রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দখল-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি *** পাকিস্তান থেকে আফগানিস্তানে প্রবেশ করা ২৮ সশস্ত্র ব্যক্তিকে হত্যার দাবি তালেবানের *** হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, মোট ১০৯৬ *** ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, এক দিনে সর্বোচ্চ ২১৫৮ জন ভর্তি *** ভারত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযানের জন্য প্রস্তুত: রাজনাথ সিং *** ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, কর্তৃপক্ষ বলছে গুজব *** জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জনকে রেখে অন্যদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ *** দক্ষিণ আফ্রিকার ২ প্রধান শহরে বন্দুক হামলায় নিহত ২৭ *** সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অপসারণ চাইল খেলাফত মজলিস *** মাঝে মাঝে মধু আহরণকারী চাঁদাবাজরা মৌচাক মনে করে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছুড়ে দেয়: শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৬:৩০ অপরাহ্ন, ২৪শে জুন ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ মহসিন রশিদ এই রিট দায়ের করেছেন। আজ বুধবার রিটের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান তিনি। যে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছিল, সেই প্রয়োজন না থাকায় আইনটি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে বলে জানান মহসিন রশিদ।

আইনজীবী মহসিন রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ট্রাইব্যুনাল বিখ্যাত হয়েছে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের জন্য। এই ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছিল পাকিস্তানি যারা এখানে জেনোসাইড করেছে, যুদ্ধাপরাধ করেছে, ধর্ষণ করেছে, তাদের জন্য। যখন শিমলা চুক্তি হয়ে গেল, তখন আমরা মাফ করে দিয়েছি তাদের। তখন ওদের পাঠিয়ে দিল পাকিস্তানে। আর বাঙালিদের মধ্যে যারা অপরাধ করেছে, সহযোগিতা করেছে, তাদের বিচার করার জন্য ১৯৭২ সালে কোলাবোরেটরস ট্রাইব্যুনাল করা হয়েছিল। যেখানে প্রায় ৩০ হাজারের মতো লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অনেককে শাস্তি দেওয়া হয়েছিল। পরে ১৯৭৮ সালে এটা বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।’

মহসিন রশিদ বলেন, ‘২০০৯ সালে যখন জামায়াত নেতাদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত হলো, জামায়াতকে নেতৃত্বশূন্য করার সিদ্ধান্ত হলো, তখন সংশোধন করা হয়েছে। সেখানে সাক্ষ্য আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধি প্রযোজ্য না। আপিলের বিধান পরে আনা হয়েছে সংশোধন করে। ওই সময় কোনো ন্যায়বিচার ছিল না। কারণ, ওই সময় সবকিছু দেখা হতো একটি সুনির্দিষ্ট দৃষ্টিকোণ থেকে। তখন আমি বারবার বলেছি, এটি সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ না, সুপ্রিম কোর্ট অব আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালে সংশোধন করে করা হয়েছে, ২০২৪ সালে সংশোধন করে করা হচ্ছে। ২০০৯ সালে যারা ছিল, তারা আপিল বিভাগ পর্যন্ত সবকিছু জিতেছে। ওই বিচারটা এত ত্রুটিপূর্ণ ছিল যে আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা (আপিল বিভাগের তৎকালীন বিচারপতি) ডিসেন্টিং রায় দিয়েছেন, খালাস দিয়েছেন। পরবর্তীকালে সিনহা (তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা) তার বেঞ্চ থেকে বিচারপতি ওয়াহহাব মিঞাকে সরিয়ে অন্য বেঞ্চে দিয়েছেন।’

মহসিন রশিদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা চেয়েছিল বিচারটা প্রতীকী করবে। কারণ, সে ইশতেহারে বলেছিল বিচার করবে। এস কে সিনহার বইতে লেখা আছে যে হাসিনা তাকে বলেছিল, এটা প্রতীকী হবে। কিন্তু সিনহা বলেছিল, এটা ওভাবে করলে হবে না, এটা চালিয়ে যেতে হবে। তখন এটা চালিয়ে গিয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালে বিচারিক হত্যাকাণ্ড হচ্ছে। তাই এটি বিলুপ্ত করতে হবে। ২০২৪ সালের সংশোধন করার পর যে মামলাগুলো হচ্ছে, সেগুলো এখানে চলা উচিত না। কারণ, এইটাকে ড. ইউনূস ব্যবহার করেছে। এটা থাকলে অন্য সরকার এসে সংশোধন করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহার করবে। আমি এটাকে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের আদালত বলি। এ জন্য আমি চাই, এটা বিলুপ্ত হোক।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250