বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** দেশে নিপাহর মতোই বাদুড়বাহিত আরেক প্রাণঘাতী ভাইরাসের সন্ধান *** তারেক রহমান অত্যন্ত জনপ্রিয়, তার ক্ষমতাকে কে চ্যালেঞ্জ করবে, প্রশ্ন দ্য ডিপ্লোম্যাটের *** আওয়ামী লীগের ভোটারদের ৪৮ শতাংশ এবার কোন দলকে ভোট দেবেন, যা বলছে জরিপ *** ‘জামায়াত প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থী ইসলামি দল’ *** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি *** আজ ইশতেহার ঘোষণা করবে জামায়াত *** নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে ইসির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ *** গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশনের খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে উদ্বেগ আর্টিকেল নাইনটিনের *** ‘প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে’ *** ভারত থেকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনাসহ অন্য নেতাদের

পে কমিশন থেকে হঠাৎ মাকছুদুর রহমানের পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:৫৮ অপরাহ্ন, ১৫ই জানুয়ারী ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় বেতন কমিশনের খণ্ডকালীন সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অ্যাকাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাকছুদুর রহমান সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ই জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

অধ্যাপক মাকছুদুর রহমান জানান, ২০২৫ সালের ১৮ই আগস্ট অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বেতন কমিশনের প্রথম বৈঠকে মৌখিক নির্দেশনা এবং কমিশনের চেয়ারম্যানের লিখিত নির্দেশের ভিত্তিতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে চার সদস্যের একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিকে তিনটি নির্ধারিত কর্মপরিধির আলোকে সুপারিশমালা প্রস্তুতের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

তিনি আরো জানান, সাব-কমিটি দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাস্তবসম্মত ও ন্যায়সঙ্গত মোট ৩৩টি প্রস্তাবনা প্রণয়ন করে এবং ধাপে ধাপে সেগুলো বাস্তবায়নের সুপারিশ দেয়। প্রতিটি প্রস্তাবনার সঙ্গে যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিস্তারিত ব্যাখ্যাও যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি অধিকাংশ প্রস্তাবে বেতন-ভাতাকে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পারফরম্যান্সের সঙ্গে সংযুক্ত করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

অভিযোগ জানিয়ে মাকছুদুর রহমান জানান, গত ৮ই জানুয়ারি কমিশনের সর্বশেষ সভায় রিপোর্ট চূড়ান্ত হওয়ার পর দেখা যায় যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত প্রস্তাবনাগুলো সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে কিংবা সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তার মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের পথে বড় ধরনের অন্তরায় সৃষ্টি করবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য কার্যকর কোনো অবদান রাখতে না পারার কারণে কমিশনের সদস্য পদে থাকা তার কাছে অর্থহীন হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি কমিশন থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন।

কমিশনের সুপারিশে মেধাবী শিক্ষকদের কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষকতা পেশায় ধরে রাখা যাবে-সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একই সঙ্গে শিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার বিষয়েও কোনো দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়নি।'

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক মাকছুদুর রহমান প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাত এবং সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক (ইনক্লুসিভ) পে কমিশন গঠনের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজনীয় প্রণোদনা নিশ্চিত না করা হলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও উচ্চশিক্ষা খাতে মেধাবীদের আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে না।’

জে.এস/

পে কমিশন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250