শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩রা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের বৈঠক রাত ৯টায়: দ্য ওয়াল *** তেজগাঁওয়ে মসজিদে গোপন বৈঠক, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলের গুজব, নেপথ্যে কাদের–নানকপন্থীরা? *** দ্য উইকের দাবি: দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল হলো কেন *** শেখ হাসিনা আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে ঢাকা, কী বলছে নয়াদিল্লি *** ‘কোরআনকে সরাসরি সংবিধান বলা ঠিক নয়’ *** জামায়াতের পাশাপাশি আওয়ামী লীগকেও নিজেদের ভূমিকার হিসাব মেলাতে হবে: ড্যানিলোভিচ *** ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসিকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে *** নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা তারেক রহমানের, ধন্যবাদ জানালেন মোদি *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক কী বাতিল, যা জানা যাচ্ছে

দিল্লিতে আওয়ামী লীগের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলের গুজব, নেপথ্যে কাদের–নানকপন্থীরা?

বিশেষ প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৭:২৮ অপরাহ্ন, ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ফাইল ছবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক আজ শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে বৈঠকের আগের দিন বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ঢাকা ও দিল্লির কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে বৈঠকটি বাতিল বা পিছিয়ে দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতরে ও বাইরে তৈরি হয় নানা আলোচনা।

দিল্লিতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র সুখবর ডটকমকে জানিয়েছে, শেখ হাসিনার ডাকা বৈঠক বাতিল হয়নি। তবে আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী তার দিল্লির বাসভবনে মুখোমুখি বৈঠকের পরিবর্তে আজ রাতে অনলাইনে মতবিনিময় হবে। রাত নয়টায় বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকাসহ ভারতের বাইরে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় নেতারাও যাতে এতে যুক্ত হতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

বৈঠকটি বাতিল হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে সুখবর ডটকমের পক্ষ থেকে ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাদের কেউ বৈঠক বাতিলের সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেননি। বরং তারা বৈঠক হওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বরও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ১৮ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের মতবিনিময়ের কর্মসূচি রয়েছে। দিল্লি ও কলকাতায় অবস্থানরত ২১ জন কেন্দ্রীয় নেতার পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের উপস্থিতির কথাও তখন জানানো হয়েছিল।

তবে বৃহস্পতিবার বৈঠক বাতিলের গুঞ্জন নতুন মাত্রা পায়। ভারতীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ১৮ সেপ্টেম্বরের বৈঠকটি শেষ মুহূর্তে বাতিল করা হয়েছে। বাংলাদেশি কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমও পরে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বৈঠক বাতিলের খবর প্রকাশ করে। এমনকি ১৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদনে বৈঠক বাতিলের কথাই বলা হয়েছে।

কিন্তু আওয়ামী লীগের দিল্লি ও কলকাতায় অবস্থানরত নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে এসব প্রতিবেদনের পুরোপুরি মিল নেই। বরং দলটির কয়েকজন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতা সুখবর ডটকমকে বলেছেন, বৈঠকটি হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তা বিভ্রান্তিকর। পরে অবশ্য বৈঠকের ধরন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্রগুলোর দাবি, বৈঠক বাতিলের গুঞ্জন ছড়ানোর পেছনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকপন্থী অংশের ভূমিকা থাকতে পারে। দলের ভেতরের এই আলোচনার সঙ্গে নেতৃত্বের প্রশ্নটিও জড়িয়ে গেছে। ভারতে অবস্থানরত ওবায়দুল কাদেরকে দিল্লির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি—এমন দাবি করেছে আওয়ামী লীগের কয়েকটি সূত্র। তাদের ভাষ্য, কাদের বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে অবস্থান করলেও বৈঠকে তার উপস্থিতির জন্য কোনো আমন্ত্রণ ছিল না। এ নিয়ে তার অনুসারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে সূত্রগুলোর দাবি। কাদেরকে দিল্লির বৈঠকে আমন্ত্রণ না জানানো এবং নানককে সম্ভাব্য ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে সামনে না আনার বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করেই গুজব ছড়ানো হয়।

বৈঠক নিয়ে গুঞ্জন ছড়ানোর ক্ষেত্রে ঢাকার একটি বাংলা দৈনিকের সাবেক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকের নামও আওয়ামী লীগের কয়েকটি সূত্র উল্লেখ করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ওই সাংবাদিক ভারতে চলে যান বলে সূত্রের দাবি। 

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও দলের ভেতরে নতুন করে টানাপোড়েনের খবর সামনে এসেছে। সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা তার অনুপস্থিতিতে দলের সাংগঠনিক দায়িত্বে জ্যেষ্ঠ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম থাকার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সেলিম সভাপতিমণ্ডলীর সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ সদস্য হওয়ায় তার অনুপস্থিতিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিশেষ করে জাহাঙ্গীর কবির নানকপন্থী হিসেবে পরিচিত কয়েক নেতা শেখ সেলিমকে সামনে আনার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাই আজকের পূর্বনির্ধারিত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে না বলে নানকপন্থীরা গুজব ছড়ান। ৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার নিউ টাউনে শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিনের বাসায় অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ওই বৈঠকে জাহাঙ্গীর কবির নানক, আসাদুজ্জামান খান কামাল, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মির্জা আজম, আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম ও মাহমুদুল হাসান রিপনসহ কয়েক নেতা উপস্থিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে শেখ সেলিমের সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে আপত্তি এবং নানকের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের দাবি।

