঙে দিল ইরান *** কতটা ছড়ালো ঈদের সিনেমার নতুন গান *** ঈদে মুক্তি পেল ৫ সিনেমা, সবচেয়ে বেশি হলে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ *** যমুনায় সর্বসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন প্রধানমন্ত্রী

শশা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন জয়পুরহাটের প্রান্তিক চাষিরা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১১:২৮ পূর্বাহ্ন, ২৩শে আগস্ট ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

ভালো দাম পেয়ে শশা  চাষে আগ্রহ বেড়েছে জয়পুরহাটের কৃষকদের।  স্বল্প সময়ের ফসল হিসেবে শশা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের  চাষিরাও। 

জয়পুরহাটের প্রত্যন্ত অঞ্চল ভাদসা ইউনিয়নের গোপালপুর নামক স্থানে  বসে  উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শশাার হাট। এখান থেকেই পাইকাররা শশা কিনে সরবরাহ করে থাকেন দেশের বিভিন্ন স্থানে। দেশি প্রযুক্তিতে চাষ করা ক্ষেতের শশা উন্নত মানের হওয়ায় জেলার গন্ডি পেরিয়ে রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বেশ জনপ্রিয়তা  অর্জন করেছে এই শশা। 

পাইকারী বাজারে এবার শশা  বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। প্রতিদিন এ গোপালপুর বাজার থেকে ৪০ জন পাইকার শশা কিনে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন। পাইকারদের মধ্যে হামিদুর রহমান ছানা, জামিল হোসেন, সেলিম, কাওসার আহমেদ ও ফরহাদ জানান, এখানকার শশার চাহিদা বেশি থাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ট্রাক করে শশা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়ে থাকে। 

শশাার বীজ লাগানো থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায় এবং তেমন কোনো পরিচর্যাও প্রয়োজন হয় না। ফলে অন্যান্য ফসলের তুলনায় শশা চাষে খরচ কম পড়ে।

আরও পড়ুন: আমন চাষিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এলো বৃষ্টি

গোপালপুর  শশা  হাটের পাশের ফরিদপুর গ্রামের শশা চাষি আজাদুল ইসলাম এবার ১০ কাঠা জমিতে শশা চাষ করে ৩০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। এ ছাড়াও গোপালপুর গ্রামের তারাজুল ইসলাম এবার এক বিঘা জমিতে শশা চাষ করে ইতোমধ্যে ৫৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। আরও ৩০ হাজার টাকা বিক্রি হবে এমন শশা জমিতে রয়েছে বলেও জানান তিনি। 

কোঁচকুড়ি গ্রামের মুকুল হোসেন এবার দেড় বিঘা জমিতে শশা  চাষ করে ইতোমধ্যে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন বলে জানান।

এসি/ আই.কে.জে/

শশা চাষ প্রান্তিক চাষিরা

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250