ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনার দেশে ফিরে আসার ইচ্ছার প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সরকার তাকে ধরে নিয়ে আসতে চায়, তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে।
আজ মঙ্গলবার পিআইডি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আলোচনার আগে ভারতকে বিষয়টি শর্ত হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা আসবেন না, তাকে ধরে নিয়ে আসতে চাই। আপনি আসামি, আপনি পলাতক আসামি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার এখন আর আপিল করার সুযোগ নেই। ফলে তিনি দেশে ফিরে বিচার পুনর্বিবেচনার সুযোগও পাবেন না। টেকনিক্যালি এখন ব্যাপারটা এ রকম, তিনি আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে। আমরা তাকে ধরে আনতে চাই।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তে তাৎক্ষণিক কোনো আর্থিক চাপ তৈরি হবে না বলে ব্রিফিংয়ে জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেছেন, বোয়িং কেনার অর্থ পরিশোধ একসঙ্গে করতে হবে না, ধাপে ধাপে দীর্ঘ সময় ধরে পরিশোধ করা হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী এয়ারবাসও কেনা হবে।
বোয়িং কেনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার খুবই খারাপ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি হাতে পেয়েছে এটি সত্য। তবে রাষ্ট্র সংকটে থাকলেও তার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হয়। নতুন বোয়িং কেনার ক্ষেত্রে অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব পড়বে না।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আমরা যে বোয়িং কেনার কথা বলছি, এই বোয়িংগুলোর পেমেন্ট এখন থেকে ধাপে ধাপে অনেক দিন পর্যন্ত হতে থাকবে। আর এই বোয়িংগুলো হাতে পাওয়া আমাদের জন্য লম্বা সময়ের ব্যাপার। সুতরাং এক্ষুণি অল্প সময়ের মধ্যে অনেক টাকা দিয়ে দিতে হবে —বিষয়টা মোটেও তা নয়।
বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাস কেনার সম্ভাবনা নিয়েও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ এয়ারবাসও কিনবে —এমন কথা সরকারের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ বোয়িং পরিচালনা করায় এ উড়োজাহাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সহায়ক জনবল ও কারিগরি সক্ষমতা অনেকটাই প্রস্তুত এবং প্রশিক্ষিত রয়েছে। এ কারণেই বোয়িংয়ের প্রতি কিছুটা বেশি পছন্দ থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে।
খবরটি শেয়ার করুন