শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২১শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হাজার ছুঁইছুঁই *** আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অপরাধী নন, রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার: শেখ হাসিনা *** মদপানে পুলিশ কর্মকর্তার মাতলামি, কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার *** জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** দাবি না মানলে সরকার পতনের আন্দোলন: শফিকুর রহমান *** জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে *** ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত কয়লা উত্তোলনের উদ্যোগ নিলে গণ-আন্দোলনের হুঁশিয়ারি *** লংমার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে না, সরকারকে সময় দিতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক *** বিদুরের ১৫টির মধ্যে ৫টি পানির উৎসে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া, বাড়ছে রোগের ঝুঁকি *** ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কী কী করা যাবে না, জানাল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

ফুচকা খাওয়ার টাকায় বাঁশি কিনে ট্রাফিকের দায়িত্বে ৭ বছরের শিশু

নিউজ ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ০৫:২৭ অপরাহ্ন, ৯ই আগস্ট ২০২৪

#

ছবি: সংগৃহীত

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে সারাদেশের মতো বাগেরহাটেও নিরলসভাবে কাজ করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। বাগেরহাট শহরের পুলিশ লাইন্স স্কুলের সামনে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে ৭ বছরের শিশু আরাফ মাহিন। ফুচকা খাওয়ার কথা বলে মায়ের কাছ থেকে ৩০ টাকা নিয়ে একটি বাঁশি কিনে দুদিন ধরে সড়কে দায়িত্ব পালন করছে সে। ট্রাফিক পুলিশের অবর্তমানে সড়কে যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা না হয় সে জন্য পুলিশ লাইন্স স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরাফের এই প্রচেষ্টা।

বৃহস্পতিবার (৮ই আগস্ট) সকালে শহরের পুরাতন পুলিশ লাইন্সের সামনে হাতে বাঁশি নিয়ে রিকশা, মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকক চালকদের সুশৃঙ্খখলভাবে সড়কে চলাচলের আহ্বান করছে আরাফ। আরাফ হাতে থাকা একটি দিকনির্দেশক লাঠি দিয়ে যানবাহনগুলোকে সারিবদ্ধভাবে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছে। সড়কে চলাচলরত যানবাহনগুলো তার নির্দেশ পালন করছে। আরাফের এমন উদ্যোগে খুশি হয়েছেন তার মা লাইলি আঞ্জুমানসহ পথচারীরা।

আরাফের মা লাইলি আঞ্জুমান গণমাধ্যমকে বলেন, আরাফের উদ্যোগে আমি খুব খুশি হয়েছি। ফুচকা খাওয়ার জন্য ৩০ টাকা নিয়েছিল, পরে জানলাম সে বাঁশি কিনে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে। ওকে যখন নিতে আসছি তখন বলে, আম্মু আমাকে একটা ঘণ্টা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করতে দাও, চার ঘণ্টা বই পড়বো। ওর কথার পরে আর বাড়ি ফেরানোর চেষ্টা করিনি। গতকাল থেকে ও কাজ করছে, আমি দূর থেকে ওর সাথে আছি। আরাফকে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছি আমি।

প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরাফ বলে, এই জায়গায় সব সময় পুলিশ আঙ্কেলরা ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করতেন। কিন্তু কয়েকদিন পুলিশরা দায়িত্ব পালন করছেন না। তাই মাঝে মাঝেই বিশৃঙ্খলা হচ্ছে। এজন্য শৃঙ্খলা ফেরাতে আমি নিজে ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছি। অটো ও রিকশাচালক আঙ্কেলরাও আমার কথা শুনছে, খুবই ভালো লাগছে। 

এছাড়া শিক্ষার্থীদের সাথে সড়কের ময়লা পরিষ্কার করতেও দেখা যায় শিশু আরাফকে। আরাফ বাগেরহাট শহরের সরুই এলাকার ইমরুল হাসানের ছেলে। 

ওআ/ আই.কে.জে/

ছাত্র আন্দোলন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250