ফাইল ছবি
তারেক রহমানের নির্বাচিত নতুন সরকারকে বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাবও যুক্ত হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে—এমন স্পষ্ট লক্ষণ রয়েছে।
একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরা যদি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে, তাহলে তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া-ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটের ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তাবিষয়ক জ্যেষ্ঠ নীতি ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক গ্রেস করকোরান গত ১৭ আগস্ট লোয়ি ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তার বিশ্লেষণে এমন আশঙ্কার কথা বলেছেন। ‘হাসিনাস হোমকামিং প্লেজ ইজ আ হেডেক ফর নিউ দিল্লি’—শিরোনামের ওই লেখায় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণা, বাংলাদেশে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক, চীনের সঙ্গে ঢাকার ঘনিষ্ঠতা এবং দিল্লির জন্য তৈরি হওয়া কৌশলগত জটিলতা বিশ্লেষণ করেছেন। করকোরান অস্ট্রেলিয়া-ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটের নিরাপত্তা ও ভূরাজনীতি দলের গবেষক ও জ্যেষ্ঠ নীতি ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবেও কাজ করছেন।
করকোরানের বিশ্লেষণের মূল বিষয় শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা। গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে সাউথ এশিয়ার ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভিডিও বক্তব্যে শেখ হাসিনা ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি ভারতে চলে যান। এরপর থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন।
২০২৫ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেন। জাতিসংঘের তদন্তে বলা হয়েছিল, ওই আন্দোলন দমনের সময় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়ে থাকতে পারেন। শেখ হাসিনা অবশ্য তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও বিচারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দেশে ফেরার ঘোষণা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে গুরুত্ব পেয়েছে।
করকোরানের মতে, দেশে ফিরে শেখ হাসিনা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জাতীয় পুনর্মিলনের কথা বলেছেন। কিন্তু তার এই রাজনৈতিক লক্ষ্য বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। কারণ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি বিপুল বিজয় অর্জন করে সরকার গঠন করেছে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ফলে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে সক্রিয় রাজনীতিতে যাওয়ার চেষ্টা করলে তা শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাবর্তন হিসেবে থাকবে না; বরং বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের জন্য সরাসরি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
এ কারণেই করকোরান লিখেছেন, “হাসিনার দেশে ফেরা যদি সরাসরি তারেক রহমানের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে, তাহলে তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।” তার বিশ্লেষণে এই আশঙ্কা শুধু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়; বরং এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তরের অসমাপ্ত অধ্যায়কে আবার সামনে নিয়ে আসতে পারে।
করকোরান একই সঙ্গে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন। তার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নতুন সরকার এমন এক অর্থনীতি পেয়েছে, যেখানে বড় ধরনের চাপ রয়েছে। এর সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব যুক্ত হয়েছে। টিআইবির ৭ জুনের মূল্যায়নেও বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনে সংস্কার, জবাবদিহি ও সুশাসন নিয়ে উদ্বেগের কথা বলা হয়েছিল।
টিআইবি বলেছে, সরকারের কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকলেও বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে। প্রথম ১০০ দিনে ১৮৮ সাংবাদিক ১৩০টি ঘটনায় হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছিল।
তবে করকোরানের বিশ্লেষণকে বাংলাদেশের পরিস্থিতির একমাত্র ব্যাখ্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে একই ঘটনাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখা হয়েছে। যেমন, রয়টার্স ১৬ আগস্টের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে আলোচনা চললেও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সফরের জন্য অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন। একই প্রতিবেদনে ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ তারা পেয়েছে এবং বিষয়টি ভারতের নিজস্ব আইনি কাঠামোর আলোকে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
অর্থাৎ দিল্লির নীতিকে শুধু শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে না। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জুলাইয়ে বলেছিলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ একটি আইনি বিষয় এবং তা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যেই বিবেচনা করা হবে। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে ভারতের এই অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান দুই দেশের সম্পর্কে একটি বড় বিরক্তির কারণ হয়ে রয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ান ৬ আগস্টের এক প্রতিবেদনে দেখিয়েছে, শেখ হাসিনার দিল্লির বক্তব্যের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন করে চাপে পড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে ভারতের অবস্থানও তুলে ধরা হয়েছে—দিল্লি বলেছে, ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন বা বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। অর্থাৎ শেখ হাসিনাকে ভারতে থাকতে দেওয়া এবং তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ সমর্থন—এই দুটি বিষয়কে এক করে দেখা যায় না।
