শনিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জার্মানিতে ‘নব্য-নাৎসিদের উত্থান’ দেখে আতঙ্কিত ইউরোপ, বদলে যাচ্ছে কি রাজনীতির সমীকরণ *** প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর কেন সংক্ষিপ্ত হচ্ছে *** প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে বাস করা গোলাপি বেগম *** রাজধানীতে ৪ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন *** দুই দেশের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে পলাতক নানকের বিলাসী জীবন *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের বৈঠক রাত ৯টায়: দ্য ওয়াল *** তেজগাঁওয়ে মসজিদে গোপন বৈঠক, জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩ *** দিল্লিতে আওয়ামী লীগের পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলের গুজব, নেপথ্যে কাদের–নানকপন্থীরা? *** দ্য উইকের দাবি: দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল হলো কেন *** শেখ হাসিনা আমলের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে ঢাকা, কী বলছে নয়াদিল্লি

একাধিক সোনার বার আনতে পারবেন না প্রবাসীরা, ব্যাগেজ রুলস সংশোধন হচ্ছে

বিশেষ প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১০:০৩ অপরাহ্ন, ১৯শে মে ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসে সংশোধনী আনা হচ্ছে। নতুন আইনের আওতায় বিদেশফেরত যাত্রীরা একটির বেশি সোনার বার (১৫০ গ্রাম) দেশে আনতে পারবেন না। আনলে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে। মূলত বৈধভাবে সোনা আমদানি উৎসাহিত করতে এবং রেমিট্যান্সপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে আগামী বাজেটে ব্যাগেজ রুলসে এই সংশোধন আনা হচ্ছে। এ ছাড়া আয়কর ফাঁকি বন্ধে কম্পানির মতো ফার্মের রিটার্ন জমা দেওয়াও বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

বর্তমানে ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় বিনা শুল্কে ১০০ গ্রাম (সাড়ে আট ভরি) ওজনের স্বর্ণালংকার আনতে পারেন। তবে অলংকার আনা যায় ১২টি। আর ভরিপ্রতি দুই হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে ২৩৪ গ্রাম (২০ ভরি) ওজনের সোনার বার আনতে পারেন।

সূত্রে জানা যায়, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ২০২২ সালে প্রায় ৫৪ টন (প্রায় ৪৬ লাখ ভরি) সোনা বাংলাদেশে আনা হয়েছে, ২০২১ সালের তুলনায় যা ৫৩ শতাংশ বেশি। যার বর্তমান বাজারমূল্য ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। ২০২০ সালে এসেছে সাড়ে পাঁচ টন সোনা।

গত বছর একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাগেজ রুলসের আওতায় বিদেশ থেকে সোনা আনতে প্রবাসে কর্মরত একটি সংঘবদ্ধ চক্র বা সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। দেশে ফিরে আসার সময় প্রবাসী শ্রমিকরা ক্যারিয়ার গ্রুপ হিসেবে সিন্ডিকেটের কাছ থেকে নির্দিষ্ট কমিশনের বিনিময়ে সোনা বহন করেন। অথবা সিন্ডিকেট প্রবাসীদের কাছ থেকে ডলার তুলনামূলক বেশি দামে কিনে নিয়ে ওই দেশেই স্বর্ণের দেনা পরিশোধ করে এবং বাড়তি মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ব্যাগেজ রুলের আওতায় সোনা নিয়ে দেশে ফিরতে উৎসাহিত করছে। এতে আরো বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রায় রেমিট্যান্স না পাঠিয়ে সোনা আনলে প্রবাসীরা কয়েকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

প্রথমত, তাঁরা কম দামে সোনা এনে বেশি দামে বিক্রি করছেন। দ্বিতীয়ত, বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে ব্যাংকের চেয়ে বেশি দাম পাচ্ছেন। তৃতীয়ত, রেমিট্যান্সের অর্থ পেতে প্রবাসীকে কোনো খরচ করতে হচ্ছে না।

অন্যদিকে সোনার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার করা হয়ে থাকে। উভয় ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) নেতারা বলছেন, এখন ডলারসংকট চলছে। দেখা যাচ্ছে, যাঁরাই বিদেশ থেকে আসছেন সবাই সোনার বার নিয়ে আসছেন; কিন্তু রেমিট্যান্স আসছে না। তা ছাড়া সরকারও বৈধ পথে সোনার বার আমদানিকে উৎসাহিত করতে ডিলার লাইসেন্স দিয়েছে। যদিও সেটি আমদানিবান্ধব নয়। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্তে প্রবাসীরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে।

সম্প্রতি দেশে সোনার প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ ও ব্যাগেজ রুলসের অপব্যবহার নিয়ে সমীক্ষা পরিচালনার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বাজুসের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ব্যাগেজ রুলসের আওতায় পরিবারের মানুষের জন্য ১০০ গ্রাম সোনা আনা হয়, সেটা ঠিক আছে। বিদেশ থেকে সোনা কেনার সময় যে ক্রয় রসিদ দেওয়া হয়, সোনা পাচারকারীরা বিভিন্ন যাত্রীর হাতে সেই ক্রয় রসিদ ও সোনা দিয়ে দেয়। পরে বিমানবন্দরে তাদের লোকজন রসিদসহ সোনা নিয়ে যাত্রীদের কিছু টাকা দিয়ে দেয়। আবার একই রকম ক্রয় রসিদ দেশেও তো তৈরি করতে পারে অসাধু লোকজন। তাই আমরা ব্যাগেজ রুলস বন্ধ করার দাবি জানাই।’

আনোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশে সোনার চাহিদা আছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ মেট্রিক টন। বাকি সোনা পাচার করা হচ্ছে। একে কেন্দ্র করে মানি লন্ডারিং হচ্ছে। রেমিট্যান্স কমছে। তবে যাঁরা ১০০ গ্রাম সোনা আনে, সেগুলোও যাতে অবশ্যই যাচাই-বাছাই করা হয়।

আরো পড়ুন: গাড়ি রপ্তানিতে জাপানকে টপকে গেল চীন

এদিকে আগামী বাজেটে ট্রাস্টের আয়ের বিপরীতে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিভিন্ন কোম্পানি কর ফাঁকির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন নামে ট্রাস্ট গঠন করে নিজস্ব আয় গোপন করে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে লেনদেন করে। ফলে ট্রাস্ট রিটার্ন দাখিল না করে ট্রাস্ট এবং ট্রাস্ট জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কর ফাঁকি দিচ্ছে।

এম এইচ ডি/ আই. কে. জে/

সোনার বার প্রবাসী ব্যাগেজ রুলস বাজেট স্বর্ণালংকার

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

জার্মানিতে ‘নব্য-নাৎসিদের উত্থান’ দেখে আতঙ্কিত ইউরোপ, বদলে যাচ্ছে কি রাজনীতির সমীকরণ

🕒 প্রকাশ: ০২:২২ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাহাড়ের আত্মকথা ও মূলধারার সেতুবন্ধন: ‘নির্বাচিত নাটক: মৃত্তিকা চাকমা’

🕒 প্রকাশ: ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর কেন সংক্ষিপ্ত হচ্ছে

🕒 প্রকাশ: ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে বাস করা গোলাপি বেগম

🕒 প্রকাশ: ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীতে ৪ এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার বাসে আগুন

🕒 প্রকাশ: ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৬

Footer Up 970x250