শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ব্যাটারির রিকশার সর্বোচ্চ গতি ২৫ কিমি, নিবন্ধন ফি ৮-১০ হাজার টাকা *** ১ লাখ ৩১ হাজার ভোট ব্যবধানে বিজয়ী ধানের শীষ, আজ বিক্ষোভ জামায়াতের *** বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ১৭তম লন্ডন বাংলা বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব *** ভোটকেন্দ্রে জাল ভোটের চেষ্টা, হাতেনাতে ধরা তিন শিক্ষার্থী *** ‘অনেক বিচারক বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুইটায় চলে যান—এটা চলবে না’ *** বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার: এখনই মন্তব্য করতে চান না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** ফের মার্কিন হামলা হলেও কয়েক মাস টিকে থাকার খাদ্য–জ্বালানি মজুত আছে ইরানের *** আজ ঢাকায় গাইবেন পাকিস্তানের মুর্তজা কিজিলবাশ *** দিল্লিতে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানাল ভারত *** শুধু ব্যবস্থা নেওয়া নয়, অপরাধের ঝুঁকি কমানো আমাদের লক্ষ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘শেষ দেখা, শেষ কথা আর হলো না’

বিনোদন প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০৫:২৫ অপরাহ্ন, ১৩ই মে ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের সহকর্মী ছিলেন। একসঙ্গে অনেক কাজ করেছেন। তারিক আনাম খানের কাছে ছিলেন পছন্দের মানুষ, পছন্দের সহকর্মী। একসময় জমত আড্ডা। সেই প্রয়াত অভিনেতা আতাউর রহমানের স্মরণে তারিক আনাম খান ফেসবুকে লিখলেন, ‘সেই হাসিমাখা মুখটাই বারবার স্মৃতিতে ফুটে ওঠে। সেটাই মনে রাখতে চাই।’

তারিক আনাম খান প্রয়াত এই অভিনেতাকে স্মরণ করে লিখেছেন, ‘আজ যাই, কাল যাই করে যাওয়াটা আর হলো না। শেষ দেখা, শেষ কথা আর হলো না। এ রকম অফুরান জীবনীশক্তির মানুষ চলে যাবেন এখনো বিশ্বাস হয় না। হাসিঠাট্টা, তর্ক–বিতর্ক, ভালোবাসা–অভিমান আর কত কত স্মৃতি!’

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে একসঙ্গে মঞ্চে পথ চলেছেন। সব সময় একে অন্যের পাশে থেকেছেন। যেমন দেখেছেন একে অন্যের নাটক, তেমনি নাটক নিয়েও তাদের মধ্যে নিয়মিত আড্ডা হতো। সেই স্মৃতিচারণা করে তারিক আনাম খান লিখেছেন, ‘আতা ভাইয়ের নির্দেশিত ও অভিনীত মঞ্চের বেশির ভাগ নাটক আমার দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। কিন্তু তার থেকে বড় সৌভাগ্য হয়েছে, তিনি আমার নির্দেশিত ও অভিনীত সব নাটক দেখেছেন, সমালোচনা করেছেন, কিন্তু তার থেকে বেশি প্রশংসা করেছেন এবং পত্রিকায় লিখেছেন।’

১৯৭২ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্তর ‘বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ’ নাটকটির মাধ্যমে নাট্যনির্দেশক হিসেবে আবির্ভূত হন আতাউর রহমান। পরবর্তী সময় তার নির্মিত নাটক নিয়মিত দেখার চেষ্টা করতেন তারিক আনাম খান। একসময় তারিক আনাম খানের নাটকগুলো নিয়মিত দেখতেন আতাউর রহমান। ‘তিনি আমাদের নবনাট্য আন্দোলনের এক পথিকৃৎ। “তুঘলক”, “ক্রুসিবল”, “আরজ চরিতামৃত”, “বন্দুক যুদ্ধ, গাধার হাট” নিয়ে তাঁর লেখা নাট্য সমালোচনা আমার স্মৃতিতে উজ্জ্বল এবং আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন।’

তারিক আনাম খান আরও লিখেছেন, ‘আতা ভাই আদ্যোপান্ত থিয়েটারে নিবেদিত একজন মানুষ, কোনো দিন শুনিনি বা দেখিনি দেরি করে রিহার্সালে এসেছেন, প্রদর্শনীতে এসেছেন। আতা ভাই রিহার্সাল কিংবা প্রদর্শনীতে থাকা মানেই মজা আর আনন্দের এক অনন্য পরিবেশ। বয়স কোনো বাধাই নয়। তার সেই হাসিমাখা মুখটাই বারবার স্মৃতিতে ফুটে ওঠে। সেটাই মনে রাখতে চাই। অনন্তলোকে আনন্দে থাকুন আতা ভাই।’

বেশ কদিন ধরেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন আতাউর রহমান। গত সোমবার রাতে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। সত্তরের দশকে ব্যস্ত হয়ে যান সাংস্কৃতিক চর্চায়। একাধিক নাটকে অভিনয় করেন। আতাউর রহমান নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ‘গডোর প্রতীক্ষায়’, ‘গ্যালিলিও’, ‘ঈর্ষা’, ‘রক্তকরবী’, ‘ক্রয়লাদ ও ক্রেসিদা’, ‘এখন দুঃসময়’, ‘অপেক্ষমাণ’-এর মতো নাটকগুলোও নির্দেশনা দিয়েছেন।

তারিক আনাম খান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250