মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী *** জামায়াতকে ‘লংমার্চ’ স্থগিতের অনুরোধ শাহবাজের, দিলেন যে প্রস্তাব *** ‘শেখ হাসিনা কেন এখনো এনডিটিভির চোখে প্রধানমন্ত্রী’ *** গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত পুলিশের ব্যবস্থা দেখে *** এত কিছুর পরেও গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ থাকে কীভাবে: টিআইবি *** ঋণ পরিশোধ না করায় মেসির নতুন ক্লাবের শেয়ার জব্দ *** লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব *** বর্তমান সরকারের জন্য এয়ারবাস হলো ‘পরীক্ষা’: ফরাসি রাষ্ট্রদূত *** আসাদ আলম সিয়ামকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার করার সিদ্ধান্তে সম্মতি ভারতের *** কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, পরে বিতরণ শুরু

নির্বাচন হতে পারে ৬-৯ জানুয়ারির মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক

🕒 প্রকাশ: ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, ৬ই নভেম্বর ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন ৬ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে যে কোনো একদিন সম্ভাব্য ভোটের দিন হিসেবে করে তাদের শেষ সময়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। তবে, অনেক রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞ বলছেন, নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।

নির্বাচন কমিশন সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, কমিশন বেশ কয়েকটি সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করছে। তবে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর।

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান বলেন, 'ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে বা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোটের তারিখ রেখে নভেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দিক থেকে প্রস্তুতিমূলক সব কাজ প্রায় শেষের দিকে।'

নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান গত সেপ্টেম্বরে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। তবে, তিনি এটাও জানিয়েছিলেন যে ভোটগ্রহণের দিন বা অন্যান্য বিষয় তখনো চূড়ান্ত হয়নি।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ৯ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং ১৩ বা ১৪ নভেম্বর তফসিল ঘোষণা করবেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের দেখা করার পর তফসিল ঘোষণার রেওয়াজ আছে।

চলতি মাসের শুরুতে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের সঙ্গে দেখা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। কমিশনাররা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা, বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও ২৭টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার দিন থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত ৬৫ দিন সময় রাখার পরিকল্পনা করছেন। এই সময়ের মধ্যে কর্মকর্তারা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করবেন এবং যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যাবে তাদের আবেদন নিষ্পত্তি করবেন। প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য প্রায় তিন সপ্তাহ সময় পাবেন।

তফসিল ঘোষণার কয়েকদিন আগে নির্বাচন কমিশন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। তারা আরও জানান, বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচনের দিন সকালে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে।

প্রস্তুতি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন ১০টি নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ করেছে, দুটি নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দিয়েছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছে, ৪২ হাজার ৩৫০টি ভোটকেন্দ্রের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে, নির্বাচনী সামগ্রীর বেশিরভাগ জেলাগুলোতে পাঠিয়ে দিয়েছে, আইন সংশোধন করেছে, ৬৭টি স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকের অনুমোদন দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের কাছ থেকে আবেদন চেয়েছে।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন।

আই. কে. জে/ 


নির্বাচন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250