শনিবার, ২৮শে মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৪ই চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক চলছে *** ৫ আগস্টের আগে ও পরে পুলিশ হত্যার বিচার হবে: আইজিপি *** শরীয়তপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগ *** ঝিনাইদহে স্বাধীনতা দিবসে ইউএনওর বক্তব্যে বিএনপির ক্ষোভ, ভিডিও ভাইরাল *** মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবজনক অর্জন, এর সঙ্গে অন্য ঘটনা মেলানোর সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী *** স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে, কোনোভাবেই ছাড় হবে না: মির্জা ফখরুল *** আলোচনার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে: প্রধানমন্ত্রী *** ড. ইউনূস ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারেননি কেন? *** সরকার এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী *** তেল সরবরাহ স্বাভাবিক, তবে কালোবাজারির প্রভাব আছে: জ্বালানিমন্ত্রী

তথ্য ফাঁসে রাষ্ট্রের বড় ক্ষতি হয়েছে: পলক

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ০১:৫২ অপরাহ্ন, ৯ই জুলাই ২০২৩

#

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক - ছবি: টিভি থেকে নেওয়া

সরকারি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য ফাঁসের ঘটনায় রাষ্ট্রের বড় ক্ষতি হয়েছে জানিয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সংশ্লিষ্ট দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (৯ জুলাই) সকালে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান শেষে তিনি একথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে পোর্টালের তথ্যগুলো পাবলিক হয়ে গেছে সেখানে ন্যূনতম যে সিকিউরিটি থাকার কথা ছিল তা ছিল না। সতর্ক করা সত্ত্বেও আমলে নেয়নি সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা। তাদের গাফিলতিতে রাষ্ট্রের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

কোন মন্ত্রণালয়ের কোন দফতরের ওয়েবসাইট থেকে তথ্য ফাঁস হয়েছে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের নাম উল্লেখ করেননি তিনি।

লাখো নাগরিকের তথ্য ফাঁসের ঘটনা কোনো হ্যাক নয়, বরং কারিগরি ত্রুটির কারণেই তথ্যগুলো দেখা যাচ্ছে জানিয়ে পলক বলেন,

সাইবার ক্রিমিনালরা কোনো তথ্য নিয়ে গেছে বলে আমরা এখনও প্রমাণ পাইনি। আমরা যেটা পেয়েছি যে সরকারের সেই ওয়েবসাইটটিতে যান্ত্রিক দুর্বলতা ছিল। যার ফলে তথ্যটা খুব সহজেই দেখা যাচ্ছিল।

তিনি বলেন, ২৯টি সংকটপূর্ণ প্রতিষ্ঠান আমরা ঘোষণা করেছিলাম সেটার সংখ্যা কিন্তু ধাপে ধাপে বাড়ছে। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাইবার হামলার পর যাতে আমাদের ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি হয়েছিল, তার পরেই আমরা সাইবার সিকিউরিটির গুরুত্ব অনুভব করতে পেরেছিলাম। এই ২৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭ নম্বর তালিকায় যেই প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা আইডেনটিফাই করেছিলাম সেই প্রতিষ্ঠানটিই কিন্তু এমন অবস্থায় পড়ল।

 উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের একটি ওয়েবসাইট থেকে কয়েক লাখ নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য ‘ফাঁস’ হয়েছে। যেখানে অনেকের পুরো নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরও রয়েছে।

শুক্রবার (৮ জুলাই) প্রযুক্তিবিষয়ক মার্কিন ওয়েবসাইট পত্রিকা টেকক্রাঞ্চ এমন খবর দিয়েছে। এ নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশের ই-গভর্নমেন্ট কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের (সার্ট) প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান সময় সংবাদকে বলেন, ‘বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’

ভিক্টর মার্কোপোলাস নামের একজন সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক জানান, গেল ২৭ জুন আকস্মিকভাবে তিনি এই ফাঁস হওয়ার ঘটনা জানতে পারেন। পরে সার্টের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করেন।

বিটক্র্যাক সাইবার নিরাপত্তা কোম্পানিতে গবেষক হিসেবে কাজ করেন মার্কোপোলাস। তিনি আরও বলেন, ‘লাখ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের উপাত্ত ফাঁস হয়েছে।’

আক্রান্ত ওয়েবসাইটের ‘পাবলিক সার্চ টুল’ ব্যবহার করে এই ফাঁসের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে টেকক্রাঞ্চ। এতে ফাঁস হওয়া তথ্যভাণ্ডারের মধ্যে থাকা অন্য তথ্যগুলোও ওই ওয়েবসাইটে পাওয়া গেছে। যেমন নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা ব্যক্তির নাম, কারও কারও বাবা-মায়ের নাম পাওয়া গেছে। ১০টি ভিন্ন ধরনের ডেটা ব্যবহার করে এ পরীক্ষা চালায় টেকক্রাঞ্চ।

আরো পড়ুন: তথ্য ফাঁসের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তথ্যগুলো এখনও অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। যে কারণে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের নাম উল্লেখ করেনি টেকক্রাঞ্চ। এই উপাত্ত ফাঁস হওয়ার ঘটনায় সতর্ক করতে ও মন্তব্য জানতে বাংলাদেশ সরকারের কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া পায়নি টেকক্রাঞ্চ।

এম/


জুনাইদ আহমেদ পলক

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250