শনিবার, ৩রা অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ

*** জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী *** শেখ হাসিনা এখনো ভারতে বিশেষ মর্যাদায়, দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যে মিলছে সেই ইঙ্গিত *** হুতিদের বিরুদ্ধে বড় অভিযানের প্রস্তুতি সৌদির, অংশ নিতে পারেন লাখো ইয়েমেনি সেনা *** জামায়াতের আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে *** ইসরায়েলগামী বিমানের ককপিটে কুড়াল নিয়ে হামলা, সেই সহকারী পাইলটের পরিচয় কী *** সাক্ষাৎকারে মিথ্যা বললে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে: মার্কিন দূতাবাস *** বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগদানের ক্ষোভে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে: পরওয়ার *** ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার স্ত্রীর ছবি প্রকাশ *** মাল্টার দাম ৫২০ টাকা কেন, ব্যাখ্যা চেয়ে ব্যবস্থার নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর *** মুক্তিযোদ্ধাদের মরদেহ দাফন ও সৎকারে বরাদ্দ সাড়ে ৯ কোটি টাকা

সুখবর এক্সপ্লেইনার

হুতিদের বিরুদ্ধে বড় অভিযানের প্রস্তুতি সৌদির, অংশ নিতে পারেন লাখো ইয়েমেনি সেনা

নবনীতা রায়

🕒 প্রকাশ: ০৭:৪২ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

#

ছবি: সংগৃহীত

লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হুতিদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধারে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব। অভিযানের স্থলভাগের মূল দায়িত্ব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনীর হাতে থাকবে। তাদের সহায়তায় সৌদি আরব বিমান হামলা চালাতে পারে। অভিযানের পরিধি বড় হলে এক লাখের বেশি ইয়েমেনি সেনা ও সরকারপন্থী যোদ্ধাকে এতে যুক্ত করা হতে পারে।

২ অক্টোবর বার্তাসংস্থা রয়টার্স আঞ্চলিক ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এ তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব এখন দুটি পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। একটি হলো বাব আল-মান্দেবের আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় সীমিত অভিযান। অন্যটি হলো ইয়েমেনের একাধিক রণাঙ্গনে সমন্বিত আক্রমণ। দ্বিতীয় পরিকল্পনায় আল-বাইদা, মারিব, তাইজ ও আল-জাওফ প্রদেশ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। ছয়জন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযান আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে পারে। তবে সময় নিয়ে মতভেদ রয়েছে—কেউ এক সপ্তাহের মধ্যে শুরুর কথা বলেছেন, আবার কেউ যুক্তরাষ্ট্রের নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরের সময়ের কথা বলেছেন।

এই পরিকল্পনার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হুতিদের সাম্প্রতিক অগ্রগতি। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে দ্রুত অগ্রসর হয়ে হুতিরা মোখা বন্দর এবং বাব আল-মান্দেবের কাছে কয়েকটি কৌশলগত দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেন। ১৫ সেপ্টেম্বর আল জাজিরা জানায়, হুতিরা গ্রেটার ও লেসার হানিশ দ্বীপ এবং মোখা দখল করে লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের দিকে তাদের অবস্থান শক্ত করেছেন। ১৬ সেপ্টেম্বর রয়টার্সের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, হুতিদের অগ্রগতি সৌদি আরবের জন্য কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক বিপর্যয়ের একটি তৈরি করেছে।

বাব আল-মান্দেবের গুরুত্ব কেবল ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রণালিটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে জাহাজ চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ এটি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের হিসাবে, স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ১২ শতাংশ এ পথ দিয়ে চলাচল করে। চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালির নৌপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বাব আল-মান্দেবের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি নেতৃত্ব মনে করছে, বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ হুতিদের হাতে থাকা অবস্থায় নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরু করা কঠিন। কারণ, প্রণালিটির ওপর নিয়ন্ত্রণ হুতিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি পরিবহনে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দিচ্ছে। সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইকেল র‍্যাটনি রয়টার্সকে বলেছেন, সম্ভাব্য অভিযান ২০১৫ সালের সৌদি নেতৃত্বাধীন বড় অভিযানের তুলনায় সীমিত হতে পারে। তার মতে, উপকূলীয় এলাকা পুনর্দখল এবং স্বাভাবিক নৌ চলাচল ফিরিয়ে আনার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

