শুক্রবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৮ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার *** ‘খুলনা, বরিশাল, রাজশাহীকে আওয়ামী লীগের সরকার বিদেশের মতো বানিয়েছে’ *** প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন *** বাণিজ্যচুক্তি বাস্তবায়ন ও প্রতিরক্ষা চুক্তি করার আহ্বান জানালেন ট্রাম্প *** মৌলবাদ সামাল দিতে আওয়ামী লীগকে ছাড় দেবে বিএনপি: বদিউর রহমান *** রমজানের প্রথম দিনেই ২০ টাকা হালি লেবুর দাম বেড়ে ১২০ *** বাসসের এমডি মাহবুব মোর্শেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন *** এইচএসসি পরীক্ষার ফি বাড়ল ২১০ টাকা *** শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে যা জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী *** সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া চাঁদা নয়, বাধ্য করা হলে চাঁদা: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

জলবিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে ব্যর্থ, কয়লার দিকে ঝুঁকেছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

🕒 প্রকাশ: ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, ২২শে জুন ২০২৩

#

ছবি: সংগৃহীত

২০২২ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে দক্ষিণে কম বৃষ্টিপাতের ফলে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি মেটাতে চীন কয়লাচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি বায়ু এবং সৌর বিদ্যুতের দিকে ঝুঁকেছে। এর ফলে প্রথম পাঁচ মাসেই চীনের উৎপাদন ১৭৩০ কোটি কিলোওয়াট-ঘন্টা (৫.৩%) বেড়েছে।

বেশিরভাগ কয়লা-চালিত তাপীয় জেনারেটর (১৪৯০ কোটি কিলোওয়াট-ঘন্টা), বায়ু খামার (৭৯০ কোটি কিলোওয়াট-ঘন্টা) এবং সৌর জেনারেটর (১৯০ কোটি কিলোওয়াট-ঘন্টা) বিদ্যুৎ উৎপাদন করায় জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ৮২০ কোটি কিলোওয়াট-ঘন্টার কমতি পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।

২০২০ সালে, দক্ষিণ চীনের দুটি প্রদেশ সিচুয়ান (৩৫৪০ কোটি কিলোওয়াট ঘন্টা) এবং ইউনান (২৯৬০ কোটি  কিলোওয়াট ঘন্টা) দেশের মোট জলবিদ্যুৎ শক্তির (১৩৫২০ কিলোওয়াট ঘন্টা) প্রায় অর্ধেক উৎপাদন করেছিল।

কিন্তু সিচুয়ান-ইউনান সীমান্তের ইবিনে ২০২২ সালের দ্বিতীয়ার্ধে মোট বৃষ্টিপাত ছিল মাত্র ৩৩৬ মিলিমিটার, যেখানে ২০১৪-২০২১ সালের মৌসুমী গড় বৃষ্টিপাত ৭৬৫ মিলিমিটার ছিল।  আগের নয় বছরের গড় ২৯১ মিলিমিটারের তুলনায়, ২০২৩ সালের প্রথম পাঁচ মাসে বৃষ্টিপাত ছিল ২৪৪ মিলিমিটার। ফলে জলাধার এবং নদীর স্তর ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে।

এর ফলে নতুন বাঁধ এবং জেনারেটিং স্টেশন চালু হওয়া সত্ত্বেও ২০১৫ সাল থেকে এ যাবতকালে সর্বনিম্ন জলবিদ্যুৎ উৎপাদন হয় ২০২৩ সালের প্রথম পাঁচ মাসে।

দক্ষিণ চীনের খরা এবং জলবিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাসের ফলে চীন সরকার কয়লা খনি শ্রমিকদের উৎপাদন সর্বাধিক করা এবং কয়লা চালিত জেনারেটরের জ্বালানি মজুদ করার দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন।

২০২৩ সালের প্রথম পাঁচ মাসে কয়লা খনির উৎপাদন ৯৮০ লাখ টন (৫.৪%) বৃদ্ধি পেয়ে ১৯১২০ লাখ টন হয়েছে, যা তাপ উৎপাদন বৃদ্ধির (৬.৬%) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। 

বায়ু এবং সৌর থেকে পুনর্নবীকরণযোগ্য উৎপাদনও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বল্প মেয়াদে এবং দ্রুত ক্রমবর্ধমান বৈদ্যুতিক চাহিদা মেটাতে এবং সঞ্চালন বজায় রাখার জন্য কয়লা অপরিহার্য।

স্বল্পমেয়াদী চাহিদা বৃদ্ধি এবং নির্ভরযোগ্যতার প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য বিপুল সংখ্যক নতুন কয়লা-চালিত প্ল্যান্ট অনুমোদিত এবং নির্মিত হচ্ছে যদিও সরকার মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদে কয়লা-চালিত উৎপাদনের অংশ হ্রাস করার পরিকল্পনা করছে।

আরো পড়ুন: চীনা প্রেসিডেন্টকে স্বৈরশাসক আখ্যা দিলেন বাইডেন

প্রাথমিক শিল্পের ব্যবহার ১১% বেড়েছে, অন্যদিকে পরিষেবা খাত ১০% বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু উৎপাদন মাত্র ৫% এবং পরিবারের চাহিদা ১% বেড়েছে। চীন ইলেকট্রিসিটি কাউন্সিলের তথ্য অনুসারে উচ্চ-প্রযুক্তি এবং সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যবহার ৮% বেড়েছে এবং ভোগ্যপণ্যে ব্যবহার ৩% বেড়েছে।

এম এইচ ডি/ আই.কে.জে/

জলবিদ্যুৎ কয়লা চীন

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

Footer Up 970x250