এর ফলে ১৮ সেপ্টেম্বরের দিল্লি বৈঠককে ঘিরে নেতৃত্বের প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কীভাবে দল পরিচালিত হবে, আর তিনি দেশে ফিরে গ্রেপ্তার বা অন্য কোনো কারণে দলীয় কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত হতে না পারলে কে দায়িত্ব পালন করবেন—এ প্রশ্ন আওয়ামী লীগের ভেতরে আলোচনায় রয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মোহাম্মদ আলী আরাফাত এর আগে নেতৃত্ব নিয়ে কোনো সংকট বা দ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেছেন।

বৈঠকের ধরন পরিবর্তনের পেছনে অবশ্য ভিন্ন কারণের কথাও জানা যাচ্ছে। দলীয় সূত্রের ভাষ্য, শেখ হাসিনার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা এবং তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা দিল্লির সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাকে দীর্ঘ সময় ধরে মুখোমুখি বৈঠকে না বসার পরামর্শ দিয়েছেন। দিল্লিতে ডেঙ্গু ও সোয়াইন ফ্লুর সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ থাকায় তার বয়স ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

আগে দিল্লিতে শেখ হাসিনার বাসভবনে সরাসরি বৈঠকের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে প্রায় ২৫ নেতার উপস্থিতির কথা ছিল। তাদের অনেকেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে দিল্লিতে পৌঁছান। পরে মুখোমুখি বৈঠকের পরিবর্তে অনলাইনে সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আরেকটি কারণ হিসেবে দলের বাইরে অবস্থানরত নেতাদের অংশগ্রহণের বিষয়টি সামনে এসেছে। আওয়ামী লীগের কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা বর্তমানে ইউরোপ, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশে অবস্থান করছেন। সরাসরি দিল্লির বৈঠকে তাদের অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল না। অনলাইনে বৈঠক হলে তারা সবাই যুক্ত হতে পারবেন। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আগে এ ধরনের বৈঠকে অংশ নেওয়ার সুযোগ ভবিষ্যতে থাকবে কি না, তা নিয়েও দলের অনেক নেতার মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

১৮ সেপ্টেম্বরের বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রস্তুতি। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সাম্প্রতিক সময়ে ডিসেম্বরের মধ্যে তার দেশে ফেরার সম্ভাবনার কথা বলেছেন। শেখ হাসিনাও এক সাক্ষাৎকারে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। তবে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ, পথ বা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য ফেরার পথ নিয়েও আওয়ামী লীগের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল হয়ে বাংলাদেশের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ফেরার একটি পরিকল্পনার কথা আগে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। আবার আকাশপথে ফেরার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। তবে এসব তথ্য এখনো দলীয় বা সরকারি পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সঙ্গে তার বিরুদ্ধে চলমান আইনগত বিষয়ও জড়িত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি ওই বিচারপ্রক্রিয়া ও রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন। ফলে দেশে ফেরার যে কোনো পরিকল্পনার সঙ্গে আইনগত ও নিরাপত্তার প্রশ্নও জড়িয়ে রয়েছে।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যারা দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন, মামলা, গ্রেপ্তার বা অন্যান্য চাপের মুখে পড়েছেন, তাদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা নেতাদের সাংগঠনিক অবস্থান এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতৃত্ব নিয়েও মতবিনিময় হতে পারে।

দলীয় পদকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেন, নেতা-কর্মীদের নানা আশ্বাস দেওয়া এবং পরে তাদের পাশে না থাকার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাদের ভূমিকা এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে তাদের সক্রিয়তার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর পেছনে দলের ভেতরের একটি অংশের ভূমিকা নিয়েও নানা অভিযোগ ও আলোচনা চলছে। আওয়ামী লীগের কিছু নেতা মনে করেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক সংকটে দলের ভেতরের বিভাজন পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছিল। কারও কারও বিরুদ্ধে তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বা নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের অনেকটাই রাজনৈতিক দাবি; সেগুলোর সবকটির স্বাধীন প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

সব মিলিয়ে ১৮ সেপ্টেম্বরের বৈঠক নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে আওয়ামী লীগের ভেতরে-বাইরে পরস্পরবিরোধী তথ্য ছড়িয়েছে। একদিকে কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম বৈঠক বাতিলের খবর প্রকাশ করেছে, অন্যদিকে দিল্লিতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বৈঠক হওয়ার কথা জানিয়েছেন। পরে জানা গেছে, সরাসরি বৈঠকের পরিবর্তে অনলাইনে সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সুখবর ডটকমের সঙ্গে কথা বলা আওয়ামী লীগের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের ভাষ্য, আজ শুক্রবার রাত নয়টায় শেখ হাসিনার সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকে দলীয় সাংগঠনিক পরিস্থিতি, নেতৃত্বের প্রশ্ন এবং শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিয়ে মতবিনিময় হতে পারে। তবে বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়, সেটি জানা যাবে সভা শেষ হওয়ার পর।

আওয়ামী লীগ ওবায়দুল কাদের জাহাঙ্গীর কবির নানক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250