তবে এবার সৌদি আরব যে পরিস্থিতির মুখোমুখি, তা ২০১৫ সালের চেয়ে আলাদা। ইয়েমেনের সরকারপন্থী বাহিনীগুলো এখনো বিভিন্ন গোষ্ঠীতে বিভক্ত। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত গৃহযুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে এসব গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিলেও তাদের মধ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক বিভাজন রয়েছে। ইয়েমেনবিষয়ক বিশ্লেষক মোহাম্মদ আলবাশা রয়টার্সকে বলেছেন, অনেক হুতিবিরোধী বাহিনী দীর্ঘস্থায়ী আক্রমণ পরিচালনার জন্য এখনো যথেষ্ট সংগঠিত নয়। ফলে এক লাখের বেশি যোদ্ধা মাঠে নামানো গেলেই যে সমন্বিত সামরিক শক্তি তৈরি হবে, তার নিশ্চয়তা নেই।

সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলী শিহাবিও একই ধরনের ঝুঁকির কথা বলেছেন। তার মতে, অভিযানের ফল অনেকটাই নির্ভর করবে ইয়েমেনের স্থলবাহিনীর সক্ষমতার ওপর। এত দিন তাদের প্রধান কাজ ছিল নিজেদের অবস্থান রক্ষা ও সম্মুখসারি স্থিতিশীল রাখা। এবার যদি তারা আক্রমণাত্মক অভিযানে যায়, তাহলে বাহিনীগুলোর সমন্বয় বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে।

রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের গবেষক বুরজু ওজচেলিক ২১ সেপ্টেম্বরের বিশ্লেষণে বলেন, বাব আল-মান্দেব ঘিরে লড়াই এখন শুধু ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নয়; এটি উপসাগরীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শক্তির প্রতিযোগিতার সঙ্গেও যুক্ত হয়ে গেছে। তার বিশ্লেষণে সৌদি আরব, ইসরায়েল, তুরস্ক, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থও এ সংকটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।

সৌদি আরব একা প্রস্তুতি নিচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনে সৌদি সামরিক কর্মকাণ্ডে গোয়েন্দা তথ্য, সামরিক পরামর্শ এবং লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে সহায়তা করছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। তবে সরাসরি বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সরাসরি সামরিক সহায়তা চাইলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাৎক্ষণিকভাবে তাতে সম্মতি দেননি।

তুরস্ক ও পাকিস্তানের ভূমিকাও বাড়ছে। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ৭ আগস্ট পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে। ২৯ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ বলেন, সৌদি আরবকে রক্ষায় প্রয়োজন হলে পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে। তবে তিনি ইয়েমেনে পাকিস্তানি সেনাদের সরাসরি যুদ্ধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারা হুতিদের হামলার জবাব নিয়ে সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।

রয়টার্সের ২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পাকিস্তান গত মাসে চারটি মালবাহী উড়োজাহাজে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, হালকা কামান, ড্রোন ও ড্রোন প্রতিরোধী সরঞ্জাম এডেনে পাঠিয়েছে। পাকিস্তানি সামরিক পরামর্শকেরা ইয়েমেনের সরকারপন্থী বাহিনীকে সহায়তা করছেন বলেও কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। সৌদি আরবের অনুরোধে তুরস্কের তৈরি ড্রোনও ইয়েমেনের আকাশে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তান ইয়েমেনে যুদ্ধ করার জন্য সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে দেশটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যও সীমিত সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে যুক্তরাজ্য সৌদি যুদ্ধবিমানকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহের জন্য রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একটি ভয়েজার উড়োজাহাজ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। এ সহায়তা কয়েক সপ্তাহের জন্য দেওয়ার কথা। ফ্রান্সও সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর রক্ষায় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।

