রবিবার, ৬ই এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
২২শে চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস আজ *** শুল্ক নিয়ে সরাসরি আমেরিকার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন ড. ইউনূস *** খেলাধুলা শিশু ও তরুণদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে: প্রধান উপদেষ্টা *** ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জিহাদের’ আহ্বানে বিরল ‘ফতোয়া’ জারি *** ‘দুই নেতার বৈঠকের পর সম্পর্কের বরফ কতটা গলছে’ *** আপনার প্রতি হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি, আমরা সব সময় সম্মান করি: ইউনূসকে মোদি *** এখন থেকে কাদের সিদ্দিকী ‘জয় বাংলা’ বলবেন যে কারণে *** এবার ঈদের ছুটিতে ৭ দিনে ঢাকা ছাড়েন ১ কোটি ৭ লাখ সিমধারী *** বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি *** আমেরিকান শুল্ক নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার জরুরি বৈঠক আহ্বান

সাদিক অ্যাগ্রোর মালিকসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০১:২৪ অপরাহ্ন, ১৭ই জুলাই ২০২৪

#

ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ব্রাহমা গরু আমদানি, বিক্রি ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাদিক এগ্রোর সত্ত্বাধিকারী ইমরান হোসেন ও কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের দুই পরিচালকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১৬ই জুলাই) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন, কেন্দ্রীয় গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক ডা. মো. মনিরুল ইসলাম, পরিচালক (উৎপাদন) ডা. এ বি এম খালেদুজ্জামান, গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের বায়ার অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার (লিভ রিজার্ভ) ডা. ফিরোজ আহমেদ খান, উপপরিচালক (লিভ/রিজার্ভ ট্রেনিং অ্যান্ড রিজার্ভ পদ) ডা. এ বি এম সালাহ উদ্দিন, সাদিক এগ্রোর সত্ত্বাধিকারী মো. ইমরান হোসেন এবং তার বন্ধু তৌহিদুল আলম জেনিথ।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ৪২০/৪০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এর আগে আমেরিকার ব্রাহমা জাতের গরু নিয়ে সাদিক অ্যাগ্রোর কেলেঙ্কারির বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে মামলার সুপারিশ করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান দল।

দুদক সূত্র জানায়, গত ৩রা জুলাই সাদিক অ্যাগ্রোর মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকার খামার থেকে ব্রাহামা জাতের ছয়টি গরু জব্দ করা হয়। গরুর গায়ে থাকা কোড নম্বর দেখে দুদক নিশ্চিত হয়, এগুলো ২০২১ সালে বিমানবন্দরে জব্দ হওয়া ১৮টি গরুর ছয়টি। প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নথিপত্র জাল করে এসব গরু আমদানি করেছিল সাদিক অ্যাগ্রো। বৈধতা না থাকায় ২০২১ সালে গরুগুলো জব্দ করে বিমানবন্দর কাস্টমস। পরে সেই জব্দ গরু সাভারের সরকারি গো-প্রজনন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেখান থেকে নানামুখী কারসাজি করে নিজেদের খামারে নিয়ে যান সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরান।  

সরকারি নিষেধাজ্ঞা না মেনে খামারে এই গরুর প্রজননও ঘটিয়েছে সাদিক অ্যাগ্রো। যা ধরা পড়ে দুদকের গত ১লা জুলাইয়ের অভিযানে। সেখানে সাতটি ব্রাহমা জাতের বাছুর উদ্ধার করা হয়।

ওআ/ আই.কে.জে/


সাদিক অ্যাগ্রো ফার্ম

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন