শনিবার, ৩রা অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** শেখ হাসিনা এখনো ভারতে বিশেষ মর্যাদায়, দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যে মিলছে সেই ইঙ্গিত *** হুতিদের বিরুদ্ধে বড় অভিযানের প্রস্তুতি সৌদির, অংশ নিতে পারেন লাখো ইয়েমেনি সেনা *** জামায়াতের আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে *** ইসরায়েলগামী বিমানের ককপিটে কুড়াল নিয়ে হামলা, সেই সহকারী পাইলটের পরিচয় কী *** সাক্ষাৎকারে মিথ্যা বললে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে: মার্কিন দূতাবাস *** বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানের ক্ষোভে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে: পরওয়ার *** ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রীর ছবি প্রকাশ *** মাল্টার দাম ৫২০ টাকা কেন, ব্যাখ্যা চেয়ে ব্যবস্থার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর *** মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ দাফন ও সৎকারে বরাদ্দ সাড়ে ৯ কোটি টাকা *** ইলিশ আহরণে বিরত রাখতে সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ১৬৫৭ টন চাল বরাদ্দ

সুখবর এক্সপ্লেইনার

ইসরায়েলগামী বিমানের ককপিটে কুড়াল নিয়ে হামলা, সেই সহকারী পাইলটের পরিচয় কী

প্রণব সাহা

🕒 প্রকাশ: ০৭:১৯ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানের ককপিটে সহকারী পাইলটের হামলার ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে তার পরিচয় ও অতীত কর্মজীবন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সহকারী পাইলটের নাম হামাম আল-হামামি। তিনি ওমানের নাগরিক। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তার পরিচয় প্রকাশ করেনি। তার কথিত উগ্রপন্থী মতাদর্শ, হামলার উদ্দেশ্য এবং কোনো সংগঠনের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তরও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।

৩০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাইয়ের এফজেড-১০৭৩ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে তেল আবিবের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। বিমানটিতে ১৭৪ জন যাত্রীসহ মোট ১৮২ জন ছিলেন বলে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি সৌদি আরবের আকাশসীমায় থাকা অবস্থায় হঠাৎ দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, এক পর্যায়ে বিমানটি ১৬ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতা হারায়। পরে সেটি আবার ওপরে ওঠে এবং দ্বিতীয়বারও দ্রুত নিচে নামতে থাকে।

এই অস্বাভাবিক গতিপথের পেছনে তখন ককপিটে চলা সংঘর্ষের কথা জানা যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল-শামসি শনিবার জানান, তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সহকারী পাইলট ককপিটে থাকা জরুরি কুড়াল দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা করেন এবং বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। আমিরাত সরকার ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে একই সঙ্গে হামলার উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার গুরুতর আহত হয়েও ককপিটের দরজা খোলার সুযোগ তৈরি করেন। এরপর যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা ককপিটে ঢুকে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিমানে থাকা অন্য পাইলটরাও পরে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। এই পুরো ঘটনাকে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও রয়টার্স এমন একটি পরিস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেছে, যেখানে ককপিটের ভেতরের একজন ব্যক্তিই বিমানের জন্য প্রধান নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হয়।

হামাম আল-হামামির পরিচয় প্রথমে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের অজ্ঞাতনামা সূত্রের মাধ্যমে সামনে আসে। রয়টার্সকে ঘটনা সম্পর্কে সরাসরি অবগত একটি সূত্র তার নাম ও ওমানের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি ও সৌদি কর্মকর্তারাও তাকে ওমানের নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করেছেন। তবে আমিরাতের কর্তৃপক্ষ তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি এবং ওমান সরকারও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি।

তার বয়স ২৯ বছর বলে এবিসি নিউজের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামামি সংযুক্ত আরব আমিরাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ওমানের নাগরিক এবং মা সিরিয়ার নাগরিক ছিলেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় তিনি আমিরাতেই কাটিয়েছেন। তবে এসব ব্যক্তিগত তথ্যের সবকিছু এখনো সরকারি নথি দিয়ে প্রকাশ্যে যাচাই করা হয়নি।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে তার আগের কর্মজীবন নিয়ে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অজ্ঞাতনামা সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ওমানের কর্তৃপক্ষ একসময় হামামিকে দেশটিতে বিমান চালানো থেকে নিষিদ্ধ করেছিল। কারণ হিসেবে তার কথিত উগ্রপন্থী মতাদর্শ নিয়ে উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে। একই ধরনের তথ্য সিএনএন, এবিসি নিউজ ও আল-জাজিরাও প্রকাশ করেছে। তবে এসব প্রতিবেদনের কোনোটিতেই তার কথিত মতাদর্শের সুনির্দিষ্ট সরকারি নথি বা ওমান সরকারের প্রকাশ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এবিসি নিউজের সূত্রগুলো আরও দাবি করেছে, ২০২৪ সালে ওমান এয়ারে প্রশিক্ষণরত অবস্থায় হামামির কাছে উগ্রপন্থী উপকরণ পাওয়া গিয়েছিল। পরে তাকে বিমান প্রশিক্ষণ থেকে সরিয়ে অন্য দায়িত্বে দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। সিএনএনও জানিয়েছে, ওমান এয়ারে তার কর্মজীবন নিয়ে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে এই দাবিগুলোর স্বাধীন সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

তার কর্মজীবনের আরেকটি দিকও তদন্তকারীদের নজরে এসেছে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাম আল-হামামি নামে একটি লিংকডইন প্রোফাইলে ওমান এয়ারে প্রায় সাত বছর কাজ করার তথ্য ছিল। সেখানে দেখা যায়, তিনি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওই প্রতিষ্ঠান ছাড়েন। এরপর একই বছরের জুনে মরক্কোর রয়্যাল এয়ার মারকে যোগ দেন এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে সেখান থেকেও চলে যান। ওই প্রোফাইলে যুক্তরাজ্যের বাকিংহামশায়ার নিউ ইউনিভার্সিটি থেকে বিমান ব্যবস্থাপনায় পড়াশোনার তথ্য ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র সিএনএনকে জানিয়েছে, ওই নামে একজন শিক্ষার্থী দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে তিন বছরের কোর্স শেষ করে ২০২৩ সালে স্নাতক হন।

ঘটনার পর তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি হিসাব মুছে ফেলা হয়েছে বলেও সিএনএন জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি দাবি করেছে, হামাম আল-হামামি নামের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হিসাবে কিছু পুরোনো পোস্ট ছিল, যেখানে নারীদের কর্মজীবন, মিশ্র কর্মপরিবেশ ও ধর্মীয় পোশাক নিয়ে রক্ষণশীল মতামত প্রকাশ করা হয়েছিল। আরও কিছু মুছে ফেলা পোস্টে আল-কায়েদার সাবেক নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরির ছবি এবং ২০০৯ সালের আফগানিস্তানে সিআইএ ঘাঁটিতে আত্মঘাতী হামলাকারী হুমাম খলিল আবু-মুলাল আল-বালাওয়ির ছবি থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে এসব হিসাব সত্যিই হামামির নিজের ছিল কি না এবং পোস্টগুলোর সঙ্গে তার বর্তমান হামলার সরাসরি সম্পর্ক আছে কি না, তদন্তে তা নিশ্চিত করা হয়নি।

এখানেই তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি দাঁড়াচ্ছে—হামামি কি একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, নাকি এর পেছনে কোনো সংগঠন বা অন্য ব্যক্তির যোগাযোগ ছিল? রয়টার্সের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত এক উপসাগরীয় কূটনীতিক বলেছেন, তদন্তকারীরা এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও হামলার পেছনে অন্য কারও নির্দেশ বা সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি এবং কোনো নির্দিষ্ট সংগঠনের সঙ্গে হামামির যোগসূত্রের প্রমাণও প্রকাশ্যে আসেনি।

ঘটনাটি শুধু একজন সহকারী পাইলটের অতীত নিয়েই প্রশ্ন তুলছে না; আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তার কাঠামো নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের সঙ্গে কথা বলা সাবেক বোয়িং নিরাপত্তা কর্মকর্তা ডেভ কোমেন্ডাট বলেছেন, বিমানকর্মীদের নিরাপত্তা যাচাইয়ের ব্যবস্থা যাত্রীদের তল্লাশির সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত। তার মতে, বিভিন্ন দেশে এই প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য থাকায় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