আবার শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাব্য নিরাপত্তা নিয়েও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে। সাম্প্রতিক গার্ডিয়ান প্রতিবেদনে ভারতসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশের সম্ভাব্য ভূমিকার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর তাৎপর্য হলো, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে কেবল ঢাকা-দিল্লির দ্বিপক্ষীয় সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং তার নিরাপত্তা, বিচারপ্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণও তৈরি হয়েছে। ফলে ডিসেম্বরের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন বাস্তবে ঘটলে বিষয়টি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে।
করকোরানের বিশ্লেষণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভারত-চীন প্রতিযোগিতা। তার মতে, শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের ওপর প্রভাব বিস্তার নিয়ে ভারত ও চীনের বৃহত্তর প্রতিযোগিতা থেকে আলাদা করে দেখা কঠিন হয়ে উঠছে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারেক রহমান তার প্রথম বড় বিদেশ সফরের জন্য চীনকে বেছে নেন।
জুনের ওই সফরে চীনের সঙ্গে অবকাঠামো, অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া-ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটের ৪ আগস্টের এক বিশ্লেষণেও তারেক রহমানের চীন সফরকে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বহুমুখী করার ইঙ্গিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল।
সেখানেই নয়াদিল্লির জন্য শেখ হাসিনার অবস্থানের জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করেন করকোরান। তার যুক্তি, শেখ হাসিনা ভারতের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন। তার সরকারের সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা, যোগাযোগ ও আঞ্চলিক সংযোগের ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সেই সম্পর্কের ভিত্তি দুর্বল হয়েছে। নতুন সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চাইলেও হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নটি দুই দেশের মধ্যে আস্থার ঘাটতি বাড়িয়ে চলেছে।
করকোরানের ভাষায়, “হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে যাওয়া একদিকে সাবেক মিত্রের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ধরে রাখছে; অন্যদিকে এতে তারেক রহমানের সরকারের সঙ্গে অবিশ্বাস আরও গভীর হওয়ার এবং বাংলাদেশকে বেইজিংয়ের আরও কাছে ঠেলে দেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।” তার এই বক্তব্যের মধ্যেই তার বিশ্লেষণের মূল রাজনৈতিক হিসাবটি স্পষ্ট।
তার মতে, দিল্লির জন্য বিষয়টি শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া বা প্রত্যর্পণ করার সরল সিদ্ধান্ত নয়; বরং এর সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব—তিনটি বিষয়ই জড়িত।
তবে এই বিশ্লেষণের বিপরীত দিকও রয়েছে। তারেক রহমান সরকার একদিকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে চীনসহ অন্য অংশীদারদের সঙ্গেও সম্পর্ক বাড়াচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া-ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউটের আরেক বিশ্লেষণেও বলা হয়েছে, তারেক রহমানের সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করতে চায় এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদারত্ব বহুমুখী করার চেষ্টা করছে।
ফলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে করকোরানের আশঙ্কাকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য চিত্র হিসেবে দেখা যায়, অবধারিত পরিণতি হিসেবে নয়। তার বিশ্লেষণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো- শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন কি না, তার চেয়েও বড় প্রশ্ন, ফিরলে তিনি কী রাজনৈতিক ভূমিকা নেবেন এবং বর্তমান সরকার সেই প্রত্যাবর্তনকে কীভাবে সামাল দেবে।
শেষ পর্যন্ত বিষয়টি শুধু শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এটি দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতার নতুন বিন্যাস, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ, বিএনপি সরকারের কর্তৃত্ব, বিচারপ্রক্রিয়া এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক—সবকিছুকে একসঙ্গে পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারে। করকোরানের ভাষায়, “ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত হাসিনা ডিসেম্বরে সত্যিই দেশে ফিরবেন কি না, তার ওপর যতটা নির্ভর করছে, তার চেয়ে বেশি নির্ভর করছে ভারতে তার অবস্থান কী বার্তা বহন করছে তার ওপর।”
অর্থাৎ শেখ হাসিনার ভারত অবস্থান এখন আর শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নির্বাসন নয়। ঢাকার দৃষ্টিতে এটি সার্বভৌমত্ব ও বিচারপ্রক্রিয়ার প্রশ্ন; নয়াদিল্লির জন্য এটি পুরোনো মিত্রতার উত্তরাধিকার ও নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য; আর বৃহত্তর ভূরাজনীতিতে এটি ভারত ও চীনের প্রভাবের প্রতিযোগিতার অংশ।
ডিসেম্বরের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন সেই অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোকে আরও প্রকাশ্য করে তুলতে পারে। আর যদি সেই প্রত্যাবর্তন বর্তমান সরকারের কর্তৃত্বের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে রূপ নেয়, তাহলে করকোরানের আশঙ্কা অনুযায়ী, বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সেটিই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
খবরটি শেয়ার করুন