ছবি - সংগৃহীত
গত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। ড.ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। এই পটপরিবর্তনের ফলে জনগণের প্রত্যাশা ছিল এবার চাঁদাবাজি ও দখলবাজির কিছুটা হলেও অবসান হবে। কিন্তু বাস্তবে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে কয়েকগুণ বেড়েছে। যার প্রধান কারণ হলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিস্ক্রিয়তা। এখনও পুলিশ প্রশাসন তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু করতে পারেনি।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যারা এতোদিন ক্ষমতার বাইরে ছিল, তাদের নাম ব্যবহার করে দল কিংবা অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে বিভিন্ন কৌশলে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদা দিতে অপারগতা জানালে শিল্প-কারখানা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটছে। এমনও অভিযোগ রয়েছে চাঁদা না দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন, এমনকি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও উড়োচিঠি কিংবা ফোনে চাঁদা দাবি করে হুমকি দেয়া হচ্ছে। খুলনার দাকোপ উপজেলায় পাঁচটি মন্দিরে উড়োচিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপূজা করতে হলে প্রতিটি মন্দিরকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- চাঁদাবাজি, দখলসহ শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার, শোকজসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত দেড় হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে এসব কাজে তাদের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয় বলা হয়েছে। সমন্বয়কদের নাম ব্যবহার করেও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে নয়জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। সবাই বলছে, যারা এসব কাজে জড়িত তারা তাদের কেউ নয়। নাম ভাঙিয়ে এসব করছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চাঁদাবাজদের তালিকা করছে সরকার। দ্রুতই দেশব্যাপী অভিযান চালানো হবে। কোনো দল-মত বিচার করা হবে না। প্রত্যেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে। দেশের ব্যবসায়ীরাসহ সাধারণ জনগণ ভীষণ উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কিত। এক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা- দ্রুত এই অবস্থার অবসান হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থিতিশীল ও জনগণের মধ্যে ভীতিমুক্ত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে।
আই.কে.জে/
খবরটি শেয়ার করুন
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যারা এতোদিন ক্ষমতার বাইরে ছিল, তাদের নাম ব্যবহার করে দল কিংবা অঙ্গ সংগঠনের ব্যানারে বিভিন্ন কৌশলে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদা দিতে অপারগতা জানালে শিল্প-কারখানা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটছে। এমনও অভিযোগ রয়েছে চাঁদা না দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন, এমনকি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানেও উড়োচিঠি কিংবা ফোনে চাঁদা দাবি করে হুমকি দেয়া হচ্ছে। খুলনার দাকোপ উপজেলায় পাঁচটি মন্দিরে উড়োচিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আসন্ন দুর্গাপূজা করতে হলে প্রতিটি মন্দিরকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- চাঁদাবাজি, দখলসহ শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার, শোকজসহ বিভিন্ন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত দেড় হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে এসব কাজে তাদের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয় বলা হয়েছে। সমন্বয়কদের নাম ব্যবহার করেও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সমন্বয়ক পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে নয়জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। সবাই বলছে, যারা এসব কাজে জড়িত তারা তাদের কেউ নয়। নাম ভাঙিয়ে এসব করছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চাঁদাবাজদের তালিকা করছে সরকার। দ্রুতই দেশব্যাপী অভিযান চালানো হবে। কোনো দল-মত বিচার করা হবে না। প্রত্যেক অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে। দেশের ব্যবসায়ীরাসহ সাধারণ জনগণ ভীষণ উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কিত। এক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা- দ্রুত এই অবস্থার অবসান হবে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থিতিশীল ও জনগণের মধ্যে ভীতিমুক্ত স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে।
আই.কে.জে/