ইসরায়েলের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আইয়াল হুলাতা বলেছেন, এত দিন বিমান নিরাপত্তায় যাত্রী বা বাইরে থেকে আসা হামলার ঝুঁকির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর বিমানকর্মীদের আরও কঠোরভাবে যাচাই করার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসতে পারে। আবার কভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিমান নিরাপত্তাবিষয়ক অধ্যাপক ফিলিপ বাউমের মতে, ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ককপিটের দরজাকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করার ফলে বাইরের হামলাকারী ঠেকানো গেলেও ককপিটের ভেতরের হামলাকারীর ক্ষেত্রে একই ব্যবস্থা নতুন ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মেনাখেম বাখরাখ অবশ্য সতর্ক করে বলেছেন, ঘটনাটি ঘটেছে বলেই পুরো নিরাপত্তাব্যবস্থাকে ব্যর্থ বলা ঠিক হবে না। তার মতে, বিদ্যমান নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থাৎ প্রশ্নটি শুধু ‘কীভাবে হামামি ককপিটে পৌঁছালেন’—এখানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তার অতীত সম্পর্কে কোনো সতর্কসংকেত থাকলে তা কারা জানত, সেই তথ্য অন্য সংস্থা বা দেশের কাছে পৌঁছেছিল কি না এবং নিয়োগের সময় কী ধরনের যাচাই হয়েছিল—এসবও তদন্তের অংশ হওয়া প্রয়োজন।

এই কারণেই হামাম আল-হামামির পরিচয় প্রকাশের চেয়েও বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে তার অতীতের তথ্যগুলো বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মধ্যে কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। যদি ওমানে তার বিরুদ্ধে সত্যিই উড্ডয়ন নিষেধাজ্ঞা থেকে থাকে, তাহলে সেই তথ্য পরবর্তী নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছেছিল কি না, ফ্লাইদুবাই নিয়োগের সময় তা যাচাই করা হয়েছিল কি না এবং ইসরায়েলগামী ফ্লাইটে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো নিরাপত্তা যাচাই হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তেই মিলবে।

আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, হামাম আল-হামামি নামে এক ওমানি সহকারী পাইলট এফজেড-১০৭৩ ফ্লাইটের ককপিটে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলার অভিযোগে আটক আছেন এবং আমিরাতের নেতৃত্বে তদন্ত চলছে। তাকে ঘিরে উগ্রপন্থী মতাদর্শ, অতীতের চাকরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং সম্ভাব্য সংগঠন-যোগের যেসব তথ্য সামনে এসেছে, তার বড় অংশই অজ্ঞাতনামা সূত্র ও সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানের ওপর নির্ভরশীল।

তদন্ত শেষ হওয়ার আগে সেগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। বরং এই ঘটনার প্রকৃত তাৎপর্য নির্ভর করবে একটি প্রশ্নের উত্তরের ওপর—একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি কীভাবে পূর্বের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের পরও বাণিজ্যিক বিমানের ককপিটে দায়িত্ব পাওয়ার অবস্থানে পৌঁছালেন।

ইসরায়েলগামী বিমান

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা এখনো ভারতে বিশেষ মর্যাদায়, দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যে মিলছে সেই ইঙ্গিত

🕒 প্রকাশ: ০৮:১৭ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

হুতিদের বিরুদ্ধে বড় অভিযানের প্রস্তুতি সৌদির, অংশ নিতে পারেন লাখো ইয়েমেনি সেনা

🕒 প্রকাশ: ০৭:৪২ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

জামায়াতের আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে

🕒 প্রকাশ: ০৭:২৬ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলগামী বিমানের ককপিটে কুড়াল নিয়ে হামলা, সেই সহকারী পাইলটের পরিচয় কী

🕒 প্রকাশ: ০৭:১৯ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

সাক্ষাৎকারে মিথ্যা বললে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে: মার্কিন দূতাবাস

🕒 প্রকাশ: ০৭:০৩ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250