রবিবার, ৮ই মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে কাঁদলেন শাবান মাহমুদ *** তেলের টানাপোড়েনের মাঝে সুখবর দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী *** যুদ্ধ বন্ধের বার্তা নিয়ে ফিরে এলেন ‘সুবোধ’ *** ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানো নিয়ে রাতে শাহবাগ থানায় উত্তেজনা *** গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন করে দিল্লি: প্রণয় ভার্মা *** ‘মুক্তিযুদ্ধ যেন আমাদের সবকিছুর উর্ধ্বে থাকে’ *** ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত *** চাঁপাইনবাবগঞ্জে গান-বাজনা নিষিদ্ধের নোটিশ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ *** সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের দাবি জানালেন মামুনুল হক *** ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ইতিহাস কেউ মুছতে পারবে না: সোহেল তাজ

৭ই মার্চের ভাষণ বাজানো নিয়ে রাতে শাহবাগ থানায় উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, ৮ই মার্চ ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর চানখাঁরপুলে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানোর ঘটনায় ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটকের প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনে আবার ভাষণ বাজানো কর্মসূচি ডাকেন কয়েকজন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীও ছিলেন। কর্মসূচি অনুযায়ী শনিবার (৭ই মাচ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে থানার সামনে রিকশার মধ্যে একটি সাউন্ড বক্সে ভাষণ বাজানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে থানার সামনে ভাষণ বাজানো কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

এ কর্মসূচির প্রতিবাদে সেখানে পাল্টা অবস্থান নেয় ডাকসু ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারাও। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে কর্মসূচিতে থাকা নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধর করা হয়।

পাল্টাপাল্টি এ ঘটনায় রাত ১১টা পর্যন্ত শাহবাগ থানার সামনে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর আগে দুপুরে রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানো হয়। সেখান থেকে আসিফ আহমেদসহ দুজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত সাউন্ড বক্সটিও পুলিশ জব্দ করে। আসিফ আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের (এখন নিষিদ্ধ) কর্মসংস্থান সম্পাদক।

রাতে সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, থানার বিপরীতে জাতীয় জাদুঘরের ফটকের সামনে একটি রিকশার মধ্যে রাখা সাউন্ড বক্সে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো হচ্ছে। পাশেই ইমিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে আছেন।

আটক শিক্ষার্থীকে না ছাড়া পর্যন্ত ভাষণ বাজানোর কথা জানান তারা। এ খবর পেয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের আরেকটি পক্ষ থানার সামনে পাল্টা অবস্থান নেয়।

এ সময় দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিলে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর কিছুক্ষণ পরে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ সেখানে আসেন। আরও কিছুক্ষণ পাল্টাপাল্টি স্লোগান চলে। একপর্যায়ে তাদের নেতৃত্বে ভাষণ বাজানো রিকশাসহ ইমিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে থানার ভেতরে ইমির সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধর করা হয়।

এ বিষয়ে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের বলেন, ‘সাতই মার্চের ভাষণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, মুক্তিযুদ্ধের নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার পাঁয়তারা করা হচ্ছে। যে ছেলেকে ধরা হয়েছে সে চিহ্নিত আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী। জুলাইয়ের আন্দোলনে হামলা করেছিল।’

পুরো ঘটনার বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেছে সুখবর। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

রাত একটায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আবদুল্লাহ আল মামুন থানায় আটক ছিলেন। আগে থেকে আটক রয়েছেন আসিফ আহমেদ। থানার সামনে ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি পালন করতে আসা বাকিরা চলে যান। ডাকসুর নেতারাও থানা থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে যান।

৭ই মার্চের ভাষণ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250