এদিকে ইয়েমেনে সংঘর্ষ ইতিমধ্যে তীব্র হয়েছে। ৩ অক্টোবর আল জাজিরা জানায়, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৫০০টি সামরিক অভিযান চালানোর দাবি করেছে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ হুতি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছেন। তাইজ প্রদেশে সবচেয়ে বেশি হতাহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এ সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি এবং সরকারপন্থী বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির হিসাবও প্রকাশ করা হয়নি।

তাইজ এখন নতুন সংঘর্ষের অন্যতম কেন্দ্র। ২ অক্টোবর রয়টার্স জানায়, ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী সেখানে তিন ঘণ্টার মধ্যে হুতিদের অবস্থানে ২০টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তাইজের নিয়ন্ত্রণ হুতিদের হাতে গেলে উত্তর ইয়েমেনের সঙ্গে লোহিত সাগরের উপকূল এবং দক্ষিণের এডেনের দিকে তাদের সামরিক যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হতে পারে।

এই সংঘাতের মানবিক মূল্যও দ্রুত বাড়ছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ১৩ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিল, সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৩ দিনেই ইয়েমেনে ৮২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন; মোট বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮৫ হাজার ৮১৮। দুই হাজারের বেশি মানুষ যুদ্ধ থেকে পালিয়ে জিবুতিতেও পৌঁছান। ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে আটটি প্রদেশে এক লাখ ২২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ৬ আগস্ট থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৭৪ জন নিহত ও ২ হাজার ৯৯৮ জন আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা দখলের পর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে পুনর্বহালের লক্ষ্যে সামরিক অভিযান শুরু করে। ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর কয়েক বছর তুলনামূলক স্থিতাবস্থা থাকলেও চলতি বছরের জুলাইয়ে তা ভেঙে পড়ে। এরপর হুতিদের সাম্প্রতিক উপকূলীয় অগ্রগতি সংঘাতকে আবার বড় আকারের যুদ্ধে ঠেলে দিয়েছে।

এখন সৌদি আরবের সামনে মূল প্রশ্ন শুধু বাব আল-মান্দেব পুনর্দখল নয়। বড় স্থল অভিযান শুরু হলে হুতিদের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সৌদি তেল স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় আঘাত করতে পারে। একই সঙ্গে ইয়েমেনের বিভক্ত সরকারপন্থী বাহিনীকে এক কমান্ডে রেখে দীর্ঘ অভিযান চালানোও কঠিন হতে পারে। ফলে রিয়াদ সীমিত উপকূলীয় অভিযান বেছে নেবে, নাকি একাধিক রণাঙ্গনে বড় আক্রমণে যাবে—সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে লোহিত সাগরের নৌ চলাচল, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং ইয়েমেনে নতুন করে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের আশঙ্কা।

হুতি গোষ্ঠী

সুখবর এর নিউজ পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

খবরটি শেয়ার করুন

জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

🕒 প্রকাশ: ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

শেখ হাসিনা এখনো ভারতে বিশেষ মর্যাদায়, দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যে মিলছে সেই ইঙ্গিত

🕒 প্রকাশ: ০৮:১৭ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

হুতিদের বিরুদ্ধে বড় অভিযানের প্রস্তুতি সৌদির, অংশ নিতে পারেন লাখো ইয়েমেনি সেনা

🕒 প্রকাশ: ০৭:৪২ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

জামায়াতের আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে

🕒 প্রকাশ: ০৭:২৬ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলগামী বিমানের ককপিটে কুড়াল নিয়ে হামলা, সেই সহকারী পাইলটের পরিচয় কী

🕒 প্রকাশ: ০৭:১৯ অপরাহ্ন, ৩রা অক্টোবর ২০২৬

Footer Up 970x250