সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৬ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** বাড়ছে হুতিদের হামলা, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে ইরানের হুঁশিয়ারি *** জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী *** সাগরে শক্তিশালী হচ্ছে লঘুচাপ, ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি ঝড়ের আভাস *** আশুলিয়ায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে যেভাবে ছড়াল আগুন *** আশুলিয়ায় কাভার্ড ভ্যান থেকে ৬ লাশ উদ্ধার *** জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রথম স্ত্রীসহ থানায় এমপি নজরুল *** সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা *** কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন *** শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পল্লবীতে বাসে আগুন *** ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

হৃদরোগের ঝুঁকি? জানুন কারণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা

স্বাস্থ্য ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, ১৩ই অক্টোবর ২০২৪

#

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হচ্ছে হৃদরোগ। তবে এটি জীবনযাপনের পরিবর্তন এবং সক্রিয় স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য। সাধারণ ঝুঁকির কারণগুলির মধ্যে রয়েছে বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, জাতি এবং লিঙ্গ। তবে এই কারণগুলো চাইলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এদিকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য কারণের মধ্যে রয়েছে খারাপ খাদ্য, ব্যায়ামের অভাব, ধূমপান, অত্যধিক মানসিক চাপ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে করণীয়

স্বাস্থ্যকর ডায়েট: ফল, সবজি, গোটা শস্য, চর্বিহীন প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের দিকে মনোযোগ দিন। এ ধরনের খাবার আপনাকে হৃদরোগ থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে।

নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিটের মাঝারি-তীব্র ব্যায়ামের লক্ষ্য রাখুন। নিয়মিত ব্যায়াম করলে তা হৃদরোগসহ আরও অনেক রোগ থেকে আপনাকে মুক্ত রাখবে। পাশাপাশি কাজে আরও বেশি মনোযোগী হতে পারবেন। কারণ এই অভ্যাস আমাদের শরীরকে সচল রাখতে কাজ করে।

ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান উল্লেখযোগ্যভাবে আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এ ধরনের অভ্যাস থাকলে তা অবশ্যই পরিহার করুন। পাশাপাশি অ্যালকোহল সেবনের অভ্যাস থাকলে তাও বাদ দিন।

আরো পড়ুন : গবেষণা: ওষুধ ছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কতক্ষণ হাঁটবেন

স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করুন: ধ্যান, যোগব্যায়াম বা গভীর শ্বাসের মতো স্ট্রেস-কমানোর কৌশলগুলো চর্চা করুন। স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে থাকলে হৃদরোগসহ অনেক অসুখ থেকে দূরে থাকাই সহজ হবে।

রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করুন: নিয়মিত চেকআপ এবং ওষুধ এই এ ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এদিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।

ব্লাড সুগার মনিটর করুন: আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে, তাহলে স্বাস্থ্যকর রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এতে ব্লাড সুগার বা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে। যে কারণে দূরে থাকবে হৃদরোগ সহ আরও অনেক অসুখ।

কখন মেডিকেল এটেনশন চাইতে হবে

আপনি যদি এই উপসর্গগুলোর মধ্যে কোনোটি অনুভব করেন, বিশেষ করে যদি সেগুলো অব্যাহত থাকে বা ঘন ঘন হয়, তাহলে একজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা অপরিহার্য। প্রাথমিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা উল্লেখযোগ্যভাবে ফলাফল আনতে পারে এবং জটিলতা প্রতিরোধ করতে পারে।

এস/ আইকেজে


হৃদরোগ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250