সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৩শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা ছাড়া শেখ পরিবারের আর কেউ দেশে ফিরতে আগ্রহী নন, বিদেশেই নিরাপদ আশ্রয়ে তারা *** বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী *** বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিকের ইতালি যাওয়ার সুযোগ আছে: মীর শাহে আলম *** সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের *** ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু ২৯ অক্টোবর, অংশ নেবে ২০টি দেশ *** সড়ক নিরাপত্তার প্রকল্পে সুফল চাই, আনুষ্ঠানিকতা নয়: সড়কমন্ত্রী *** প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি স্থগিত *** বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল *** হরমুজ প্রণালির বাইরে নতুন ‘নিষিদ্ধ’ সামুদ্রিক অঞ্চল ঘোষণা করবে ইরান *** মায়ামি বিমানবন্দরে আমাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা ছাড়া শেখ পরিবারের আর কেউ দেশে ফিরতে আগ্রহী নন, বিদেশেই নিরাপদ আশ্রয়ে তারা

নবনীতা রায়

🕒 প্রকাশ: ০৭:২৫ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

#

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শেখ পরিবারের অধিকাংশ সদস্য এখনো দেশের বাইরে। তাদের কেউ ভারত, কেউ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা বা সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। দেশে থাকার সময় যারা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, সংসদ সদস্য, মেয়র বা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের অধিকাংশই দেশে ফিরে এসব মামলার মুখোমুখি হওয়ার কোনো আগ্রহ দেখাননি বলে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ সূত্র সুখবর ডটকমকে জানিয়েছে।

এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একটি মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ও হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেছেন, তিনি দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। তবে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার আগ্রহের কথা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শেখ হাসিনার এই ঘোষণার সঙ্গে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের অবস্থানের একটি স্পষ্ট পার্থক্যও তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় শেখ পরিবারের একাধিক সদস্য রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি ছিলেন। তাদের কেউ সংসদ সদস্য, কেউ মন্ত্রী পদমর্যাদার দায়িত্বে, কেউ মেয়র, আবার কেউ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার, ব্যবসা-বাণিজ্যে সুবিধা নেওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারপ্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানা। এরপর শেখ রেহানা ভারত ও যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন বলে আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন। তিনি যুক্তরাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা এবং ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী। দেশে ফেরার বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। শেখ হাসিনার সরকারে তিনি তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রকাশ্যে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রেই ছিলেন। সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি একাধিকবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন। তবে দেশে ফেরার কোনো ঘোষণা দেননি।

শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংস্থাটির আঞ্চলিক কার্যালয় নয়াদিল্লিতে হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতে অবস্থান করছেন। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তাকে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠানো হলেও বেতন-ভাতা চালু রয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, তিনি ভারত ও দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। দেশে ফেরার বিষয়ে তারও কোনো আগ্রহের কথা জানা যায়নি।

শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সময় তিনি থাইল্যান্ডে ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য। তার স্ত্রী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার দেশে ফেরার কোনো উদ্যোগের কথা প্রকাশ্যে আসেনি।

শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক ব্রিটিশ নাগরিক এবং যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের সদস্য। তার আরেক মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীও যুক্তরাজ্যের নাগরিক। শেখ পরিবারের এই সদস্যদের কারও দেশে ফেরার কোনো ঘোষণা নেই।

শেখ পরিবারের বাইরে হাসিনা সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত আত্মীয়দের অবস্থাও একই রকম। শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ ফজলুল করিম সেলিম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ সদস্য ছিলেন। তার ছেলে শেখ ফজলে ফাহিম ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি। আরেক ছেলে শেখ ফজলে নাঈম যুবলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ সেলিমের পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে চলে যান। ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার কোনো ঘোষণা তাদের পক্ষ থেকে আসেনি।

শেখ ফজলুল হক মনির ছেলে শেখ ফজলে শামস পরশ যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন। সরকার পতনের আগে তিনি কানাডা থেকে দেশে এসে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। ৫ আগস্টের পর ভারত হয়ে কানাডায় চলে যান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য। পরে তিনি আবার ভারতে গেছেন বলেও জানা গেছে। তার ছোট ভাই শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র। আওয়ামী লীগের সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই দিন আগে, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট সকালে তিনি সিঙ্গাপুর যাওয়ার চেষ্টা করেন।

তাপসের বিদেশ যাওয়ার সেই চেষ্টার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে শেখ হাসিনার সঙ্গে তার একটি ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়ার পর। ফোনালাপে তাপস শেখ হাসিনার কাছে সিঙ্গাপুর যাওয়ার অনুমতি চান। কথোপকথন অনুযায়ী, তিনি বিমানবন্দরে ছিলেন এবং ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে আটকে দিয়েছিল। পরে তিনি বিদেশে যেতে সক্ষম হন। তখন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠেছিল এবং ৫ আগস্টের মাত্র দুই দিন আগে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরিস্থিতি স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।

শেখ হাসিনার আরেক ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ দীর্ঘদিন বরিশাল অঞ্চলের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিলেন। তার ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র। সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও তার পরিবারের কয়েক সদস্য ভারতে চলে যান বলে বিভিন্ন সূত্রের তথ্য। সাদিক আবদুল্লাহ পরে ভারত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন বলে ধারণা করা হয়। তাদের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ ও মামলা রয়েছে। কিন্তু দেশে ফিরে সেসব মোকাবিলা করার কোনো ঘোষণা তাদের পক্ষ থেকে পাওয়া যায়নি।

শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন ও শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলও দীর্ঘদিন খুলনা অঞ্চলের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিলেন। দুজনই সংসদ সদস্য ছিলেন। শেখ হেলালের ছেলে শেখ তন্ময়ও সংসদ সদস্য ছিলেন। সরকার পতনের পর তারা ভারতে চলে গেছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় তাদের অবস্থানের কথাও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের অবস্থান নিয়েও নানা তথ্য রয়েছে। তবে তাদের কেউ দেশে ফেরার ঘোষণা দেননি।

শেখ হাসিনার ফুফাতো বোনের দুই ছেলে নূর-ই আলম চৌধুরী ও মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনও আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন। নূর-ই আলম চৌধুরী সংসদের চিফ হুইপ ছিলেন। মুজিবুর রহমান চৌধুরী ছিলেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ও যুবলীগের সাবেক নেতা। সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তারা আত্মগোপনে চলে যান এবং পরে ভারতে অবস্থান করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য।

শেখ পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ও বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন বলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। কেউ ভারত, কেউ সিঙ্গাপুর, কেউ যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, যিনি শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের সাবেক শ্বশুর, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে আছেন বলে জানা গেছে। সাবেক সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে তার বিরুদ্ধেও নানা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিযোগ রয়েছে।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রগুলোর দাবি, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে ও পরে শেখ পরিবারের অনেক সদস্য সীমান্তপথে দেশ ছাড়তে সক্ষম হন। সাতক্ষীরা, সিলেট ও ময়মনসিংহ সীমান্ত ব্যবহার করে কেউ কেউ ভারতে গেছেন বলেও দলের নেতারা জানিয়েছেন। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অর্থের বিনিময়ে তাদের দেশত্যাগের সুযোগ তৈরি হয়েছিল—এমন অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই অবশ্য সম্ভব হয়নি।

শেখ পরিবারের সদস্যদের এই নিরাপদে দেশ ছাড়ার বিষয়টি আওয়ামী লীগের সাধারণ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের কারণ হয়ে উঠেছে। কারণ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দলের বহু নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন, অনেকে আত্মগোপনে রয়েছেন, আবার অনেকে মামলা মোকাবিলা করছেন। সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি বড় অংশ কারাগারে রয়েছেন।

কাজী জাফর উল্যাহ, আব্দুর রাজ্জাক, ফারুক খান, শাজাহান খান, কামরুল ইসলাম, দীপু মনি, আহমদ হোসেন ও আবদুস সোবহান গোলাপসহ আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা কারাগারে আছেন। শেখ হাসিনার সরকারের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলকও কারাগারে রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন।

অন্যদিকে শেখ পরিবারের যেসব সদস্য গত দেড় দশকে ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি ছিলেন, তাদের অধিকাংশই এখন দেশের বাইরে। ফলে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—ক্ষমতার সময় সুবিধা নেওয়া এবং দল ও সরকারের প্রভাবশালী অবস্থানে থাকা ব্যক্তিরা সংকটের সময় কেন সাধারণ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে থাকছেন না।

রাজনীতিবিষয়ক লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদের ভাষায়, শেখ হাসিনার রাজনীতিতে ক্ষমতা ও জ্ঞাতিগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব ছিল। তার মতে, ক্ষমতায় থাকার সময় শেখ পরিবারের সদস্যরা নানা সুবিধা পেয়েছেন এবং সরকার পতনের সময় তাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগও তৈরি হয়েছে।

এদিকে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার ঘোষণা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি নিজেই বলেছেন, মামলা ও মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি জেনেও দেশে ফিরতে চান এবং আদালতের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। কিন্তু তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রস্তুতির কথা প্রকাশ্যে আসেনি।

অর্থাৎ, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জানালেও শেখ পরিবারের অন্য সদস্যরা আপাতত বিদেশের নিরাপদ অবস্থানেই থাকতে চাইছেন। ক্ষমতায় থাকার সময় রাষ্ট্র ও আওয়ামী লীগের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এই পরিবারের সদস্যদের সামনে এখন মূল প্রশ্ন—তারা দেশে ফিরে অভিযোগ, মামলা ও রাজনৈতিক বিরোধের মুখোমুখি হবেন, নাকি বিদেশেই অবস্থান করবেন? ডিসেম্বর ঘিরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা যতই আলোচনায় আসছে, পরিবারের অন্য সদস্যদের নীরবতাও তত বেশি চোখে পড়ছে।

শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা ছাড়া শেখ পরিবারের আর কেউ দেশে ফিরতে আগ্রহী নন, বিদেশেই নিরাপদ আশ্রয়ে তারা

🕒 প্রকাশ: ০৭:২৫ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৈধভাবে বছরে ১০ হাজার শ্রমিকের ইতালি যাওয়ার সুযোগ আছে: মীর শাহে আলম

🕒 প্রকাশ: ০২:৫১ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

৪ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করেছে আমিরাত, সমাধানের চেষ্টা চলছে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক

🕒 প্রকাশ: ০২:৪৬ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি ভুলে সমঝোতার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

🕒 প্রকাশ: ০২:৪১ অপরাহ্ন, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250